+8801817-291888

Blog

ত্রিকোনোমিতির প্রয়োগমূলক সব অংকের টেকনিক

সুত্র ১:
শীর্ষবিন্দুর উন্নতি কোন 30° হলে উচ্চতা নির্ণয়ের ক্ষেত্রে টেকনিক মনে রাখুন – উচ্চতা= [পাদদেশ হতে দুরত্ত্ব÷√3] .

উদাহরন : একটি মিনাররের পাদদেশ হতে 20 মিটার দুরের ১টি স্থান হতে মিনারটির শীর্ষবিন্দুর উন্নতি কোন 30° হলে মিনারের উচ্চতা কত? . সমাধানঃ উচ্চতা =[পাদদেশ হতে দুরত্ত্ব÷√3] =20/√3(ans)
সুত্র২ :
শীর্ষ বিন্দুর উন্নতি কোন 60 হলে উচ্চতা নির্ণয়ের ক্ষেত্রে টেকনিক মনেরাখুন- উচ্চতা=[পাদদেশ হতে দুরত্ত্ব × √3]

উদাহরনঃএকটি তাল গাছের পাদবিন্দু হতে 10 মিটার দুরবর্তী স্থান থেকে গাছের শীর্ষের উন্নতি কোন 60° হলে গাছটির উচ্চতা নির্ন্যয় করুন? অথবাঃ সুর্যের উন্নতি কোন 60° হলে একটি গাছের ছায়ার দৈর্ঘ্য 10 মিটার হয়। গাছটির উচ্চতা কত? সমাধান : উচ্চতা=[পাদদেশ হতে দুরত্ত্ব × √3] =10√3=17.13(ans) . (মুখস্ত রাখুন √3=1.73205) (শুধু মনে রাখুন 30° হলে ভাগ এবং 60° হলে গুন হবে)
সুত্র৩ :
সম্পুর্ন ভাবে বিচ্ছিন্ন না হয়ে ভুমির সাথে 30 কোন উৎপন্ন হলে ভুমি হতে ভাংগা অংশের উচ্চতা নির্ণয়ের ক্ষেত্রে- কত উচুতে ভেংগেছিলো= (খুটির মোট দৈর্ঘ্য ÷ 3) .

উদাহরন : একটি 48 মিটার লম্বা খুটি ভেংগে গিয়ে সম্পুর্ন ভাবে বিচ্ছিন্ন না হয়ে ভুমির সাথে 30 কোণ উৎপন্ন করে। খুটিটি কত উচুতে ভেঙ্গেছিলো ? . সমাধান : কত উচুতে ভেঙ্গেছিলো = (খুটির মোট দৈর্ঘ্য ÷ 3) =48÷3=16(ans)

সুত্র ৪:
সম্পুর্ন ভাবে বিচ্ছিন্ন না হয়ে ভুমির সাথে 30 কোন উৎপন্ন হলে ভূমি হতে ভাংগা অংশের উচ্চতা নির্ন্যেয়ের ক্ষেত্রে- শর্ট টেকনিক : কতউচুতে ভেংগেছিলো= (খুটির মোট দৈর্ঘ্য ÷ 3) .

উদাহরন: 18ফুট উচু একটি খুটি এমন ভাবে ভেংগে গেলো যে ভাংগা অংশটি বিচ্ছিন্ন না হয়ে ভুমির সাথে 30 কোনে স্পর্শ করলো। খুটিটি মাটি থেকে কতফুট উচুতে ভেংগে গিয়েছলো? সমাধান: কত উচুতে ভেংগেছিলো= (খুটির মোট দৈর্ঘ্য ÷ 3) =(18÷3) =6ফুট (ans)

সুত্র ৫:
যখন মই দেয়ালের সাথে হেলান দিয়ে লাগানো থাকে তখন- *শর্ট টেকনিকঃ (মইয়ের উচ্চতা)² = (দেয়ালের উচ্চতা)² + (দেয়ালের দুরত্ব)²

* উদাহরন: একটি 50মিটার লম্বা মই খাড়া দেয়ালের সাথে হেলান দিয়ে রাখা হয়েছে।মইয়ের একপ্রান্তে মাটি হতে 40মিটার উপরে দেয়ালকে স্পর্শ করে মইয়ের অপর প্রান্ত হতে দেয়ালের লম্ব দুরত্ব কত মিটার? . সমাধান: (মইয়ের উচ্চতা)² =(দেয়ালের উচ্চতা)² + (দেয়ালের দুরত্ব)² বা, (দেয়ালের দুরত্ব)² =(মইয়ের উচ্চতা)² – (দেয়ালের উচ্চতা)² বা, দেয়ালের দুরত্ব= √(50)² – √ (40)² =10মিটার (ans)

[লক্ষ করুনঃ উপরের এই ৫নং সুত্রের মাধ্যেমেই ‘মইয়ের উচ্চতা’ ‘দেয়ালের উচ্চতা’ ও ‘দেয়ালের দুরত্ব’ প্রশ্নে যাই বলে সব কয়টি শুধু প্রক্ষান্তর করে
(প্রশ্নানুযায়ী ডান থেকে বামে সরিয়ে) নির্নয় করতে পারবেন।]
...

View on Facebook

কিংবদন্তি চলচ্চিত্র অভিনেতা নায়করাজ রাজ্জাক এর মৃত্যুতে আমরা গভীরভাবে শোকাহত। ...

View on Facebook

*** তামা বা কপার ধাতুর
পাত্রে MgSO4 দ্রবণ
রাখা যাবে কী?——-> হ্যাঁ
—> যে পাত্রে রাখব তার
সক্রিয়তা বেশি হলে রাখা
যাবে না আর
কম হলে রাখা যাবে। কারণ,
সক্রিয়তা বেশি হলে পাত্র ঐ
ধাতুর
সাথে বিক্রিয়া করে ক্ষয়প্রাপ্ত
হবে। এখন সক্রিয়তা কোনটার কম
আর
কোনটার বেশি হবে তা উপরের
টেকনিক থেকে বের করবে।
২. জৈব যৌগের জারণ-বিজারণ
বিক্রিয়া: এক্ষেত্রে তোমার শুধূ
হাজারীর বইয়ের
সুচীপত্রটা মনে রাখলেই চলবে!!!
অ্যালকোহল অধ্যায়ের
পরে আছে অ্যালডিহাইড ও
কিটোন অধ্যায়, তার
পরে আছে জৈব এসিড অধ্যায়।
জারণ করার সময় সামনে যাবে
আর
বিজারণ করার সময় পেছনে
আসবে!
সুতরাং, অ্যালকোহলকে জারিত
করলে হবে অ্যালডিহাইড/
কিটোন।
আবার অ্যালডিহাইড/কিটোন
কে জারিত
করলে পাওয়া যাবে জৈব
এসিড!!!
একইভাবে, জৈব এসিডকে
বিজারণ
করলে পাওয়া যাবে
অ্যালডিহাইড/
কিটোন। আবার, অ্যালডিহাইড/
কিটোনকে বিজারণ
করলে পাওয়া যাবে
অ্যালকোহল!
...

View on Facebook

Crazy People 😛 ...

View on Facebook

টমসনের পরীক্ষা

ইলেকট্রন যে একটি উপআনবিক কণিকা তা সর্বপ্রথম বিজ্ঞানী জে. জে. টমসন ১৮৯৭ সালে আবিষ্কার করেন। কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাভেন্ডিশ গবেষণাগারে ক্যাথোড রশ্মি নল নিয়ে গবেষণা করার সময় তিনি এই আবিষ্কার করেন। ক্যাথোড রশ্মি নল হল একটি সম্পূর্ণ বদ্ধ কাচের সিলিন্ডার যার মধ্যে দুইটি তড়িৎ ধারক (electrode) শুন্য স্থান দ্বারা পৃথ করা থাকে। যখন দুইটি তড়িৎ ধারকের মধ্যে বিভব পার্থক্য প্রয়োগ করা হয় তখন ক্যাথোড রশ্মি উৎপন্ন হয় এবং এর ফলে নলের মধ্যে আভার সৃষ্টি হয়। উপর্যুপরী পরীক্ষার মাধ্যমে টমসন প্রমাণ করেন যে চৌম্বকত্বের সাহায্যে রশ্মি থেকে ঋণাত্মক আধান পৃথক করা যায় না; তবে তড়িৎ ক্ষেত্র দ্বারা রশ্মিগুলোকে বিক্ষিপ্ত করা যায়। মূলত ইলেকট্রনের আবিষ্কার এবং এর অংশসমূহ সম্বন্ধে ধারণা লাভ করতে গিয়ে টমসনকে তিন তিনটি পরীক্ষা সম্পাদন করতে হয়েছিলো:

প্রথমত:
এই পরীক্ষার সাথে ১৮৯৫ সালে জ্যাঁ পেরিন কৃত পরীক্ষার বেশ মিল ছিল। টমসন এক জোড়া ধাতুর সিলিন্ডার দ্বারা একটি ক্যাথোড রশ্মি নল তৈরি করেন যার মধ্যে একটি সংকীর্ণ ফাঁক ছিল। এই সিলিন্ডারদ্বয় আবার একটি ইলেকট্রোমিটারের সাথে সংযুক্ত ছিল যাতে তড়িৎ আধান সংরক্ষণ এবং পরিমাপ করা যায়। পেরিন দেখেছিলেন ক্যাথোড রশ্মি একটি তড়িৎ আধান জমা করে। টমসন দেখতে চেয়েছিলেন একটি চুম্বকের মাধ্যমে রশ্মিগুলো বাঁকিয়ে রশ্মি থেকে আধান পৃথক করা যায় কি-না। তিনি দেখতে পান রশ্মিগুলো যখন সিলিন্ডারের সরু ফাঁকে প্রবেশ করে তখন ইলেকট্রোমিটারে ঋণাত্মক আধানের আধিক্য দেখা যায়। রশ্মিগুলো বাঁকিয়ে দিলে মিটারে ঋণাত্মক আধানের পরিমাণ এতো হয়না, কারণ রশ্মি তখন ফাঁকে প্রবেশেরই সুযোগ পায় না। এ থেকে স্পষ্টতই ধারণা করে নেয়া যায় যে ক্যাথোড রশ্মি এবং ঋণাত্মক আধান যেভাবেই হোক একসাথে থাকে, এদের পৃথক করা যায় না।

দ্বিতীয়ত:
পদার্থবিজ্ঞানীরা তড়িৎ ক্ষেত্রের সাহায্যে ক্যাথোড রশ্মি বাঁকানোর চেষ্টা করে ব্যর্থ হন। এবার টমসন একটি নতুন পরীক্ষণের কথা চিন্তা করেন। একটি আয়নিত কণা তড়িৎ ক্ষেত্র দ্বারা প্রভাবিত হলে অবশ্যই বেঁকে যাবে, কিন্তু যদি একে যদি একটি পরিবাহী দ্বারা ঘিরে দেয়া হয় তবে আর বাঁকবে না। তিনি সন্দেহ করেন যে নলের মধ্যে বিরাজমান গ্যাস বিশেষ পরিস্থিতিতে ক্যাথোড রশ্মির কারণেই তড়িৎ পরিবাহীতে পরিণত হয়েছে। এই ধারণা প্রমাণ করার জন্য অনেক কষ্টে তিনি একটি নলকে প্রায় বিশুদ্ধ শূণ্যস্থান করতে সমর্থ হন। এবার পরীক্ষা চালিয়ে দেখা যায় ক্যাথোড রশ্মি তড়িঃ ক্ষেত্র দ্বারা বেঁকে যাচ্ছে। এই দুইটি পরীক্ষণ থেকে টমসন সিদ্ধান্তে পৌঁছান,


আমি এই সিদ্ধান্তে পৌঁছা থেকে কোন ভাবেই পালাতে পারিনা যে ক্যাথোড রশ্মি হল ঋণাত্মক তড়িৎের আধান যা পদার্থের কণিকা দ্বারা বাহিত হয়।.... এই কণিকাগুলো কি? এরা কি পরমাণু, অথবা অণু, অথবা এমন পদার্থ যা এখন পর্যন্ত উপবিভাগের একটি সূক্ষ্মতম পর্যায়ে রয়েছে?


তৃতীয়ত:
টমসনের তৃতীয় পরীক্ষার বিষয়বস্তু ছিল কণিকাসমূহের মৌলিক বৈশিষ্ট্যসমূহ অনুসন্ধান করা। তিনি যদিও এ ধরনের কোন কণিকার সরাসরি ভর বা আধান বরে করতে পারেন নি, তবে চুম্বকত্বের দ্বারা এই রশ্মিগুলো কতটা বাঁকে এবং এদের মধ্যে কি পরিমাণ শক্তি রয়েছে তা পরিমাপ করতে পেরেছিলেন। এই উপাত্তগুলোর মাধ্যমে তিনি একটি কণিকার ভর এবং এর তড়িৎ আধানের মধ্যে একটি অণুপাত বের করেন। নিশ্চয়তার জন্য তিনি অনেক ধরনের নল এবং গ্যাস নিয়ে পরীক্ষণ সম্পাদন করার মাধ্যমে উপাত্তগুলো সংগ্রহ করেন। এই অণুপাত থেকে বেশ আশ্চর্যজনক ফল পাওয়া যায়; এর মান একটি আয়নিত হাইড্রোজেনের তুলনায় এক হাজার গুণেরও বেশি ছোট হয়।
...

View on Facebook

তাড়িতচুম্বক
Electromagnet

সলিনয়েডের ভিতর কোনো লোহার দণ্ড বা পেরেককে ঢুকালে সলিনয়েডের নিজের যে চৌম্বকক্ষেত্র হয়েছে তার চেয়ে বেশি শক্তিশালী চৌম্বকক্ষেত্র তৈরি করে ফলে সলিনয়েড থেকে বেশি চৌম্বকক্ষেত্র পাওয়া যায়। তড়িৎ প্রবাহ চলাকালীন এটি বেশ শক্তিশালী চুম্বকে পরিণত হয়। একে বলা হয় তাড়িতচুম্বক। এই চুম্বকের প্রাবল্য নিম্নোক্তভাবে আরও বাড়ানো যায়

তড়িৎ প্রবাহ বাড়িয়ে
সলিনয়েডের পেঁচের সংখ্যা বাড়িয়ে
ইংরেজি U অক্ষরের মতো বাঁকিয়ে চুম্বক মেরু দুটিকে আরও কাছাকাছি এনে।
বিভিন্ন তড়িৎ প্রবাহের ফলে বা সলিনয়েডের পেঁচের সংখ্যা বাঁড়ালে সলিনয়েড দ্বারা চুম্বকায়িত দণ্ড বা পেরেকটি কী পরিমাণ আলপিন বা পেপার ক্লিপ আকর্ষণ করতে পারে তা তোমাদের শিক্ষককের সাহায্য নিয়ে পরীক্ষা করে দেখ। বৈদ্যুতিক ঘণ্টা তৈরি, লোহা বা ইস্পাতের ভারী জিনিস উঠানামা করা বা আবর্জনা সরানোর ক্রেন তৈরিতে তাড়িতচুম্বক ব্যবহার করা হয়। চোখের ভিতর লোহা বা ইস্পাতের গুঁড়া ঢুকলে তা বের করার কাজে এই চুম্বক ব্যবহার কর হয় এছাড়া টেলিফোনের ইয়ারপিস ও দরজার তাড়িতচৌম্বক তালায় তাড়িতচুম্বক ব্যবহার করা হয়।
...

View on Facebook

Chattagram Biggan College shared Chattagram Commerce College's video. ...

আদর্শ ছেলে -কবিতা

View on Facebook

মোবাইল এর ব্যালেন্স থেকে ১০~১০০ টাকা করে কেটে নেওয়া হউক বন্যার্তদের সহযোগীতার জন্যে।
প্রায় ৫ কোটি গ্রাহক আছে, সবাই এগিয়ে আসুন।
আশা করি আমার এই ক্ষুদ্র চিন্তা কারও জন্যে অসু‌বিধা হবে না এবং তা বাস্তবায়ন হলে সহায়তা পাবে লক্ষ লক্ষ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত আমার আপনার মা, বাবা, ভাই বোন।
এগিয়ে আসুন আর্তমানবতার সেবায়।
সংগ্রহ হ‌বে ১০০ থে‌কে ১০০০কে‌া‌টি ।

এই পোষ্ট টি শেয়ার হবে।
...

View on Facebook

[i] বক্রতা কেন্দ্র [Centre of curvature]:- লেন্সের উভয় তলই যদি গোলীয় হয় তবে এরা প্রত্যেকে একটি নির্দিষ্ট গোলকের অংশ হবে ।ওই গোলকের কেন্দ্রকে ওই তলের বক্রতা কেন্দ্র বলে ।



[ii] বক্রতা ব্যাসার্ধ [Radius of of curvature]:- লেন্সের কোনো তল যে গোলকের অংশ হবে ওই গোলকের ব্যাসার্ধকে ওই তলের বক্রতা ব্যাসার্ধ বলে ।



[iii] প্রধান অক্ষ [Principal axis]:- যদি লেন্সের দুই তল গোলীয় হয় তবে ওই তলদুটির বক্রতা কেন্দ্র দুটিকে যোগ করলে যে সরলরেখা পাওয়া যায় তাকে ওই লেন্সের প্রধান অক্ষ বলে ।



[iv] পাতলা লেন্স [Thin lens]:- লেন্সের বেধ যদি ওর পৃষ্ঠতল দুটির বক্রতা ব্যাসার্ধের তুলনায় খুব ছোটো হয়, তাহলে ওই লেন্সকে পাতলা লেন্স বলে ।



[v] উন্মেষ [Aperture]:- লেন্সের ব্যাসকে লেন্সটির উন্মেষ বলে ।



[vi] আলোককেন্দ্র [Optical Centre]:- যদি কোনো আলোক-রশ্মি লেন্সের কোনো তলে এরূপভাবে আপতিত হয় যে, লেন্সের ভিতর দিয়ে প্রতিসৃত হয়ে দ্বিতীয় তল থেকে নির্গত হওয়ায় সময় এটি আপতিত রশ্মির সমান্তরালভাবে নির্গত হয়, তবে লেন্সের ভিতরে প্রতিসৃত রশ্মির গতিপথ প্রধান অক্ষকে যে বিন্দুতে ছেদ করে সেই বিন্দুকে লেন্সের আলোককেন্দ্র বলে । পাতলা লেন্সের ক্ষেত্রে আলোককেন্দ্র দিয়ে কোনো আলোক-রশ্মি গেলে, রশ্মির কোনো চ্যুতি বা পার্শ্ব-সরণ হয় না— আপতিত রশ্মি সোজাপাথে লেন্স থেকে নির্গত হয়ে যায় ।



◘ প্রমাণ করা যায় যে— অবতলোত্তল এবং উত্তলাবতল লেন্সে আলোককেন্দ্র অপেক্ষাকৃত কম বক্রতা ব্যাসার্ধের তলের দিকে লেন্সের বাইরে প্রধান অক্ষের উপর অবস্থান করে ।



[vii] মুখ্য ফোকাস ও ফোকাস দুরত্ব [Principal focus and focal length]:- যদি কোনো সমান্তরাল রশ্মিগুচ্ছ লেন্সের প্রধান অক্ষের সঙ্গে সমান্তরালভাবে এসে লেন্সের ওপর পড়ে, তাহলে প্রতিসরণের পর রশ্মিগুচ্ছ উত্তল লেন্সের ক্ষেত্রে প্রধান অক্ষের ওপর অবস্থিত একটি বিন্দুতে মিলিত হয়; কিংবা অবতল লেন্সের ক্ষেত্রে প্রধান অক্ষের ওপর অবস্থিত কোনো বিন্দু থেকে অপসৃত হচ্ছে বলে মনে হয় । সেই বিন্দুটিকে লেন্সের মুখ্য ফোকাস বলে । লেন্সের আলোককেন্দ্র থেকে মুখ্য ফোকাসের দূরত্বকে ফোকাস(ƒ) দূরত্ব বলা হয় ।



◘ লেন্সের দুটি মুখ্য ফোকাস আছে । ওই দুটি ফোকাস আলোক কেন্দ্রের বিপরীত দিকে এবং লেন্সের উভয় দিকের মাধ্যম একই রকম হলে, আলোক কেন্দ্র থেকে প্রথম এবং দ্বিতীয় ফোকাস সমান দূরত্বে থাকে ।



[viii] ফোকাস তল [Focal plane]:- মুখ্য ফোকাসের মধ্য দিয়ে লেন্সের প্রধান অক্ষের সঙ্গে লম্বভাবে অবস্থিত তলকে লেন্সের ফোকাস তল বলে ।



[ix] গৌণ ফোকাস [Secondary focus]:- যদি একগুচ্ছ সমান্তরাল রশ্মি লেন্সের প্রধান অক্ষের সঙ্গে সামান্য কোণ করে লেন্সে আপতিত হয়, তাহলে প্রতিসরণের পর রশ্মিগুচ্ছ উত্তল লেন্সের ফোকাস তলে মিলিত হয়, কিংবা অবতল লেন্সের ফোকাস তলের কোনো বিন্দু থেকে অপসৃত হচ্ছে বলে মনে হয় । এই বিন্দুকে লেন্সের গৌণ ফোকাস বলে ।
...

View on Facebook