+8801817-291888

Blog

উদ্ভিদজগতের শ্রেনিবিন্যাস
৬. দ্বিপদ নামকরণ লেখার অক্ষরবিন্যাস
ইটালিক, কিন্তু ভাষা ল্যাটিন।
৭. “জন রে” Dicot আর Monocot উদ্ভিদ দুই
ভাগে প্রথম ভাগ করেন যা পরে
বেন্থাম-হুকারের শ্রেণিবিন্যাসে
জায়গা করে নেয়।
৮. উদ্ভিদ জগতকে অপুস্পক (Imperfecti)
এবং পুস্পক (perfecti) এ দুই ভাগে বিভক্ত
করেন “জোসেফ পিটন দি
টুর্নেফোর্ট”।
৯. ভারতবর্ষের লিনিয়াস বলা হয়
“উইলিয়াম রক্সবার্গ” কে।
১০. ক্যারোলাস লিনিয়াস কে
আধুনিক শ্রেণিকরণবিদ্যার জনক বলা
হয়। তার Species Palntarum বই-এ ৭৩০০
প্রকারের উদ্ভিদের বর্ণনা ছিল।
লিঙ্গভিত্তিক কৃত্রিম শ্রেণিবিন্যাস
পদ্ধতি তিনি প্রণয়ন করেন।
১১. মাইকেল অ্যাডনসন সর্বপ্রথম কৃত্রিম
শ্রেণিবিন্যাস পদ্ধতির ধারণা
বাতিল করে প্রাকৃতিক
শ্রেণিবিন্যাস পদ্ধতির শুরু করেন।
১২. বেন্থাম ও হুকারের
শ্রেণিবিন্যাস পদ্ধতি Genera Plantarum
বই-এ প্রকাশ করেন। এটিই সর্বশেষ
প্রাচীন প্রাকৃতিক শ্রেণিবিন্যাস
পদ্ধতি।
১৩. এভুলেশন বা বিবর্তনের তত্ত্ব
অনুসারে করা প্রথম জাতিজনি
শ্রেণিবিন্যাস এঙ্গলার-প্রান্টলের
শ্রেণিবিন্যাস পদ্ধতি।
১৪. উদ্ভিদজগতের শ্রেণিবিন্যাস তিন
পদ্ধতিতে করা হয়, কৃত্রিম, প্রাকৃতিক ও
জাতিজনি (Phylogenetic)
শ্রেণিবিন্যাস পদ্ধতি।
থিওফ্রাস্টাস থেকে শুরু করে
লিনিয়াস পর্যন্ত কৃত্রিম
শ্রেণিবিন্যাস।
মাইকেল অ্যাডানসন থেকে বেন্থাম
হুকার – প্রাকৃতিক শ্রেণিবিন্যাস।
এঙ্গলার-প্রান্টল থেকে জাতিজনি
শ্রেণিবিন্যাস পদ্ধতি শুরু ও বর্তমানে
গৃহীত।
১৫. সরিষা, গম, এরা বর্ষজীবী বীরুৎ।
বাঁধাকপি, মূলা দ্বিবর্ষজীবী বীরুৎ।
প্রধানত শীতকালীন সবজি।
বহুবর্ষজীবী বীরুৎ-এর উদাহরণ: হলুদ গাছ,
দুর্বাঘাস।
কল্কাসুন্দা = উপগুল্ম
গুল্ম = কাগজিলেবু, জবা
বৃক্ষ = অন্যান্য সকল বড় বড় গাছ।
(শীতকালীন সবজি দ্বিবর্ষজীবী,
খাদ্য শস্য এক বর্ষ জীবী, আর লেবু ও
জবা গাছ দেখে থাকলে সেটাও মনে
রাখা যায় যে গুল্ম, বাকি কল্কাসুন্দা
সাধারণত একটা অপরিচিত গাছ, যেটা
একটু ছোট। এভাবে একটু ভেবে নিলে
এখান থেকে আসা বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
সঠিক উত্তর করা সম্ভব।)
...

View on Facebook

এসএসসি-২০১৮ ও সমমান পরীক্ষার রুটিন...... ...

View on Facebook

কি ভাবে সহজে এস এস সি তে A+ পাবো?

যেকোনো পরীক্ষায় ভালো রেসাল্ট পেতে হলে অবস্যই আপনাকে বেশী বেশী পড়তে হবে। এখন যেহেতু আর বেশি সময় নাই, এ
সময়টাকেই কাজে লাগানোর জন্যে
পরিশ্রম করতে হবে। রুটিন করে নিন।
তারপর শুরু করুন। আর অল্প সময়ে পরীক্ষার
প্রস্ত্ততি কীভাবে নেবেন, সে
ব্যাপারে আমাদের শিক্ষকদের সাথে পরামর্শ করতে
পারেন।
এছাড়া আপনি কিছু কৌশল অবলম্বন করেও পড়া ভালো ভাবে মনে রাখতে পারেনঃ-
১. বিশেষ অংশ এবং পরিকল্পনায়
রঙিন
কোড করুন
লেখা-পড়ার অন্যতম কার্যকর ১ টি
উপায়
এটি। পড়ার কাজটি কীভাবে
চালিয়ে
যাবেন তার ১ টি পরিকল্পনা নিশ্চয়ই
থাকে। এই অংশটিসহ নোটের
গুরুত্বপূর্ণ
অংশগুলো রঙিন মার্কার দিয়ে
চিহ্নিত
করে রাখুন। ভিন্ন ধরনের অংশের
জন্য
বিভিন্ন রঙ ব্যবহার করা বুদ্ধিমানের
কাজ। যেমন- কুইজের অংশ গোলাপি,
বিভিন্ন টেস্ট হালকা সবুজ, আন্ডার
লাইনে অংশ হালকা নীল ইত্যাদি।
এই
কালার কোড সিস্টেম গুছিয়ে
লেখা-
পড়া
চালিয়ে যাওয়ার কার্যকর একটি
উপায়।
২. সময় বের করুন
সেমিস্টারের আগের রাতে সব পড়ে
শেষ করা অসম্ভব ব্যাপার। তাই বেশ
কিছু দিন
সময় বের করে রাখুন। অল্প সময়ের
মধ্যে
পড়ে পরীক্ষার ঝামেলা মেটানো
যায়।
কিন্তু সে পড়ায় শেখা হয় না। ফলে
ভবিষ্যতে বিপদে পড়তে হবে। তাই
বেশ
কিছু দিন হাতে নিয়ে হালকা
মেজাজে
পড়লেও শিখতে পারবেন। এতে
পরীক্ষা
হয়ে আসবে আরো সহজ, এবং
অনেক ভাল।
৩. শিক্ষকদের সাতে দেখা করুন
আপনার শিক্ষক কখনোই আপনাকে
ফিরিয়ে দেবেন না। তাদের
কয়েকজন
ভীতিকর হতে পারেন। কিন্তু সবকিছুর
শেষে তিনিই আপনার শিক্ষক। শেখা
বা
পরামর্শ নিতে তার কাছে গেলে
তিনি
তার শিক্ষার্থীকে বহু যত্নে
শিখিয়ে
দেবেন। আপনার সমস্যা মেটাতে
সর্বোচ্চ
চেষ্টা করবেন যেকোনো শিক্ষক।
কাজেই
পরীক্ষা বিষয়ে পরামর্শ পেতে
শিক্ষকদের দ্বারস্থ হন। তাহলেই
ভাল
রেজাল্ট করা সম্ভম।
৪. বইয়ে কি-পয়েন্ট হাইলাইট করুন?
অনেক ধরনের পরীক্ষা রয়েছে
সেখানে
বই দেখে পরীক্ষা দেওয়া যায়। এসব
ক্ষেত্রে বইয়ের কি-পয়েন্টগুলো
হাইলাইট করে নিন। আর বই দেখার
সুযোগ না
থাকলেও পড়াশোনার সুবিধার জন্য
নিজের বইয়ের গুরুত্বপূর্ণ অংশ
মার্কার
দিয়ে হাইলাইট করে রাখুন। সেগুলো
বারবার দেখে নিতে সুবিধা হবে।
৫. স্লাইড শো বানিয়ে পড়া শুনা করুন
ডিজিটাল পদ্ধতিতে লেখাপড়া করুন।
বিশেষ নোটগুলোকে কম্পিউটারে
স্লাইড
শো বানিয়ে পড়ুন। এতে মনে
ভালোমতো
ঢুকে যাবে সবকিছু।
৬. নিজের পরিকল্পনা বানিয়ে পড়া
শুনা
করুন পড়াশোনাকে দারুণ কার্যকর
করতে হলে
পরিকল্পনা দরকার। পড়াশোনার,
বিষয় আর
পড়ার পদ্ধতি সবকিছু নিয়ে সময়সূচি
করে
নিন। তারপর সেই সময় অনুযায়ী
পড়াশোনা
চালিয়ে যান।
৭. নিজের পরীক্ষা নিজেই দিন
প্রতিষ্ঠানের পরীক্ষার মতো করে
বন্ধুরা
একসাতে বা আপনি একাই পরীক্ষা
দিতে
পারেন। এতে মূল পরীক্ষা নিয়ে যতো
অজানা আশঙ্কা কেটে যাবে
আপনার।
অধিকাংশ যে ক্ষেত্রে দেখা
গেছে
এসব
পরীক্ষামূলক পরীক্ষা মূল পরীক্ষার
কাছাকাছি হয়ে থাকে।
৮. একই পড়া কয়েকবার পড়ুন
কয়েকবার করে দেখে নিন। এতে
মাথায়
বসে যাবে সবকিছু। নোটের বিশেষ
পয়েন্টগুলোতে চোখ বুলিয়ে নিন।
বারবার
মুখস্থ করতে হবে না। হাইলাট করা
অংশগুলোতেও চোখ দিন। একবার
মুখস্থ
করে কয়েকবার শুধু দেখলেই তা
ঠোঁটস্থ
হয়ে যাবে।
৯. গড়িমসি করবেন না
যা পড়তে হবেই তা পড়ছি পড়বো
বলে
ফেলে রাখবেন না। অন্তত পরীক্ষা
এগিয়ে এলে এমনটি করার সুযোগ
নেই। এ
কাজটির জন্যই পরীক্ষার আগের
রাতে
মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ে। কাজেই
অল্প-
বেশি পড়ার কাজ চালিয়ে যান।
দেখবেন, পরীক্ষা আগ দিয়ে প্রায়
সব
প্রস্তুতি গুছিয়ে এনেছেন আপনি।

চেষ্টা করলে এই দুই মাস পড়েও
আপনি রেজাল্ট করতে
পারবেন।
...

View on Facebook

▒▒ইমপ্রুভমেন্ট পরীক্ষা▒▒█
.
তোমাদের অনেকে হয়তো বিভিন্ন ভার্সিটিতে পরীক্ষা দেয়ার পর্যাপ্ত জিপিএ প্রাপ্তির জন্য ইমপ্রুভমেন্ট পরীক্ষা দিতে চাচ্ছো। তোমাদের জন্যই আজকের এই পোষ্ট। নিজের টাইমলাইনে শেয়ার করে রেখে দিতে পারো। পরবর্তীতে কাজে আসবে।
.
১। ইমপ্রুভমেন্ট পরীক্ষা কি??
- কোন এক/এজাধিক সাবজেক্টে আশানুরূপ রেজাল্ট না আসলে পুনরায় এক্সাম দেওয়াকেই ইমপ্রুভমেন্ট এক্সাম বলে।
.
২। ইমপ্রুভমেন্ট এক্সামের সিলেবাস কি থাকে??নতুন সিলেবাস??নাকি পুরাতন সিলেবাস??
.
-তোমার ইন্টারের রেজিস্ট্রেশন যে বছর হয়েছে, ওই শিক্ষাবর্ষের জন্য প্রযোয্য সিলেবাস।
.
ধরো তুমি ২০১৭ সালে ইন্টার দিয়েছিলা। তাহলে
ইমপ্রুভমেন্ট পরীক্ষাও ২০১৭ এর সিলেবাস এবং
মানবন্টনেই দিতে হবে।
.
৩। ইমপ্রুভমেন্ট এক্সাম কয়বার দেয়া যায়??
-ধরো তুমি ২০১৭ তে ইন্টার পাশ করেছো। সেক্ষেত্রে
কেবলমাত্র ২০১৮ তে একবার ইমপ্রুভমেন্ট এক্সাম দিতে
পারবা।
২০১৯ এ আর ইমপ্রুভমেন্ট এক্সাম দেয়ার সুযোগ থাকবে না।
.
৪। ইমপ্রুভমেন্ট এক্সাম দিলে পর্যাপ্ত জিপিএ প্রাপ্তি
সাপেক্ষে কোথায় কোথায় পরীক্ষা দেয়া যাবে??
২০১৫ তে ম্যাট্রিক, ২০১৮ তে ইমপ্রুভমেন্ট এক্সাম দিলে
কোথায় কোথায় ভর্তি পরীক্ষা দিতে পারবে তার
তালিকা
২০১৮: মেডিক্যাল, সকল ইঞ্জিনিয়ারিং ভার্সিটি, সকল
কৃষি ভার্সিটি, সকল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ভার্সিটি,
ঢাবি ব্যতীত সকল ভার্সিটি
২০১৯: শুধুমাত্র যবিপ্রবি, নোবিপ্রবি, বশেমুরবিপ্রবি,
বিইউপি, খুবি, ইবি
.
৫। ২০১৮ তে ঢাবিতে কি এক্সাম দেয়া যাবে না??
-যদি ২০১৭ তে ঢাবির যেকোন ইউনিটের(ক, খ, গ, ঘ, চ,
আইবিএ, গার্হস্থ্য অর্থনীতি, প্রযুক্তি) ফর্ম তুলো, তাহলে
২০১৮ তে রেজাল্ট ইমপ্রুভ হলেও ঢাবিতে আর পরীক্ষা
দিতে পারবে না না না।
৬। আমি এইবছর জিপিএ ৫.০০ পেয়েছি। কিন্তু গোল্ডেন
আসেনি। আমি কি ইমপ্রুভমেন্ট এক্সাম দিতে পারবো??
- পারবা না।
জিপিএ ৫.০০ এর নিচে হলে সকল সাবজেক্টে ইমপ্রুভমেন্ট
এক্সাম দিতে পারতা।
৭। রেজাল্ট পূর্বের তুলনায় খারাপ হলে/ফেইল করলে কি
হবে???
-পূর্বের রেজাল্ট বহাল থাকবে।
৮। ইমপ্রুভমেন্ট এক্সাম দিয়ে রেজাল্ট কি আদৌ ইমপ্রুভ
হয়??
-উত্তর টা তুমি নিজে। এইবার ইন্টারে যেমন ফাকি
মেরেছো, ইমপ্রুভমেন্ট এক্সামেও তেমন ফাকি মারলে
রেজাল্ট ইমপ্রুভ হওয়ার কোন চান্স ই নাই
আমি এমন কয়েকজন কে চিনি যারা ইমপ্রুভমেন্ট এক্সাম
দিয়ে রেজাল্টের উন্নতি করে ভালো ভালো
প্রতিষ্ঠানে পড়ছে এখন।
আবার এমন অনেককেও চিনি যারা সেইম ফাকিবাজি
করায় রেজাল্ট ইমপ্রুভ না হয়ে আরো অবনতি হয়েছে।
চান্স পাওয়া তো দূরের ব্যাপার।
৯। সার্টিফিকেটের পার্থক্য কি??
-তোমাকে ইরেগুলার স্টুডেন্ট হিসেবে কাউন্ট করা হবে।
১০। ইরেগুলার কি পরবর্তীতে জব/
হায়ারস্টাডিসে কোন
প্রভাব ফেলে??
-নাহ
১১। কোন কলেজে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে??
-রেগুলার স্টুডেন্ট হিসেবে যে কলেজে পড়াশোনা
করতে, সেই কলেজে।
১২। কবে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে??
-ইন্টারের ফর্ম ফীলাপের নোটিশ কলেজে দেয়া হবে।
এখন থেকেই কলেজে যোগাযোগ রাখা শুরু করো।
প্রতিবছর এমন প্রচুর স্টুডেন্ট দেখি যারা সঠিক সময়ে
খোঁজখবর না নেয়ায় ইমপ্রুভমেন্ট এক্সাম দিতেও পা‌রে না ।
...

View on Facebook

ইংলিশ ভোকাবুলারি শেখার দূর্দান্ত ১০ টিপস
কিছু দূর্দান্ত টিপস যা আপনাদের English Vocabulary বাড়াতে সাহায্য করবে এর মাঝে কিছু নিয়ম আমি ব্যক্তিগতভাবে ফলো করি আর কিছু গুগল থেকে পেলাম:

1. পড়া পড়া পড়া: পড়ার কোন বিকল্প নেই। যে যত বেশি পড়বে সে তত বেশি শিখবে এটাই স্বাভাবিক। কাজেই English Vocabulary বাড়াতে পড়ার কোন বিকল্প নেই। সময় পেলেই পড়তে বসে যান। আসলে এটাই ইংরেজি শেখার সহজ উপায়!
বড়জোড় পড়ার মাঝে কিছু নিয়ম ফলো করতে পারেন।

2. কন্টেন্ট : আসলে আপনি সারাদিন Vocabulary Builder নিয়ে বসে থেকে (পড়ে) যে পরিমাণ শব্দভান্ডার বাড়াতে পারবেন, তার চেয়ে অনেক বেশি শব্দার্থ শিখতে পারবেন যদি আপনি কোন গল্প কিংবা উপন্যাস পড়েন। এত ধৈর্য্য না থাকলে টেক্সট বইয়ের গল্পগুলো পড়তে শুরু করে দিন। ছোট ছোট আছে, আবার আপনার পরীক্ষার ক্ষেত্রেও কাজে লাগবে। সেখানে যে সকল নতুন শব্দ দেখবেন তা ভালকরে লক্ষ্য করুন। এবার পুরো বাক্যটা আবার পড়ুন। আপনাকে খুব বেশি কাঠ-খোর পোড়াতে হবে না দ্রুতই ইংরেজি ভোকাবুলারি বাড়াতে পারবেন।

3. অনুশীলন: বাহ! বেশতো ইংরেজি শব্দ শিখলেন। এবার কি করবেন? অবশ্যই ভুলে যাবেন! উপায়? আছে। ইংরেজি শব্দ যেমন শিখেছেন তেমন ব্যবহার করতে হবে। তাছাড়া সেই আগের অবস্থায় ফিরে যাবেন। তাই বাস্তব ক্ষেত্রে কাজে-কর্মে ব্যবহার করুন আপনার জানা শব্দগুলো। English Vocabulary বাড়বেই।

4. পথ তৈরী করুন: অবাক হবেন নাহ, আমি আপনাকে গাড়ি চলাচলের রাস্তা তৈরী করতে বলছি নাহ! তবে শব্দ চলাচলের রাস্তা তৈরী করুন। একটা ইংরেজি শব্দ শেখার পর ঐ শব্দের উদাহরণ দেখুন। এবার নিজেই কিছু উদাহরণ তৈরী করুন। এর চেয়ে ভাল উপায় আর কি হতে পারে ! একটা শব্দের কাছাকাছি আর কোন শব্দ জানা থাকলে সেটাকে মাথায় একই সাথে রেখে দিন। কাজে লাগবে ।

5. মনে রাখার কৌশল: শব্দ শেখাতো ভালই লাগে, তাই না? আসলে শব্দ মনে রাখাই কঠিন। তারচেয়ে কঠিন কথা হল, আপনাকে কেউ শব্দ মনে রাখার কৌশল শেখাতে পারবে না। একেকজনের কৌশল একেক রকম। কাজেই বুঝতেই পারছেন আপনার কৌশল আপনাকেই খুঁজে বের করতে হবে। যেমন-আমি একটা খাতা বানিয়েছি, যেখানে আমার শেখা নতুন শব্দগুলো আছে। আবার সেগুলো মনে রাখার জন্য নিজেই কিছু লিখে রেখেছি যেমন-Abate মানে কমানো আমি ওখানে লিখে রেখেছি বেঁটে শব্দের সাথে মিল রেখেছি আবার উচ্চারণের সাথেও ।

6. ফ্ল্যাশ কার্ড: ইংরেজি শিখবেন, আর একটু কষ্ট করবেন না-তাতো হতে পারে নাহ :p। প্রতিদিনের শেখা নতুন শব্দগুলো একটা কাগজে লিখে রাখুন। একপিঠে শব্দ অন্য পিঠে তার অর্থ। এবার এটা মানি - ব্যাগে কিংবা পকেটে রেখে দিন। অবসর পেলেই এক ঝলক দেখে নিন।

7. ডিকশনারি: ভয় নেই ভয় নেই! ডিকশনারি অনেকেই পড়তে কিংবা মুখস্ত করতে বলে আমি বলব না। জাস্ট যে শব্দ গুলোর মুখোমুখি হচ্ছেন ঐ শব্দগুলো দেখে নিন আলসেমি না করে। আস্তে আস্তে কিন্তু সত্যি আপনার ইংরেজিতে দক্ষতা বাড়তে বাধ্য ।

8. শব্দ নিয়ে খেলুন: ঐ যে অনেকে খেলে গান নিয়ে! গানের যেখানে শেষ হবে সেখানের শেষ বর্ণ দিয়ে একটা গান বলা লাগবে । আপনি খেলুন এরকম তবে শব্দ নিয়ে যেমন- একটা শব্দ যা দিয়ে শেষ হবে পরের শব্দ তাই দিয়ে শুরু হবে Take থেকে Eat থেকে Turn থেকে Night থেকে.... চলতে থাকুক।

9. ইংলিশ-ই: ইংলিশ যখন শিখতেই চাচ্ছেন, ভাল করেই শিখুন। কাজেই খবর দেখুন ইংরেজিতে, খবর পড়ুন ইংরেজিতে কর্মক্ষেত্রে ইংলিশ ব্যবহার করুন।

10. লজ্জ্বা: আহ! এতক্ষনে বুঝি কাজের কথা এল! 'লজ্জ্বা করে' এই কথা কত জনই না আমাকে বলল। এই যে এত কিছু করতে আপনার লজ্জ্বা করে। এর চেয়ে কিন্তু লজ্জ্বার ব্যপার ঐ টা, কারো সাথে ইংরেজিতে কথা বলতে না পারা কিংবা ইংরেজি একটা বাক্য গঠন করতে গিয়ে আটকে পরা। তাই লেগে থাকুন। বিজয় আসবেই।
...

View on Facebook

উদ্ভিদজগতের শ্রেনিবিন্যাস
প্রাথমিক কিছু কথা: এই অধ্যায় টা
এইচএসসির জন্য মোটামুটি গুরুত্ব দিয়েই
পড়া হয়, কিন্তু অবজেকটিভ-এর জন্য বেশ
কিছু জিনিস একেবারে নতুন করে পড়া
দরকার। একটার সাথে একটা
বৈশিষ্ট্যের পার্থক্য মুখস্ত করার
চেষ্টা করলে গুলিয়ে ফেলার
সম্ভাবনা থাকে, তাই প্রত্যেকটা জগত
সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকা প্রয়োজন।
তবে কিছু জিনিস মুখস্ত রাখতেই হবে,
অন্য উপায় নেই। এই অধ্যায় থেকে অন্তত
একটি প্রশ্ন সাধারণত আসেই। তাই যত্ন
নিয়ে পড়লে এখান থেকে আসা যে
কোন প্রশ্ন উত্তর করা সম্ভব।
অধ্যায় সারবস্তু:
১. শ্রেণিবিন্যাসের ধাপগুলো হচ্ছে:
Kingdom > Division/Phylum > Class > Order >
Family > Genus > Species
(৩য়, ৪র্থ ও ৫ম ধাপ গুলো নিয়ে মাঝে
মাঝে সমস্যা হয় ক্রম কি, তা বুঝতে
গিয়ে। যেমন “COF” মনে রাখা যেতে
পারে।)
২. ICBN স্বীকৃত সমাপ্তিজ্ঞাপক
বর্ণমালা:
Kingdom/ Division – “phyta”
Class – “opsida”
Order – “ales”
Family – “aceae”
(এখানে কনফিউশন এড়ানোর জন্য কিছু
টিপস: solanaceae, malvaceae, এগুলো
ফ্যামিলির নাম, এসব মনে রাখা
যেতে পারে, আর Order এর জন্য কিন্তু
Opsida না, “ales”, আর Bryophyta,
Thallophyta, এভাবে কিছুটা মনে রাখা
যেতে পারে।)
৩. ক্যারোলাস লিনিয়াস ১৭৫৩
সালে Species Plantarum গ্রন্থটি প্রণয়ন
করেন। (সালটা ডিএনএ হেলিক্সের
গঠন ওয়াটসন ও ক্রীকের আবিষ্কারের
সনের সাথে মিলে যায়, ১৯৫৩ সাল।
আর Historia Plantarum লেখেন History-এর
অনেক আগের থিওফ্রাস্টাস। এই
কনফিউশনটা যেন না থাকে।)
৪. থিওফ্রাস্টাস কে
উদ্ভিদবিজ্ঞানের জনক বলা হয়।
তিনিই উদ্ভিদসমূহকে বৃক্ষ, উপগুল্ম, গুল্ম,
বীরুৎ এই চার শ্রেণিতে ভাগ করেন।
৫. Historia Plantarum গ্রন্থে ৪৮০টি
উদ্ভিদের বর্ণনা ছিল।
...

View on Facebook

★★ ভ্যাগাস স্নায়ুর চারটি শাখা
এদের নাম মনে রাখার
ছন্দ " কে পাগল ??? "
কে - কার্ডিয়াক ( হৃদপিন্ড )
.
পা - পালমোনারী ( ফুসফুস )
.
গ - গ্যাস্ট্রিক ( পাকস্থলী )
.
ল - ল্যারিঞ্জিয়াল
( স্বরযন্ত্র )
মস্তিষ্কের গ্রে মেটার ও
হোয়াইট মেটার খুব
গুরত্ব পুর্ন একটা বেপার আর অনেক
সহজ ও।
তারপর ও এই স্পাইনাল কর্ড এসে
ঝামেলা করে
দেয়। তখন কোনটা বাইরে আর
কোনটা ভিতরে
এই নিয়ে ব্যাপক কনফিউসান
বেঁধে যায় ।
এটা দূরীকরনে ছোট্ট একটা শব্দ মনে রাখুন:
সেটা হলো :
"মাগ্রিব" (মাগরিবের
আজান)
তাহলে! ""
মা = মস্তিষ্ক
গ্রি = গ্রে মেটার
ব = বাইরে
অর্থাৎ ব্রেইনের গ্রে মেটর
থাকে বাইরে আর
সাদা মেটার থাকে ভিতরে
কিন্তু স্পাইনাল কর্ডে এর
বিপরীত
.
★★★ ভেগাস স্নায়ুর ৪ টি শাখা
(১) ল্যারিনজিয়াল
(২) কার্ডিয়াক
(৩) গ্যাসট্রিক
(৪) পালমোনারি
মনে রাখার একটি way দেওয়া হল
( লালের কাছে গেছে পাল)
*** লালের- ল্যারিনণজিয়াল
*** কাছে- কার্ডিয়াক
*** গেছে - গ্যাসট্রিক
*** পাল- পালমোনারি
বিস্তার মনে রাখার উপায়
(ষড় ঋতুর পাকা ফসল)
***ষড়-স্বরতন্ত্র
***ঋতু- হৃদপিন্ড
***পাকা - পাকস্থলি
***ফসল - ফুসফুস....
...

View on Facebook

১২ জোড়া করোটিক স্নায়ুর নাম
ক্রমানুসারে মনে রাখার সহজ
ছন্দঃ
"অলস অপু এখন ট্রাকে, তাই আবদুল
ফয়সাল অদিত গাল ভরে শুধু হাসে
"
অলস - অলফ্যাক্টরি
অপু -অপটিক
এখন - অকুলোমোটর
ট্রাকে -ট্রকলিয়ার
তাই - ট্রাইজেমিনাল
আব্দুল - অ্যাবডুসেন্স
ফয়সাল -ফ্যাসিয়াল
অদিত - অডিটরি
গাল -গ্লসোফ্যরিঞ্জিয়াল
ভরে -ভেগাস
শুধু - স্পাইনাল অ্যাকসেসরি
হাসে -
হাইপোগ্লসা।।
...

View on Facebook

২০১৪ বিশ্ব কাপের সেরা ১০টি গোল ...

View on Facebook

Chattagram Biggan College added a new photo. ...

View on Facebook