+8801817-291888

Blog

পছন্দের কলেজ নির্ধারিত হবে যে মানদণ্ডে
একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য কোন কলেজ ভর্তি পরীক্ষা নিতে পারবে না। শিক্ষার্থীদের প্রাপ্ত জিপিএ এবং মোট নম্বরের ভিত্তিতে কলেজ ঠিক করে দেবে মন্ত্রণালয়।

নীতিমালায় বলা হয়েছে, বিজ্ঞান শাখা থেকে উত্তীর্ণরা যে কোন বিভাগে ভর্তি হতে পারবে। মানবিক শাখা থেকে উত্তীর্ণরা মানবিকের পাশাপাশি ব্যবসায় শিক্ষা শাখায় ভর্তি হতে পারবে। ব্যবসায় শিক্ষায় শিক্ষার্থীরা ব্যবসায় শিক্ষা ও মানবিক বিভাগে ভর্তি হতে পারবে।

বিজ্ঞান বিভাগে ভর্তির ক্ষেত্রে সমান জিপিএ প্রাপ্তদের মেধাক্রম সাধারণ গণিত, উচ্চতর গণিত অথবা জীববিজ্ঞানে প্রাপ্ত জিপিএ বিবেচনায় আনা হবে।

আর মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে সমান জিপিএ প্রাপ্তদের ভর্তির ক্ষেত্রে পর্যায়ক্রমে ইংরেজি, গণিত ও বাংলায় অর্জিত গ্রেড পয়েন্ট বিবেচনা করা হবে।

এক বিভাগের প্রার্থী অন্য বিভাগে ভর্তির ক্ষেত্রে মোট গ্রেড পয়েন্ট একই হলে পর্যায়ক্রমে ইংরেজি, গণিত ও বাংলা বিষয়ে অর্জিত পয়েন্ট বিবেচনায় নেওয়া হবে।
...

View on Facebook

চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার এ ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত!!
সবাই সতর্ক থাকুন।
...

View on Facebook

***জীববিজ্ঞান ২য় পত্র***
¤¤টেমপোরাল অস্থির চারটি অংশ মনে
রাখার টেকনিক¤¤
তার আগে আসো তোমাদের একটা গল্প
শুনিয়ে দেই ।।
মনে কর তুমি (টিনের) নতুন বাড়ি
বানিয়েছ
,,বাড়িটি দেখতে (গম্বুজাকার ),, এমন
একদিন
হঠাং করে ঝড় আসলো ,তোমার টিন
খুলে
(মাটিতে )পড়ে গেল, এখন তোমার
বাড়ির সব
টিন যদি মাটিতে পড়ে যায় তাহলে
তো
তোমার ছাদ (খোলা) আকাশে থাকবে
তাই
না ।।
¥¥টেমপোরাল অস্হির ৪ টি অংশ -
খোলা-খোলসাকূতির
গম্বুজ-গম্বুজাকার
মাটি-ম্যাস্টয়েড
টিন-টিমপ্যানিক
কি সহজ হয়ে গেল না ।। লাইক ও শেয়ার
করতে ভুলবে না
...

View on Facebook

বাংলাদেশ উপকূলের ৫শ কিলোমিটারের মধ্যে সরে আসছে ঘূর্ণিঝড় 'মোরা'। এজন্য আবহাওয়া অধিদপ্তর চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার সমুদ্র বন্দরকে সাত (৭) নম্বর বিপদ সংকেত দেখাতে বলেছে। ...

View on Facebook

আপনি কিভাবে ইংরেজি শিখবেন?

বেশি বেশি ইংরেজি শোনাঃ বেশির ভাগ ক্ষেত্রে বিবিসি, আলজাজিরা, সিএন এন নিউজ শোনা কিংবা দেখা। বিবিসি ওয়ার্ল্ড সার্ভিস এই ব্যাপারে অনেক কার্যকরি।

ইংরেজি গান শোনাঃ ইংরেজি গান শোনার ব্যপারে অনেক লাভ হয়। গানের মুল ব্যাপারটি ধরতে পারলে অনেক সুবিধা হয়। ধীরে ধীরে ইংরেজির কঠিন উচ্ছারন সহজ হয়ে যায়। প্রতিদিন একটি হলেও ইংরেজি গান শোনার ব্যবস্থা করুন। কয়েকবার শুনুন। যতক্ষন না বুঝেন ততক্ষন শুনতে পারেন। তবে লিরিক সামনে নিয়ে শুনতে পারলে ভাল হয়।

বাসায় ইংরেজি চর্চাঃ নিজেদের মধ্যে চর্চা অনেক বেশি কার্যকরি। তবে শুনে তারপর চর্চা করলে অনেক বেশি সুফল পাবেন।ঘরে অন্য সদস্যের সামনে নিজে যা পারেন তা দিয়ে শুরু করতে পারেন। বাড়াবাড়ি পর্যায়ে না গিয়ে যারা উতসাহ দেন তাদের সাথে কথা বলুন। ইংরেজি আপনার নেশা হলে ভাল। তবে অন্যের ক্ষতি করে নয়।

পড়ুন, পড়ুন এবং পড়ুনঃ ভাষাকে শিখতে হলে অবশ্যই পড়তে হবে। আপনাকেও পড়তে হবে। বই পড়ুন, ম্যাগাজিন পড়ুন। পড়ার কোন বিকল্প হয় না। তাই একে আপনার নিজের অভ্যাসে পরিনত করুন। ভাল মানের ম্যাগাজিন পড়লে আপনার শব্দভান্ডার বাড়বে।
...

View on Facebook

Chattagram Biggan College shared their চট্টগ্রাম ‍বিজ্ঞান কলেজ. ...

চট্টগ্রামে বিজ্ঞান শিক্ষা প্রসারে এগিয়ে বেসরকারি কলেজ! বর্তমান যুগকে বলা হয় বিজ্ঞান ও তথ্য প্রযুক্তির যুগ। বৈজ্ঞানিক ভিত্তি ছাড়া একটি সমাজ কিংবা দেশ আজকের বিশ্বে অকল্পনীয়। বিশ্বের অন্যতম ঘনবসতিপূর্ণ দেশ হিসাবে স্বীকৃত বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সম্পদ সীমিত। তাই মানবসম্পদের সঠিক ব্যবহারই হতে পারে বাংলাদেশের উন্নয়নের চাবিকাঠি। এমতাবস্থায় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির মাধ্যমেই মানবসম্পদের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা সম্ভব। বিজ্ঞান শিক্ষার প্রসার ব্যতীত কোনো জাতি অগ্রসর হতে পারেনা। যে জাতি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে যত উন্নত, সে জাতি ততটাই অগ্রসর। কোন একটি দেশের সার্বিক উন্নতি অনেকাংশে নির্ভর করে সেদেশের বিজ্ঞান শিক্ষার উপর। পৃথিবীর সবগুলো উন্নত দেশগুলোর দিকে তাকালে দেখা যায় তারা বিজ্ঞান শিক্ষায় অনেক বেশি উন্নত। বাংলাদেশ একটি উন্নয়নশীল দেশ, এদেশকে এগিয়ে নিতে হলে এ দেশের বিজ্ঞান শিক্ষায় অধিক পরিমান শিক্ষার্থীর অংশগ্রহন করা একান্ত জরুরি। কিন্তু চট্টগ্রাম নগরীর সাতটি সরকারি কলেজে বিজ্ঞান বিভাগের আসন রয়েছে ২ হাজার ৩১০টি। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন, ক্যান্টনম্যান্ট পাবলিক কলেজ, নৌ-বাহিনী কলেজ, বিএফ শাহীন কলেজ, ইস্পাহানি পাবলিক কলেজ এবং আরও কয়েকটি নামকরা কলেজ মিলিয়ে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ৪ হাজার শিক্ষার্থী ভাল কলেজে ভর্তির সুযোগ পাবে। ফলে জিপিএ-৫ পেয়েও স্বস্তিতে নেই হাজার হাজার শিক্ষার্থী। ভাল কলেজে ভর্তির টেনশন ভর করেছে তাদের মাথায়। তবে এ অবস্থা থেকে উত্তরণের উপায়ও খুঁজছেন তারা। কারণ আগামীর স্বপ্ন বাস্তবায়নে তাদের বিজ্ঞান বিভাগেই পড়তে হবে। বিজ্ঞানে পড়ার ধারা অব্যাহত রাখতে সরকারি কলেজে ভর্তির সুযোগ না পেলে বিশেষায়িত এবং ভাল মানের বেসরকারি কলেজে পড়ার পরামর্শ দিয়েছেন শিক্ষাবিদরা। তারা বলছেন, সরকারি কলেজের পাশাপাশি অনেক বেসরকারি এবং বিশেষায়িত কলেজও ভাল করছে। সেখানে পড়ে ভাল ফলাফল করার সুযোগ রয়েছে। এদিকে, বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষায়িত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে সুপরিচিত চট্টগ্রাম বিজ্ঞান কলেজ। ২০০৮ সালে প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে কলেজটি বিজ্ঞান শিক্ষায় ধারাবাহিক সাফল্যের স্বাক্ষর রেখেই চলেছে। চট্টগ্রামে বিশেষায়িত কলেজগুলোর মধ্যে বিজ্ঞানে শীর্ষে রয়েছে কলেজটি। যেমন ব্যবসা শিক্ষায় শীর্ষে রয়েছে চট্টগ্রাম কমার্স কলেজ। নগরীর ১৩টি বিশেষায়িত কলেজগুলোর সার্বিক মানদন্ডে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে চট্টগ্রাম বিজ্ঞান কলেজ। এমন তথ্য জানিয়েছেন কলেজটির অধ্যক্ষ ড. জাহিদ খান। তিনি বলেন, বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের জন্য চট্টগ্রাম বিজ্ঞান কলেজ একটি আস্থার নাম। চট্টগ্রামে বিজ্ঞান শিক্ষার্থীদের দুর্বলতা অনুধাবন করে তা কাটিয়ে তোলার মানসে কলেজটি প্রতিষ্ঠা করা হয়। যার সুফল পাচ্ছেন শিক্ষার্থীরা। তিনি বলেন, তত্ত¡ীয় ও ব্যবহারিক বিষয়ে সমান গুরুত্বারোপ করে পর্যায়ক্রমে ব্যবহারিক বিষয়গুলোতে শিক্ষার্থীদের দক্ষ করে তোলতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করে চট্টগ্রাম বিজ্ঞান কলেজ। যার কারনে সাফল্যের পর সাফল্য অর্জন করছে কলেজটি। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বিজ্ঞান শিক্ষায় কলেজটিতে রয়েছে আধুনিক সমৃদ্ধ ল্যাবরেটরি। রসায়ন, পদার্থ ও জীব বিজ্ঞান এর জন্য রয়েছে পৃথক পৃথক লাইব্রেরি। যেখানে ব্যবহারিকের কঠিন টপিকগুলো পুন: পুন: চর্চার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের অভ্যস্ত করে তোলা হয়। সূত্র জানায়, ড. জাহিদ খান চট্টগ্রাম বিজ্ঞান কলেজের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ। শিক্ষাঙ্গনে তার রয়েছে সুদীর্ঘ অভিজ্ঞতা ড. জাহিদ খান বলেন-ছাত্রজীবন থেকেই টিচিং সেন্টারের মাধ্যমেই শিক্ষকতা জীবন শুরু আমার। চট্টগ্রাম কলেজ ও মহসিন কলেজের শতশত শিক্ষার্থী আমার টিচিং সেন্টারে ছাত্র ছিল। যাদের অনেকেই এখন ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার ও শিক্ষক হয়ে দেশের সেবা করছে। তিনি বলেন-বাণিজ্য নয়, সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় দায়বদ্ধতা থেকে আমি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো পরিচালনা করছি। বিগত বছরগুলোর ফলাফল, পড়ালেখার মান, কমিটমেন্ট, আধুনিক সুযোগ-সুবিধা, স্বল্প খরচের কথা বিবেচনা করলে চট্টগ্রাম বিজ্ঞান কলেজই এখন সেরা কলেজ। এই প্রতিষ্ঠান থেকে সহস্রাধিক শিক্ষার্থী এইচএসসি পাস করে সাফল্যের সাথে এমবিবিএস, ইঞ্জিনিয়ারিং ও বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ছে। শিক্ষার্থীদের পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন-জীবনের লক্ষ্যে পৌঁছাতে হলে শিক্ষার্থীদের হতে হবে পরিশ্রমী ও অধ্যাবসায়ী এবং অভিভাবকদের সচেতনতাও খুবই জরুরি। তিনি বলেন, ক্লাসনির্ভর পাঠদান পদ্ধতি এবং আধুনিক শিক্ষা উপকরণের সমন্বয়ে চট্টগ্রাম বিজ্ঞান কলেজ প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিকল্প ধারা সৃষ্টি করেছে। ফলে চট্টগ্রাম বিজ্ঞান কলেজ হতে অনেক শিক্ষার্থী এইচএসসি-তে এ+ পায় যারা অনেকেই এসএসসি-তে এ+ পায়নি। চট্টগ্রাম বিজ্ঞান কলেজের ওয়েবসাইট ভিজিট করে দেখা যায়, সরকারি বিধি অনুসরণ করে চট্টগ্রাম বিজ্ঞান কলেজে এইচএসসিতে ভর্তি কার্যক্রম চলছে। তবে এতে এ+ পাওয়া শিক্ষার্থীদের সরাসরি ভর্তির বিশেষ ব্যবস্থা যেমন রয়েছে; তেমনি এ+ না পাওয়া শিক্ষার্থীদের জন্যও সংরক্ষিত আসনের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এই প্রসঙ্গে চট্টগ্রাম বিজ্ঞান কলেজের অধ্যক্ষ ড. জাহিদ খান বলেন, সরকারি কলেজগুলোতে ভর্তির জন্য শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের প্রত্যাশা বেশি থাকে। কিন্তু আসন সংখ্যা সীমিত হওয়ায় বঞ্চিত শিক্ষার্থীরা মনক্ষুণ হয়। কিন্তু একজন অভিভাবক হিসেবেই বলছি-এতে হতাশ হওয়ার কিছু নেই। এসব নামী কলেজের বাইরেও ভালো কলেজ আছে এবং সেখান থেকে ভালো ফলাফল করা যায়। তিনি আরও বলেন, ট্রাস্টের মাধ্যমে গরীব ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের পড়ালেখার বিশেষ ব্যবস্থা রয়েছে চট্টগ্রাম বিজ্ঞান কলেজে। প্রতি বছর অসংখ্য অস্বচ্ছল মেধাবী শিক্ষার্থীদের জেএফ ট্রাস্টের সহযোগিতায় পড়াশুনার দায়িত্ব নিয়ে থাকে তারা । এছাড়া অদম্য মেধাবীদের জন্যও রয়েছে বিশেষ স্কলারশিপের ব্যবস্থা। অদম্য মেধাবীদের জন্য রয়েছে স¤পূর্ণ বিনামূল্যে হোস্টেল সুবিধাসহ পড়ালেখার সুযোগ। মেয়েদের জন্য রয়েছে আলাদা ক্যা¤পাস, সংরক্ষিত ২৫০ আসনসহ মেয়েদের জন্য রয়েছে আলাদা সুযোগ-সুবিধা। ভবিষ্যতে ক্যারিয়ারের স্বপ্নপূরণের লক্ষ্যে এইচএসসি-তেই মেডিকেল, ইঞ্জিনিয়ারিং ও বিশ্ববিদ্যালয় পড়ার প্রস্তুতির জন্য ১ম ও ২য় বর্ষের মাঝামাঝিতে ক্লাসের পরে অতিরিক্ত ক্লাস করানো হয়। চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজে ২০১০-২০১১ বর্ষের শিক্ষার্থী সৈয়দা আশরাফুন্নেছা রিজভী চট্টগ্রাম বিজ্ঞান কলেজের প্রাক্তন শিক্ষার্থী। তার জীবনের লক্ষ্যই ছিল ডাক্তার হওয়ার। তার অভীষ্ঠ লক্ষ্যে পৌঁছার জন্য সকল শিক্ষকমন্ডলী ও সিটিবির প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করে। সে আরও যোগ করে এসএসসি-তে ভাল জিপিএ পেয়েও সরকারি কলেজে ভর্তি হতে না পারার আক্ষেপ। চট্টগ্রাম বিজ্ঞান কলেজে ভর্তি হয়েই তার ডাক্তার হওয়ার স্বপ্নপূরণ হয়। সহায়ক শিক্ষায়ও চট্টগ্রাম বিজ্ঞান কলেজের রয়েছে অনন্য অর্জন। সম্প্রতি থিয়েটার ইনস্টিটিউটে-এ ব্রিটিশ কাউন্সিলের সহায়তায় দ্যা হাঙ্গার প্রজেক্ট এর আয়োজনে আন্তঃকুইজ প্রতিযোগিতার সুযোগ সৃষ্টি করে। উক্ত প্রতিযোগিতায় চট্টগ্রাম বিজ্ঞান কলেজ “চ্যাম্পিয়ান ট্রপি” অর্জন করে। শিক্ষার্থীদের ভাষ্য, চট্টগ্রাম বিজ্ঞান কলেজ বিজ্ঞান শিক্ষার ক্রান্তিকালের ত্রাতা। বিজ্ঞান শিক্ষার যথাযথ পরিবেশ, যুগোপযোগী শিক্ষা উপকরণ এবং নিজস্ব পাঠদান পদ্ধতির সমন্বয়ে বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের জন্য প্রায় অবিকল্প শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে নিজেদের অবস্থান তৈরি করেছে চট্টগ্রাম বিজ্ঞান কলেজ এবং সিটি বিজ্ঞান কলেজ। চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে ১৮ তম স্থান এবং বেসরকারি কলেজগুলোর মধ্যে অন্যতম সেরার স্বীকৃতি অর্জন এরই প্রতিফলন। ইব্রাহিম খলিল প্রধান প্রতিবেদক, সিটিজি টাইমস চট্টগ্রাম, ২২ মে ২০১৭ (সিটিজি টাইমস) চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডে ১৮ তম ও বেসরকারিতে ১ম চট্টগ্রাম ‍বিজ্ঞান কলেজ(চকবাজার)। বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষায়িত কলেজ। প্রতিবছর অত্র কলেজ হতে অসংখ্য শিক্ষার্থীর A+ পেয়ে মেডিকেল,ইঞ্জিনিয়ারিংসহ ভালো ভালো বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ছে। অত্র কলেজের শিক্ষার্থীদেরকে কোনো প্রাইভেট পাড়তে হয় না। মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টরসহ এসি ক্লাসরুম । সুবিশাল ক্যাম্পাস,ওয়াই-ফাই সুবিধা,জেনারেটর,আইটি ল্যাব, বিষয়ভিত্তিক ব্যবহারিক ল্যাব । অনলাইন ফলাফলের আগে ভর্তি ফিতে ৫০% ছাড়ে ২০০ শিক্ষার্থীকে আগে আসলে আগে পাবেন ভিত্তিতে আসন নিশ্চায়ন চলছে।যোগাযোগঃ Chattagram Biggan College, Moti Tower(Lift-4) 4th Floor, Chawkbazar, Chittagong, Bangladesh. Phone: +01817-291888

View on Facebook

আজ চট্টগ্রামে ইফতারের সময় হবে ৬টা ৩৫ মিনিটে । ...

View on Facebook

Trump and simplicity ...

#ترامب والبساطة اقسم بالله يفوتكم الفيديو

View on Facebook

ভর্তিযুদ্ধ থেকে ঝরে গেল ১,২৬০০০ শিক্ষার্থী- মানবজমিন

সদ্য এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা পাস করেও একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির আনন্দ থেকে বঞ্চিত হয়েছেন সোয়া লাখ শিক্ষার্থী। শুক্রবার অনলাইন ও এসএমএসের মাধ্যমে আবেদনের শেষ দিন থাকলেও এক লাখ ২৬ হাজার ৫৪২ জন শিক্ষার্থী ভর্তির জন্য আবেদন করেনি। গত ৪ই মে ফল প্রকাশের পর গত শুক্রবার মধ্যরাত পর্যন্ত ছিল একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির আবেদনের নির্ধারিত সময়। ভর্তির আবেদন না করাকে ঝরে পড়া হিসেবেই দেখছেন শিক্ষাবিদরা। তবে বোর্ড কর্তৃপক্ষের দাবি, এসব শিক্ষার্থীরা কারিগরি বোর্ড কর্তৃক পরিচালিত চার বছর মেয়াদী ডিপ্লোমা কোর্সে ভর্তি হবেন। এদিকে সারা দেশের উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ১৫ লাখ ৫৬ হাজার ৮২৯টি আসন শূন্য রয়েছে।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে গণসাক্ষরতা অভিযানের নির্বাহী পরিচালক ও সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা রাশেদা কে চৌধুরী বলেন, পরবর্তী শ্রেণিতে ভর্তির আবেদন না করা মানে এটাকে ঝরে পড়া বলা যায়। পড়াশোনায় অভিভাবকদের অসম প্রতিযোগিতা, শিক্ষা ব্যবস্থার দুর্বলতার সঙ্গে সামাজিক, প্রাতিষ্ঠানিক, কোচিং বাণিজ্যের ভীতি ও আর্থিক দুরবস্থার কারণে শিক্ষার্থীরা ঝরে পড়ছে।
এ বছর এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পাস করেছে ১৪ লাখ ৩১ হাজার ৭২২ জন। গত শুক্রবার রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য আবেদন করেছে ১৩ লাখ পাঁচ হাজার ১৮০ জন। অর্থাৎ এক লাখ ২৬ হাজার ৫৪২ জন শিক্ষার্থী ভর্তির জন্য আবেদন করেননি। গত বছর এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পাস করেছিল ১৪ লাখ ৫২ হাজার ৬০৫ জন। একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য আবেদন করেননি এক লাখ ৫১ হাজার ৫০৬ জন। বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী ভর্তি আবেদন না করা প্রসঙ্গে জানতে চাইলে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের কলেজ পরিদর্শক ড. আশফাকুস সালেহীন বলেন, প্রতি বছরই এসএসসি পাস করা শিক্ষার্থীরা কলেজে ভর্তি না হয়ে ডিপ্লোমা কোর্সে ভর্তি হচ্ছেন। এসএসসি পাস করার পরে অনেক মেয়ের বিয়ে হয়ে যায়। অভাবের কারণে অনেকে লেখাপড়া বন্ধ করে দিয়ে চাকরিতে যোগ দেন। ভালো ফলাফল করতে না পেরে অনেকে কর্মসংস্থানের জন্য বিদেশ চলে যান। এসব কারণে শতভাগ শিক্ষার্থী কলেজে ভর্তি হচ্ছেন না দাবি করে তিনি আরো বলেন, এসএসসি ফল পুনঃনিরীক্ষণের জন্য যারা আবেদন করেছেন তাদের অনেকেই একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য আবেদন করেনি। ফল প্রকাশের পর আগামী মঙ্গল ও বুধবার তাদের আবেদনের সুযোগ রয়েছে। একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি কার্যক্রম পরিচালনার দায়িত্বে থাকা ঢাকা শিক্ষা বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, আটটি সাধারণ শিক্ষাবোর্ড, মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষাবোর্ডের অধীনে নয় হাজার ৮৩টি প্রতিষ্ঠানে এবার একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি করা হবে। বোর্ড ভিত্তিক পাস ও ভর্তির আসনের দিক দিয়ে শীর্ষে রয়েছে ঢাকা বোর্ড। এ বোর্ডে পাস করা তিন লাখ ৮৮ হাজার ৫৪০ জন শিক্ষার্থীর বিপরীতে আসন রয়েছে পাঁচ লাখ ৫৫ হাজার ৪৪৯টি। এ বোর্ডের অধীন কলেজে ভর্তির জন্য আবেদন করেছে চার লাখ ৫৫ হাজার ৫৩০ জন। সব মিলে এবার পাস করেছে ১৪ লাখ ৩১ হাজার ৭২২ জন। আর ২৮ লাখ ৬২ হাজার ৯টি আসনের বিপরীতে আবেদন করেছে ১৩ লাখ পাঁচ হাজার ১৮০ জন। এ হিসেবে আসন ফাঁকা রয়েছে ১৫ লাখ ৫৬ হাজার ৮২৯টি।
একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি নীতিমালা অনুযায়ী, গতকাল থেকে শিক্ষার্থীদের আবেদন যাচাই-বাছাই ও আপত্তি নিষ্পত্তি শুরু হয়েছে। যা ২৯শে মে পর্যন্ত চলবে। প্রথম তালিকায় থাকা শিক্ষার্থীদের ৬ থেকে ৮ই জুন সিলেকশন নিশ্চিত (যে কলেজের তালিকায় নাম আসবে ওই কলেজেই শিক্ষার্থী ভর্তি হবেন) এসএমএসে নিশ্চিত করতে হবে। এরপর মাইগ্রেশনের আবেদন (অপশন প্রদান) এবং নতুন আবেদন করা যাবে ৯ থেকে ১০ই জুন পর্যন্ত। ১৩ই মে দ্বিতীয় পর্যায়ে এবং ১৮ই মে তৃতীয় পর্যায়ের ভর্তি ফল প্রকাশ করা হবে। দ্বিতীয় পর্যায়ের তালিকায় থাকা শিক্ষার্থীরা ১৪ থেকে ১৫ই জুন সিলেকশন নিশ্চিত করবে এবং মাইগ্রেশন আবেদন (অপশন প্রদান) ও নতুন আবেদন করতে হবে ১৬ থেকে ১৭ই জুনের মধ্যে। তৃতীয় পর্যায়ে তালিকায় থাকা শিক্ষার্থীদের ১৯শে জুন সিলেকশন নিশ্চিত করবে। ২০ থেকে ২২শে জুন এবং ২৮ থেকে ২৯শে জুন দুই দফায় শিক্ষার্থী ভর্তি শেষে আগামী ১লা জুলাই ক্লাস শুরু হবে।
...

View on Facebook

কিভাবে পড়াশুনা করলে এইচ এস সি পরীক্ষায় ভাল করতে পারব?

পরামর্শ :
১. প্রথমেই তোমার সুবিধামত একটা দৈনিক রুটিন করো। যে যে সাবজেক্টে একটু দুর্বল সেগুলোর জন্য বেশি সময় বরাদ্দ রাখবে। রুটিনে যে শুধু পড়া আর পড়াই রাখবে তা না, কিছু সময় টিভি/খেলা/আড্ডা/হাঁটাহাঁটি/গান শোনার জন্যও রাখবে। আর ঠিকমত ঘুমাবে। বেশি রাত জাগবে না।

২. বিজ্ঞানের বিষয়গুলোতে গাণিতিক সমস্যাগুলো নিয়মিত প্র্যাকটিস করবে। আর বিভিন্ন উত্তরে যে চিত্রগুলো আকঁতে হয় সেগুলোও প্র্যাকটিসে রাখবে, তাহলে পরীক্ষাতে কম সময়ে আঁকতে পারবে।

৩. মুখস্ত না, আত্মস্থ করার ওপর জোর দেবে। কারণ তুমি যদি বিষয়টা ভালো করে বুঝতে পারো তাহলে প্রশ্ন যেমনই হোক যেভাবেই আসুক নিজের মত করে লিখতে পারবে। একেবারে বইয়ের ভাষায় লিখতে হবে তা না যেটা তুমি বোঝ সেটা নিজের ভাষায় সঠিকভাবে উপস্থাপন করবে।

৪. বাসায় নিজের মত করে টেস্ট পেপার থেকে প্রশ্ন নিয়ে পরীক্ষা দেবার চেষ্টা করবে। নিজে পরীক্ষা দিয়ে নিজেই খাতা দেখবে আর অনেস্টলি মার্কিং করবে। কারণ নিজের ভুলগুলো নিজের চোখে পড়লে পরে আর কখনো সেই ভুল হবে না।

৫. আগের বছরের প্রশ্নগুলো একটু স্টাডি করলে প্রশ্নের ধরন সম্পর্কে আইডিয়া পাবে এবং কোন প্রশ্ন বেশি গুরুত্বপূর্ণ তা বুঝতে পারবে। চেষ্টা করবে একটা সাবজেক্টের সবগুলো চ্যাপ্টার পড়ে যাওয়ার। অনেকের টেন্ডেনসি থাকে কিছু চ্যাপ্টার বাদ দিয়ে পড়ার তখন যেটা হয় প্রশ্নে পড়ে যাওয়া চ্যাপ্টার থেকে হয়তো একটু ঝামেলার প্রশ্ন হল কিন্তু তখন না পড়ে যাওয়া চ্যাপ্টার থেকে সহজ প্রশ্ন এলেও না পড়ার কারণে তখন উত্তর দেয়ার কোনো উপায় থাকবে না।

৬. রিভিশন, রিভিশন এবং রিভিশন, পরীক্ষার আগে যত পারো রিভিশন চালিয়ে যাও।

৭. সবসময় চেষ্টা করবে যেসব প্রশ্ন বেশি ভালো পারবে আগে সেগুলোর উত্তর দিতে। "প্রমাণ করো যে.." "নির্ণয় কর..." "রাশিমালা প্রতিপাদন কর..." এই ধরনের প্রশ্নে কাঁটায় কাঁটায় নাম্বার পাওয়া যায় আবার "ব্যাখ্যা করো..." "আলোচনা করো..." প্রশ্নে ব্যাখ্যা যুৎসই না হলে নাম্বার কাটা যেতেও পারে। সুতরাং প্রশ্ন চয়েস করবার সময় এমনভাবে চয়েস করবে যেন সব ধরনের প্রশ্ন মিলে তোমার ৮০% মার্কস চলে আসে।

৮. বাংলা দ্বিতীয় পত্রে ব্যাকরণ অংশে জোর দিবে যাতে ফুল মার্ক্স পাও। বাংলা দ্বিতীয় পত্রে একটু ভালো করলেই দুইটা পত্র মিলে এ প্লাস এসে যাবে।

৯. সবসময় হান্ড্রেড মার্কসের এনসার দিয়ে আসবে যাতে কোনো প্রশ্নে নাম্বার কাটলেও ৮০%এর নিচে না যায়।

১০. আর সবচে' বড় কথা নিজের পড়া নিজের কাছে। তুমি নিজেই ভালো জানবে নিজের দুর্বলতা কোথায়, নিজের কোন জিনিসটা কিভাবে পরিবর্তন করতে হবে। উপদেশ বা পরামর্শ দেবার জন্য মানুষের অভাব হবে না। কিন্তু নিজেকে কিভাবে গ্রুম করতে হবে সেই ফাইন্যাল প্ল্যানটা তোমাকেই করতে হবে। সুতরাং আত্মবিশ্বাসেরর সাথে প্রস্তুতি নাও। শুভকামনা।

পরামর্শ দিয়েছেন :
অথই নীলিমা
প্রভাষক
পদার্থবিজ্ঞান বিভাগ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
...

View on Facebook