+8801817-291888

Blog

রসায়নের কিছু বিষয়
মনে রাখা
ছোট্ট
কয়েকটি টিপস :;

১।অ = অম্ল, নী =
নীল, লা = লাল
অনীলা = অম্ল
নীলকে লাল
করে (লিটমাস
পরীক্ষা)
২।ই = ইলেকট্রন, ট =
টমসন
(থমসন)
প = প্রোটন, রে =
রাদারফোর্ড
নী = নিউট্রন, চে =
চ্যাডউইক
>>ইট পরে নীচে

৩।হিলি = হিলিয়াম,
নিলি = নিয়ন,
আর = আর্গন,...
কৃপা = ক্রিপ্টন, যায় =
জেনন,
রংপুরে = রেডন
>> হিলি নিলি আর
কৃপা যায়
রংপুরে (নিস্ক্রিয়
গ্যাস)

৪।আসেন = As, বিয়াই
= Bi, সবাই
= Sb,
গিয়ে = Ge, টেবিলে/
টুলে = Te, ব =
B, সি = Si
>>আসেন বিয়াই সবাই
গিয়ে টুলে
টেবিলে বসি (অপধাতু)
...

View on Facebook

চট্টগ্রাম বিজ্ঞান কলেজ স্কুল শাখায় বই বিতরনী অনুষ্টান ...

View on Facebook

চোখের গঠন

১. অক্ষিগোলক (Eye-ball) : চোখের কোটরের মধ্যে অবস্থিত এর গোলাকার অংশকে অক্ষিগোলক বলে। এর সামনে ও পিছনের অংশ খানিকটা চ্যাপ্টা। এটি চোখের কোটরের মধ্যে একটা নির্দিষ্ট সীমার চারদিকে ঘুরতে পারে।
২. শ্বেতমণ্ডল (Sclerotic) : এটি শক্ত, সাদা, অস্বচ্ছ তন্তু দিয়ে তৈরি অক্ষিগোলকের বাইরের আবরণ (চিত্র ৯.২০)। এটি চোখের আকৃতি ঠিক রাখে। বাইরের নানা প্রকার অনিষ্ট হতে চোখকে রক্ষা করে।
৩. কর্নিয়া (Cornea) : এটি শ্বেতমণ্ডলের সামনের অংশ। শ্বেতমণ্ডলের এ অংশ স্বচ্ছ এবং বাইরের দিকে কিছুটা উত্তল।
Podarthobilggan- 9.20.jpg

৪. কৃষ্ণমণ্ডল (Choroid) : শ্বেতমণ্ডলের ভিতরের গায়ে কালো রঙের একটি আস্তরণ থাকে যাকে কৃষ্ণমণ্ডল বলে। এই কালো আস্তরণের জন্য চোখের ভিতরে অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন হয় না।
৫. আইরিস (Iris) : কর্নিয়ার ঠিক পিছনে অবস্থিত একটি অস্বচ্ছ পর্দাকে আইরিস বলে। আইরিসের রং বিভিন্ন লোকের বিভিন্ন রকমের হয়।
সাধারণত এর রং কালো, হালকা নীল বা গাঢ় বাদামী হয়। আইরিস চক্ষু লেন্সের উপর আপতিত আলোর পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করে।
৬. চোখের মণি ও তারারন্ধ্র (Pupil) : আইরিসের মাঝখানে একটি ছোট ছিদ্র থাকে। একে চোখের মণি বা তারারন্ধ্র বলে। তারারন্ধ্রের মধ্য দিয়ে আলো চোখের ভিতরে প্রবেশ করে।
৭। চক্ষুলেন্স (Eye Lens) : চোখের মণির ঠিক পিছনে অবস্থিত এটি চোখের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এটি স্বচ্ছ জৈব পদার্থের তৈরি। লেন্সের পিছনের দিকের বক্রতা সামনের দিকের বক্রতার চেয়ে কিছুটা বেশি। লেন্সটি অক্ষিগোলকের সাথে সিলিয়ারি মাংসপেশি ও সাসপেন্সরি লিগামেন্ট দ্বারা আটকানো থাকে। এই মাংসপেশি ও লিগামেন্টগুলোর সংকোচন ও প্রসারণের ফলে চক্ষু লেন্সের বক্রতা পরিবর্তিত হয় ফলে লেন্সের ফোকাস দূরত্বের পরিবর্তন ঘটে। দূরের বা কাছের জিনিস দেখার জন্য চক্ষু লেন্সের ফোকাস দূরত্বের পরিবর্তন করার প্রয়োজন হয়।

৮. রেটিনা (Retina) : চক্ষু লেন্সের পেছনে অবস্থিত অক্ষিগোলকের ভিতরের পৃষ্ঠের গোলাপী রঙের ঈষদচ্ছ আলোক সংবেদন আবরণকে রেটিনা বলে। এটি রড ও কোন (rods & cones) নামে কতগুলো স্নায়ুতন্তু দ্বারা তৈরি। এই তন্তুগুলো চক্ষু স্নায়ুর সাথে সংযুক্ত থাকে। রেটিনার উপর আলো পড়লে তা ঐ স্নায়ুতন্তুতে এক প্রকার উত্তেজনা সৃষ্টি করে ফলে মস্তিষ্কে দর্শনের অনুভুতি জাগে।
অ্যাকুয়াস হিউমার ও ভিট্রিয়াস হিউমার (Aqueous humour and Vitreous humour) : কর্নিয়া ও চক্ষু লেন্সের মধ্যবর্তী স্থান যে স্বচ্ছ লবণাক্ত জলীয় পদার্থে পূর্ণ থাকে তাকে অ্যাকুয়াস হিউমার বলে। রেটিনা ও চক্ষু লেন্সের মধ্যবর্তী স্থান যে জেলি জাতীয় পদার্থে পূর্ণ থাকে তাকে ভিট্রিয়াস হিউমার বলে।
চোখের উপযোজন : একটি উত্তল লেন্সের সামনে ফোকাস দূরত্বের বাইরে কোনো বস্তু রাখলে লেন্সের পিছনে বস্তুটির একটি বাস্তব প্রতিবিম্ব গঠিত হয়। লেন্সের পিছনে একট পর্দা রাখলে পর্দার উপর বস্তুটির একটি উল্টো প্রতিবিম্ব দেখা যায়। পরীক্ষা করলে দেখা যায় যে পর্দাটির একটি নির্দিষ্ট অবস্থানে প্রতিবিম্ব সবচেয়ে পরিষ্কার হয়। একটি বস্তুকে যদি লেন্সের নিকটে আনা হয় বা লেন্স থেকে দূরে সরিয়ে নেওয়া হয় তাহলে পরিষ্কার প্রতিবিম্ব পাওয়ার জন্য পর্দাটিকে সামনে বা পিছনে সরাতে হয়। এখন আমরা যদি পর্দার পূর্ব অবস্থানে পরিষ্কার বিম্ব পেতে চাই তাহলে ভিন্ন ফোকাস দূরত্বের লেন্স ব্যবহার করতে হবে।
চোখের ক্ষেত্রে ঠিক একই রকম ঘটনা ঘটে। কর্নিয়া, অ্যাকুয়াস হিউমার, চক্ষু লেন্স ও ভিট্রিয়াস হিউমার একত্রে একটি অভিসারী লেন্সের কাজ করে। চোখের সামনে কোনো বস্তু থাকলে সেই বস্তুর প্রতিবিম্ব যদি রেটিনার উপর পড়ে তাহলে মস্তিষ্কের দর্শনের অনুভূতি জাগে এবং আমরা সেই বস্তু দেখতে পাই। আমরা চোখের সাহায্যে বিভিন্ন দূরত্বের বস্তু দেখি। চোখের লেন্সের একটি বিশেষ গুণ হচ্ছে এর আকৃতি প্রয়োজন মতো বদলে যায় ফলে ফোকাস দূরত্বের পরিবর্তন ঘটে। ফোকাস দূরত্বের পরিবর্তনের ফলে লক্ষবস্তুর যে কোনো অবস্থানের জন্য লেন্স থেকে একই দূরত্বে অর্থাৎ, রেটিনার উপর স্পষ্ট বিম্ব গঠিত হয়। যে কোনো দূরত্বের বস্তু দেখার জন্য চোখের লেন্সের ফোকাস দূরত্ব নিয়ন্ত্রণ করার এই ক্ষমতাকে চোখের উপযোজন বলে।
স্পষ্ট দর্শনের ন্যূনতম দূরত্ব : আমাদের দৈনন্দিন জীবনের অভিজ্ঞতা থেকে আমরা দেখতে পাই যে কোনো বস্তুকে চোখের যত নিকটে নিয়ে আসা যায় বস্তুটিও তত স্পষ্ট দেখা যায়। কিন্তু কাছে আনতে আনতে এমন একটা দূরত্ব আসে যখন আর বস্তুটি খুব স্পষ্ট দেখা যায় না। যে ন্যূনতম দূরত্ব পর্যন্ত চোখ বিনা শ্রান্তিতে স্পষ্ট দেখতে পায় তাকে স্পষ্ট দর্শনের ন্যূনতম দূরত্ব বলে। স্বাভাবিক চোখের জন্য স্পষ্ট দর্শনের ন্যূনতম দূরত্ব প্রায় ২৫ সেন্টিমিটার। চোখ থেকে ২৫ সেন্টিমিটার দূরবর্তী বিন্দুকে চোখের নিকট বিন্দু বলে। কোনো বস্তু ২৫ সেন্টিমিটারের কম দূরত্বে থাকলে তাকে স্পষ্ট দেখা যায় না।
সবচেয়ে বেশি যে দূরত্বে কোনো বস্তু থাকলে তা স্পষ্ট দেখা যায় তাকে চোখের দূরবিন্দুও বলে। স্বাভাবিক চোখের জন্য দূরবিন্দু অসীম দূরত্বে অবিস্থত হয়। অর্থাৎ স্বাভাবিক চোখ বহুদূর পর্যন্ত স্পষ্ট দেখতে পায়।
দর্শনানুভূতির স্থায়িত্বকাল : চোখের সামনে কোনো বস্তু রাখলে রেটিনায় তার প্রতিবিম্ব গঠিত হয় এবং আমরা বস্তুটি দেখতে পাই। এখন যদি বস্তুটিকে চোখের সম্মুখ থেকে সরিয়ে নেওয়া হয় তাহলে সরিয়ে নেওয়ার ০.১ সেকেন্ড পর্যন্ত এর অনুভূতি মস্তিষ্কে থেকে যায়। এই সময়কে দর্শনানুভুতির স্থায়িত্বকাল বলে।

দু’টি চোখ থাকার সুবিধা : দু’টি চোখ দিয়ে একটি বস্তু দেখলে আমরা কেবলমাত্র একটি বস্তুই দেখতে পাই। যদিও প্রত্যেকটি চোখ আপন আপন রেটিনায় প্রতিবিম্ব গঠন করে, কিন্তু মস্তিষ্ক দুটি ভিন্ন প্রতিবিম্বকে একটি প্রতিবিম্বে পরিণত করে। দুটি চোখ থাকার জন্য দূরত্ব নির্ভুলভাবে পরিমাপ করা যায়। তাই একটি চোখ বন্ধ রেখে সুইয়ে সুতা পরাতে খুবই অসুবিধা হয়। তাছাড়া বস্তুর তুলনায় দুটি চোখের বিভিন্ন অবস্থানের জন্য ডান চোখ ডান দিকটা বেশি এবং বাম চোখ বাম দিকটা বেশি দেখে। দুই চোখ দিয়ে বস্তু দেখলে দু’টি ভিন্ন প্রতিবিম্বের উপরিপাত ঘটবে এবং বস্তুকে ভালোভাবে দেখা যাবে।
...

View on Facebook

এইচ.এস.সি প্রস্তুতি-২০১৮ (রসায়ন ১ম পত্র)

➤১ম অধ্যায়:ল্যাবরেটরির নিরাপদ ব্যবহার
এই অধ্যায় থেকে সৃজনশীল না আসার সম্ভবনায় বেশি। নৈব্যত্তিকের জন্য পড়তে পারো।গুরুত্বপূর্ণ টপিকসগুলো হলো:
*হ্যাজার্ড
*সিম্বল
*ক্ষতিকর
*বিষাক্ত বিকারকের পরিবর্তে বিকল্প উপাদান
*ম্যাক্রো
*মাইক্রো
*সেমি মাইক্রো বিশ্লেষণ।

➤২য় অধ্যায়:গুণগত রসায়নঃ রাদাফোর্ড,বোর এর পরমাণু মডেলের
*সাফল্য সীমাবদ্ধতা
*অাইসোটোপ
*অাইসোটোন
*অাইসোবার,
*অরবিট
*রবিটাল,
*হুন্ডের নীতি
*পাউলি,অাউফবাউ নীতি
*বর্ণালী রেঞ্জ
*বর্ণালীর ব্যবহার Kp,Kc
*অায়ণ শণাক্তকরণ:Cu2+,Zn2+,Ca2+,Na+,NH4+.
➤৩য় অধ্যায়:পরিমাণগত রসায়ন
*s,p,d,f ব্লক মৌলের ধর্ম
*অায়নিকরণ শক্তি
*ইলেক্ট্রন অাসক্তি সংঞ্জা
*পাই বন্ধন
*সিগমা বন্ধন
*সংকরায়ণ (উদাহরণ)
*নিষ্ক্রিয় গ্যাসের ব্যবহার
*ফাজানের নীতি,
*H বন্ধন।
➤৪র্থ অধ্যায়:রাসায়নিক পরিবর্তন
*একমুখী বিক্রিয়া & উভমুখী বিক্রিয়ার বৈশিষ্ট্য
*একমুখী করার উপায়
*তাপমাত্রা ও চাপের প্রভাব
*প্রভাবকের বৈশিষ্ট্য,প্রকারভেদ,উদাহরণ,কার্যনীতি
*সাম্যাবস্থার শর্ত
*Kp & Kc ম্যাথ
*এসিডের শক্তিমাত্রা
*ক্ষারের শক্তিমাত্রা
*অসওয়াল্ড লঘুকরণ সুত্র
*বাফার
*PH (উদাহরণ)..
➤৫ম অধ্যায়:কর্মমুখী রসায়ন
*কৌটাজাতকরণ বিস্তারিত
*সাসপেনশন
*কোয়াগুলেশন উদাহরণ,পার্থক্য
*মাখন ঘি প্রস্তুত
*টয়লেট ক্লিনার,গ্লাস ক্লিনার- উপাদান,কার্যকারিতার পার্থক্য,ক্রিয়াকৌশল
*ভিনেগার প্রস্তুতি
...

View on Facebook

পদার্থের আণবিক গতিতত্ত্ব
Molecular Kinetic Theory of Matter

পদার্থের অণুগুলো গতিশীল অবস্থায় আছে, এই ধারণা ধরে নেওয়াই পদার্থের আণবিক গতিতত্ত্বের মূল বিষয়। নিম্নবর্ণিত স্বীকার্যগুলোর উপর পদার্থের আণবিক গতিতত্ত্ব প্রতিষ্ঠিত:
১।যে কোনো পদার্থ অসংখ্য ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কণার সমন্বয়ে গঠিত। এই কণাগুলোকে পদার্থের অণু বলে।
২। অণুগুলো এতো ক্ষুদ্র যে তাদেরকে বিন্দুবৎ বিবেচনা করা হয়।
৩। পদার্থের কণাগুলো সর্বদা গতিশীল।
৪। গ্যাসের ক্ষেত্রে অণুগুলো বেশ দূরে দূরে থাকে, এ জন্য তাদের মধ্যে কোনো আকর্ষণ বা বিকর্ষণ বল কাজ করে না বললেই চলে। তরলের ক্ষেত্রে অণু গুলো কিছুটা দূরে দূরে থাকলেও তাদের মধ্যে আকর্ষণ বল কাজ করে এবং তরলকে পাত্রের আকারে ধারণ করতে বাধ্য করে। কঠিন পদার্থের ক্ষেত্রে কণাগুলো খুব কাছাকাছি থাকে এবং তাদের মাঝে তীব্র আকর্ষণ বল কাজ করে বিধায় কঠিন পদার্থের নিজস্ব আকার ও আয়তন থাকে।
৫।গ্যাস ও তরলের ক্ষেত্রে কণাগুলো এলোমেলো ছুটাছুটি করে এজন্য এরা পরস্পরের সাথে এবং পাত্রের দেয়ালের সাথে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়
...

View on Facebook

এইচ.এস.সি প্রস্তুতি ২০১৮ (জীববিজ্ঞান ২য় পত্র)

১ম অধ্যায়-প্রাণীর বিভিন্নতা ও শ্রেণিবিন্যাসঃ
>>প্রতিসাম্য
>>সিলোম এর প্রকারভেদ ও উদাহরণ
>>পরিফেরা, নিডারিয়া, প্লাটিহেলমিনথেস, নেমাটোডা, মলাস্কা, অ্যানিলিডা, অার্থোপোডা, একাইনোডারমাটা পর্বের বৈশিষ্ট্য

২য় অধ্যায়-প্রাণীর পরিচিতিঃ

>>আদর্শ নিডোসাইটের গঠন
>>নেমাটোসিস্টের প্রকারভেদ
>>হাইড্রার চলন
>>মিথোজীবীতা
প্রতীক প্রাণী- ঘাস ফড়িং:
>>মুখোউপাঙ্গের বিভিন্ন অংশ
>>পৌষ্টিকতন্ত্রের প্রকারভেদ ও উদাহরণ
>>পুঞ্জাক্ষি
>>দর্শন কৌশল
প্রতীক প্রাণী-রুই মাছ:
>>পাখনা,রক্ত,হৃদপিন্ড
>>কোন ধমনি থেকে কোথায় রক্ত সরবরাহ করে
>>বায়ুথলি
>>জীবনচক্র

৩য় অধ্যায়-মানব শারীরতত্ত্ব-পরিপাক ও শোষণঃ

>>মুখগহ্বর, পাকস্থলি, ক্ষুদ্রান্তে খাদ্যের পরিপাক
>>যকৃতের সঞ্চয়ী ভূমিকা
>>শনাক্তকারী বৈশিষ্ট্য
>>স্থুলতা

৪র্থ অধ্যায়-মানব শারীরতত্ত্ব -রক্তঃ
>>রক্তকণিকার বৈশিষ্ট্য,কাজ
>>হার্টবিট কার্ডিয়াক চক্র
>>হার্টঅ্যাটাক,হার্টফেইলর
>>রোগগুলোর লক্ষণ ও চিকিৎসা ভাল করে পড়বে

৫ম অধ্যায়-মানব শারীরতত্ত্ব-শ্বসন ও শ্বাসক্রিয়াঃ

>>ট্রাকিয়া,ফুসফুস,অ্যালভিওলাসের গঠন
>>অক্সিজেন,কার্বন ডাইঅক্সাইড এর গ্যাসীয় পরিবহন
>>সাইনাসের নাম
>>ধূমপায়ী ও অধূমপায়ী মানুষের ফুসফুসের এক্সের তুলনা

৬ষ্ঠ অধ্যায়-মানব শারীরতত্ত্ব-বর্জ্য ও নিষ্কাশনঃ

>>বুক্কের গঠন ও কাজ
>> নেফ্রনের গঠন
>>মূত্র সৃষ্টির প্রক্রিয়া
>>নেফ্রনের প্রকারভেদ

৭ম অধ্যায়-মানব শারীরতত্ত্ব-চলন ও অঙ্গচালনাঃ

>>অস্হিসমূহের সংখ্যা
>>করোটিকা ও মুখমন্ডলীয় অস্থির ধরন ও উদাহরণ
>>তরুনাস্থির প্রকারভেদ
>>পেশির প্রকারভেদ

৮ম অধ্যায়-মানব শারীরতত্ত্ব-সমন্বয় ও নিয়ন্ত্রণঃ

>>মস্তিষ্ক: অগ্র, মধ্য, পশ্চাদ A to Z
>>নিউরন
>>স্নায়ুর নাম ও কাজ
>>চোখ: কোরয়েড, রেটিনা অক্ষিপেশি,অক্ষিগ্রন্থি
>>কান: বহিকর্ণ,মধ্যকর্ণ,অন্তকর্ণ,ভূমিকা
>>রাসায়নিক সমন্বয়: হরমনের বৈশিষ্ট্য,এন্ডোকাইন গ্রন্থি থেকে নিসৃত হরমন ও প্রধান কাজ,হরমনের positive+ negitive প্রভাব

৯ম অধ্যায়-মানব জীবনের ধারাবাহিকতাঃ

>>পুং প্রজনন ও স্ত্রী প্রজনন হরমনের ভূমিকা
>>রজচক্রের ধাপ
>>ইমপ্ল্যান্টেশন
>>ভ্রুণীয় স্তরে পরিণত
>>IVF পদ্ধতি
>>যৌনরোগ
১০ম অধ্যায়-প্রতিরক্ষাঃ
>>১ম,২য়,৩য় প্রতিরক্ষা স্তরের উপাদান ও ভূমিকা
>>ম্যাক্রোফেজ
>>নিউট্রোফিল
>>ফ্যাগোসাইটোসিস এর ধাপ সমূহ
>>এন্টিবডির গঠন ও প্রকারভেদ
>>টিকার বৈশিষ্ট্য ও ভূমিকা
১১তম অধ্যায়-জিনতত্ত্ব ও বিবর্তনঃ
>>সঙ্গা: ফ্যাক্টর, লোকাস, টেস্ট ক্রস,ব্যাক ক্রস।
>>মেন্ডেলের ১ম ও ২য় সূত্র,ব্যতিক্রম(উদাহরণ ও ছক সহ)
>>বর্ণান্ধতা
>>হিমোফিলিয়া
>>ABO ব্লাড গ্রুপের বৈশিষ্ট্য
>>Rh ফ্যাক্টরে গর্ভধারণ জনিত জটিলতা
>>ল্যামার্কের সূত্র
>>ডারউইনবাদ
>>নব্য ডারউইনবাদ

১২তম অধ্যায়-প্রাণীর অাচরণ
>>ট্যাক্সেসের বৈশিষ্ট্য ও প্রকারভেদ সব
>>FAP এর বৈশিষ্ট্য
>>মৌমাছির সামাজিক সংগঠন
...

View on Facebook

...

View on Facebook

পরীক্ষায় ভালো রেজাল্ট করার টিপস:
(১) পরিকল্পনা করুনঃ
পরিকল্পনা ছাড়া এই পৃথিবীতে এখন পর্যন্ত যত কাজ হয়েছে তারশতকরা ৯৮% কাজই সফলতা অর্জন করতে পারেনি। তাই আজ থেকে সুষ্ঠুপরিকল্পনা করে ফেলুন। যেমন-আপনি প্রতিদিন প্রতিটা বইয়ের ১টি করে প্রশ্নপড়বেন।

(২) শুধু পড়ুন, মুখস্থ করবেন নাঃ
সবার মুখস্থ বিদ্যা ভালো না। তাই যেটা পড়বেনসেটা শুধু পড়ুন কিন্তু মুখস্থ করতে চেষ্টা করবেন না। বুঝে বুঝে পড়ার চেষ্টা করুন।অনেক সময় এমন হয় শুধু পড়ার কারনে আপনার পুরো বিষয়টা পরীক্ষার হলে মনেড়ে যায়। জোর করে যদি মুখস্থ করতে যান তাহলে ভুলে যেতে পারেন। যেটা খুবই স্বাভাবিক। দেখবেন খবরের কাগজ কিন্তু আমরা মুখস্থকরি না, কিন্তু খবরগুলো ঠিকই আমাদের মনে থাকে। তাই প্রতিদিন অল্প পড়াশোনা করার অভ্যাস করুন।

(৩) পড়ার সময় লিখে পড়ার চেষ্টা করুনঃ
যে প্রশ্নটি পড়বেন সেটার উত্তরগুলো খাতা কলমের সাহায্যে লিখে লিখে পড়ার চেষ্টা করুন। তাহলে পড়াও মনে থাকবে, চোখের সাহায্যে অন্তরেও গেঁথে যাবে। বেশী লেখার দরকার নেই। মেইন পয়েন্টগুলো দুচার লাইন করে লিখুন।

(৪) সময়ের কাজ সময়ে করুনঃ
পড়ালেখায় সফলতা পেতে হলে সময়ের কাজ আপনাকে সময়ে করতেই হবে। বেশীক্ষন পড়তে ভালো লাগেনা? ঠিক আছে। তাহলে প্রতিদিন ২ ঘন্টা ফিক্সড করে নিন। ওই ২ ঘন্টাই পড়বেন। ওই সময়ে অন্য কোন কাজ করবেন না। তাই প্রতিদিন অল্প পড়াশোনা করার অভ্যাস করুন।

(৫) প্রতিযোগী ঠিক করে নিনঃ
রেসের মাঠে একা দৌড়ালে যেমন কোন লাভ নেই, ঠিক তেমনি পড়াশোনায়ও ভালো রেজাল্ট করতে প্রতিযোগী সেট করার কোন বিকল্প নেই। আপনার থেকে দুই ধাপ ভালো কোন ছাত্র-ছাত্রীকে টার্গেট করুন। মনে মনে বলুন নেক্সট পরীক্ষায় আমি ওর থেকে কমপক্ষে ২০ মার্কস বেশী ওঠাবো বা ২ পয়েন্ট বেশী অর্জন করবো। তাই প্রতিদিন অল্প পড়াশোনা করার অভ্যাস করুন।

(৬) আড্ডা কমিয়ে দিনঃ
আমি কিন্তু বলিনি একদম আড্ডা দিবেন না! কিন্তু আড্ডা দেয়ার সময় কমিয়ে দিন। এখন পর্যন্ত আড্ডায় কোন উৎপাদনমুখী কিংবা ভালো টপিকস নিয়ে আলোচনা হয় না। কি নিয়ে আলোচনা হয় তা আমি আপনি আমরা সবাই
জানি। প্রতিদিন যদি ২ ঘন্টা আ্ড্ডা দেয়ার অভ্যাস থাকে তাহলে সেটা আধা ঘন্টা কমিয়ে দিন। এভাবে আড্ডা দেয়া আস্তে আস্তে কমিয়ে দিন। তাই প্রতিদিন অল্প পড়াশোনা করার অভ্যাস করুন।

(৭) ভালো ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে মিশুনঃ
কথায় আছে সৎসঙ্গে স্বর্গবাস, অসৎ সঙ্গে সর্বনাশ। আপনি যদি এভারেজ কিংবা খারাপ ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে মেশেন তাহলে আপনার উপরে কিন্তু খারাপ প্রভাবই পরবে। ভালো প্রভাবের জন্য ভালো ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে মিশুন, কথা বলুন, প্রয়োজনে তাদের সাথে আড্ডা দিন।

(৮) ধর্মকর্মে মন দিনঃ
শুধু পরীক্ষার আগে স্রষ্টার নাম জপে কোন ফায়দা হয় না। প্রতিদিন অল্প অল্প করে ধর্ম কর্মে মন দিন। আস্তে আস্তে বাড়িয়ে ফেলুন। তাহলে স্রষ্টাও আপনার উপরে খুশি হবেন। শুধুমাত্র্র বাবা-মা কিংবা টিচারের মন জয়ের জন্য কাজ করলে হবে না। তাই প্রতিদিন অল্প পড়াশোনা করার অভ্যাস করুন।

(৯) নির্দিষ্ট সময়ে পড়ার অভ্যাস করুনঃ
নির্দিষ্ট সময়ে ক্ষুধা লাগলে আপনার কেমন লাগে?? ঠিক তেমনি প্রতিদিন অল্প পড়ুন বা বেশী পড়ুন একটা নির্দিষ্ট সময়ে পড়ার অভ্যাস তৈরি করুন। এলোপাতারি সময়ে না পড়ে, নিদির্ষ্ট সময়ে যেমন রাত ৮ থেকে ১২টা বা রাত ১০টা পর্যন্ত এই সময়টা শুদুই পড়ুন। অন্যকোন কাজ করবেন না।

(১০) টিভি দেখা কমিয়ে দিনঃ
ছাত্র-ছাত্রীর অন্যতম কাজ হচ্ছে টিভি দেখা। সচরাচর সবাই টিভি দেখে নিজেকে নায়ক নায়িকা বা গায়ক গায়িকা ভাবতে পছন্দ করে। কিন্তু মনে রাখবেন টিভিতে যা কিছু দেখি সবই কিন্তু প্রফেশনাল লোকজন করে। তাদের পেশাই হচ্ছে ওইটা করা। তাই আপনি যদি তাদের মতো কল্পনা করেন কিন্তু পড়ালেখা না করেন তাহলে কিন্তু কোন কাজ হবে না।

আরো অনেক টিপস আছে কিন্তু বেশী দিলে ভুলে যাবেন। তবে একটা কথা মনে রাখবেন আপনার পড়াশোনার পরিমানের উপর নির্ভর করবে আপনার পরবর্তী কর্ম জীবনের সফলতা।
...

View on Facebook

আর্কিমিডিসের সূত্র
Archemedes’ Law

আমাদের প্রাত্যহিক জীবনের অভিজ্ঞতা থেকে দেখতে পাই যে কোনো কঠিন বস্তুকে পানিতে ডুবালে হাল্কা বলে মনে হয়। এর কারণ ডুবন্ত বস্তুর উপর একটা ঊর্ধ্বমুখী বল বা প্লবতা কাজ করে। খ্রিষ্টপূর্ব তৃতীয় শতাব্দীতে গ্রিক দার্শনিক আর্কিমিডিস আবিষ্কার করেন যে, কোনো বস্তুকে স্থির তরল অথবা বায়বীয় পদার্থে আংশিক বা সম্পূর্ণ ডুবালে বস্তুটি কিছু ওজন হারায় বলে মনে হয়। এই হারানো ওজন বস্তুটির দ্বারা অপসারিত তরল বা বায়বীয় পদার্থের ওজনের সমান।
পরীক্ষণ : একটি বস্তু নাও যার ওজন জানা। এবার বস্তুটিকে একটি হালকা সুতোয় বেঁধে কানায় কানায় পানি ভর্তি

বড় বিকারের মধ্যে ডুবাও। এর ফলে কিছু পানি উপচে পড়বে। পানিতে নিমজ্জিত অবস্থায় বস্তুটির ওজন নাও। জানা ওজন থেকে এই ওজন বিয়োগ করে আপাত ওজন হ্রাস বের কর। এবার উপচে পড়া পানির ওজন বের কর। দেখা যাবে বস্তুর ওজনের আপাত হ্রাসের পরিমাণ অপসারিত তরলের ওজনের সমান। এভাবে আমরা আর্কিমিডিসের নীতির একটা সহজ প্রমাণ পেতে পারি।
হিসাব কর : একটি আয়তাকার ব্লকের তলদেশের ক্ষেত্রফল 25 cm², একে পানির মধ্যে ডুবানো হলো। পানির

ঘনত্ব । পানির উপরিতল থেকে ব্লকের উপরের পৃষ্ঠের গভীরতা = 5cm,ব্লকের উচ্চতা 2cm.হলে
১।ব্লকের উপরিতলে পানির চাপ বের কর
২।ব্লকের তলদেশে পানির চাপ বের কর
৩।ব্লকের উপরিতলে পানি কী পরিমাণ বল প্রয়োগ করবে?
৪।ব্লকের নিম্নতলে পানি কী পরিমাণ বল প্রয়োগ করবে? ফলাফলে তোমার মন্তব্য লিখ।

বাংলাদেশে নৌপথে দূর্ঘটনার কারণ: আমাদের দেশে প্রায়ই নৌ-দূর্ঘটনা ঘটে। একটা নৌযান যখন তৈরি করা হয় তখন তার আকৃতি ও আকার এমন হয় যে পানিতে ভাসালে ডুবন্ত অংশটুকু কর্তৃক অপসারিত পানির ওজন নৌযানের ওজনের সমান। এখন যত যাত্রী উঠবে তত নৌযানটি ভারী হবে এবং পানির মধ্যে ডুবতে থাকবে। ধারণ ক্ষমতার বেশি যাত্রী উঠলে সেটা ডুবে যাবে। যেহেতু নদীতে স্রোত থাকে, ঢেউ থাকে তাই ধারণ ক্ষমতার চেয়ে বরং কিছু কম যাত্রী নিয়ে বা আবহাওয়ার সতর্ক সংকেত অনুসরণ করে সতর্ককতার সাথে নৌযান চালানো উচিত। নৌযানের ত্র“টিপূর্ণ নক্সার জন্যও অনেক সময় ভরকেন্দ্র পরিবর্তিত হয়ে দূর্ঘটনা ঘটায়। কখনও অতিরিক্ত যাত্রী হয়ে নৌযানে উঠা ঠিক নয়।

৫.১০। প্যাসকেলের সূত্র
Pascal’s Law
কোনো আবদ্ধতরল বা বায়বীয় পদার্থের কোনো অংশে চাপ প্রয়োগ করলে সেই চাপ সবদিকে সঞ্চালিত হয়। প্যাসকেল চাপের এ সঞ্চালন সম্পর্কে নিম্নোক্ত সূত্র প্রদান করেন-
আবদ্ধপাত্রে তরল বা বায়বীয় পদার্থের কোনো অংশের উপর বাইরে থেকে চাপ প্রয়োগ করলে সেই চাপ কিছু মাত্র না কমে তরল বা বায়বীয় পদার্থের সবদিকে সমানভাবে সঞ্চালিত হয় এবং তরল বা বায়বীয় পদার্থের সংলগ্ন পাত্রের গায়ে লম্বভাবে ক্রিয়াকরে।
প্যাসকেলের সূত্রের গাণিতিক ব্যাখ্যা: বলবৃদ্ধিকরণ নীতি
আবদ্ধতরল পদার্থের ক্ষুদ্রতম অংশের উপর পিস্টন দ্বারা কোনো বল প্রয়োগ করলে এর বৃহত্তম পিস্টন সেই বলের বহুগুন বেশি বল প্রযুক্ত হতে পারে। একে বল বৃদ্ধিকরণ নীতি বলে।
ধরা যাক, ও দুটি সিলিন্ডার (চিত্র ৫.১০)। এদের প্রস্থচ্ছেদের ক্ষেত্রফল যথাক্রমে ও । সিলিন্ডার দুটি একটি নল দ্বারা সংযুক্ত এবং প্রত্যেক সিলিন্ডারে একটি করে পিস্টন নিচ্ছিদ্রভাবে লাগানো আছে। এখন সিলিন্ডার দুটি

যে কোনো তরল পদার্থে পূর্ণ করে যদি ছোট পিস্টনে বল প্রয়োগ করা হয় তাহলে ঐ পিস্টনে অনুভূত চাপের মান ।
প্যাসকেলের সূত্রানুসারে এ চাপ তরল পদার্থ দ্বারা সবদিকে সঞ্চালিত হবে। সুতরাং বড় পিস্টনে প্রযুক্ত উর্দ্ধচাপ হবে।
এ চাপের জন্য বড় পিস্টনে অনুভূত উর্দ্ধমুখী বল হবে, চাপ × ক্ষেত্রফল বা এর সমান। সুতরাং বড় পিস্টনে অনুভূত উর্ধ্বমুখী বল হলে,
=

কাজেই বড় পিস্টনের প্রস্থচ্ছেদের ক্ষেত্রফল যত বেশি হবে বলও তত বেশি অনুভূত হবে। ছোট পিস্টনের চেয়ে বড় পিস্টন যদি 100 গুণ বড় হয় তাহলে ছোট পিস্টনে 1 নিউটন বল প্রয়োগ করলে বড় পিস্টনে 100 নিউটন উর্ধ্বমুখী বল অনুভূত হবে।
...

View on Facebook

এইচ.এস.সি প্রস্তুতি-২০১৮ (তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি)

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি

১ম অধ্যায়- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: বিশ্বগ্রাম ও বাংলাদেশ প্রেক্ষিতঃ
>>ভিডিও কনফারেন্সিং
>>ই-মেইল
>>বিশ্বগ্রাম
>>ভার্চুয়াল রিয়ালিটি
>>রোবটিক্স
>>কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা
>>ক্রায়োসার্জারি
>>বায়োইনফরমেট্রিক্স
>>বাইয়োমেট্রিক্স
>>জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং
>>ন্যানো টেকনোলজি
>>সাইবার ক্রাইম

২য় অধ্যায়-কমিউনিকেশন সিস্টেম ও নেটওয়ার্কিংঃ
>>ডেটা কমিউনিকেশন
>>সিনক্রোনাস & অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন
>>ট্রান্সমিশন মোড
>>ব্যান্ডউইথ
>>ফাইবার অপটিকেল কেবল
>>ওয়াই-ফাই
>>ওয়াইম্যাক্স
>>বাস,রিং,স্টার টপোলজি
>>ক্লাউড কম্পিউটিং (ধারণা,সুবিধা)
>>মোবাইলের প্রজন্ম

৩য় অধ্যায়- সংখ্যা পদ্ধতি ও ডিজিটাল ডিভাইস
>>বাইনারি যোগ বিয়োগ
>>১ এবং ২ এর পরিপূরক
>>কোডিং(বিসিডি,ASCII)
>>বুলিয়ান অ্যালজেব্রা
>>ডি মরগানের সূত্র
>>সরল
>> সত্যক সারণি
>>মৌলিক গেইট সবগুলো
>>যৌগিক গেইট সবগগুলো
>>যৌগিক গেইট এর সার্বজনীনতা (NAND & NOR)
>>অ্যাডার

৪র্থ অধ্যায়-ওয়েব ডিজাইন পরিচিতি
>>HTML
>>Tag, Text formatting
>>হাইপারলিংক
>>টেবিল সংযোজন
>>ডিবাগিং
>>ছবি সংযোজন
>>ডোমেইন নেম,হোম পেজ, WWW,আইপি এড্রেস

৫ম অধ্যায়-প্রোগ্রামিং ভাষা
>>প্রোগ্রামের ভাষা
>>অনুবাদক প্রোগ্রাম(কম্পাইলার & ইন্টারপ্রিটার)
>>সুডোকোড
>>অ্যালগরিদম & ফ্লোচার্ট
>>সি প্রোগ্রামিং( যেকোন একটি প্রোগ্রাম করার কোড থাকবেই)
>>ডেটা টাইপ
>>চলক
>>ধ্রুবক
>>কীওয়ার্ড
>>অ্যারে

৬ষ্ঠ অধ্যায়-ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম
>>ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট
>>কী
>>RDBMS এর বৈশিষ্ট্য
>>ডেটা টাইপ
>>SQL কুয়েরি
>>সর্টিং & ইন্ডেক্সিং
>>ডেটাবেজ রিলেশন
>>ডেটা এনক্রিপশন
...

View on Facebook