Blog

সংকরণ নিয়ে মজার টেকনিক:-
.
সূত্র: 1/2 [যোজ্যতা স্তরের e+ একযোজী পরমানুর সংখ্যা(+-) চার্জ] কাট্যায়নের ক্ষেত্রে (-) হবে &অ্যান্যায়নের ক্ষেত্রে (+) হবে |
=2,3,4,5,6,7 যথাত্রুমে sp ,sp2 ,sp3 ,sp3d ,sp3d2,sp3d3 হবে !
.
চলো কিছু উদাহরন দেখি:
H2O এর O তে যোজ্যতা ইলেকট্রন 6 টি,একযোজী H=2 টি |
সূত্র মতে,1/2[6+2+0]=4 এটি sp3. XeF2 এ> 1/2[8+2+0]=5
এটি sp3d. SO3 এ> 1/2[6+0-0+0]=3,এটি sp2.
POCl3 এ> 1/2[5+3-0+0]=4,যা sp3 সংকরায়ণ NH4+ এ> 1/2[5+4-1+0]=4,sp3.
.
উল্লেখ্য: একক(C-C) বন্ধন যুক্ত
কার্বনের সব যৌগে sp3, দ্বি(C=C) বন্ধন যুক্ত কার্বনের সব যৌগেsp2 এবং ত্রিবন্ধন যুক্ত কার্বনের সব যৌগে sp সংকরণ হয় |
...

View on Facebook

রসায়ন প্রথম পত্রের যেসব সংজ্ঞা পড়ে রাখা অত্যাবশ্যক ।
.
প্রথম অধ্যায় :-
.
- ল্যাবরেটরি কিট কী ?
- মাইক্রো ও সেমিমাইক্রো বিশ্লেষণ
কী ?
-ব্যুরেট কী ?
- আংশিক পাতন কী ?
-রাইডার ধ্রুবক কী ?
- বাম্পিং কী ?
- মিনিস্কাস কী ?
-হ্যাজার্ড প্রতীক ?
- ট্রিফয়েল কী ?
- স্প্যাচুলাকী ?
-
দ্বিতীয় অধ্যায় :-
.
.
- ক্রোমাটোগ্রাফি কী ?
- কোয়ান্টাম সংখ্যা কী ?
-পলির বর্জন নীতি কী ?
- অরবিট ও অরবিটাল কী ?
-Rf কী ?
- দ্রাব্যতা গুণফল কী ?
.
তৃতীয় অধ্যায় :-
.
.
- অবস্থান্তর মৌল কী ?
- হাইড্রোজেন বন্ড কী ?
- ইলেক্ট্রন আসক্তি কী ?
- যোজনী কী ?
- তড়িত্ ঋণাত্মকতা কী ?
- Like dissolves like - নীতিটি কী ?
.
রাসায়নিক পরিবর্তন ।
.
.
- লা-শাতেলিয়ার নীতি কী ?
- প্রভাবক সহায়ক কী ?
- প্রভাবক বিষ কী ?
- বাফার দ্রবণ কী ?
- সাম্যাঙ্ক কী ?
- সক্রিয়ণ শক্তি কী ?
- লিগ্যান্ড কী ?
- সম আয়ন প্রভাব কী ?
- pH কী ?
.
পঞ্চম অধ্যায় :
.
.
- সবুজ রসায়ন কী ?
- সাসপেশন কী ?
- ফুড লেকার কী ?
- কোয়াগুলেশন কী ?
- বায়ু শূন্যকরণ কী ?
- রি-সাইকেলিং কী ?
- কিউরিং কী ?
- প্রোপাইল গ্যালেট কী ?
...

View on Facebook

পরিবাহী, অপরিবাহী এবং অর্ধপরিবাহী
Conductor, insulator, semiconductor

আমরা জানি, তড়িৎ প্রবাহ হলো কোনো পদার্থের মধ্য দিয়ে আধানের প্রবাহ। এই তড়িৎ প্রবাহ কোনো কোনো পদার্থের মধ্য দিয়ে খুব সহজেই চলাচল করতে পারে। আবার এমন কিছু পদার্থ আছে যেগুলোর মধ্য দিয়ে তড়িৎ আদৌ চলাচল করতে পারে না। তড়িৎ পরিবাহিতা ধর্মের উপর ভিত্তি করে কঠিন পদার্থকে তিন শ্রেণিতে ভাগ করা যায়। যথা- (১) পরিবাহী (২) অপরিবাহী (৩) অর্ধপরিবাহী।

১. পরিবাহী: যে সকল পদার্থের মধ্য দিয়ে খুব সহজেই তড়িৎ প্রবাহ চলতে পারে তাদেরকে পরিবাহী বলে। এসকল পদার্থের মধ্য দিয়ে ইলেকট্রন মুক্তভাবে চলাচল করতে পারে। ধাতব তারের মধ্য দিয়ে আধান ইলেকট্রন দ্বারা পরিবাহিত হয়। এ কারণে ধাতব পদার্থগুলো তড়িৎ সুপরিবাহী। তামা, রুপা, অ্যালুমিনিয়াম ইত্যাদি সুপরিবাহী পদার্থ। যে কারণে বৈদ্যুতিক সংযোজকে ধাতব তার ব্যবহার করা হয়।

২. অপরিবাহী: যে সকল পদার্থের মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহ চলতে পারে না তাদেরকে অপরিবাহী বা অন্তরক পদার্থ বলে। অর্থাৎ যে সকল পদার্থের মধ্য দিয়ে ইলেকট্রন চলাচল করতে পারে না সেগুলো হলো অপরিবাহী পদার্থ। যেমন- প্লাষ্টিক, রাবার, কাঠ, কাচ ইত্যাদি। অপরিবাহী পদার্থের মধ্যে মুক্ত ইলেকট্রন থাকে না। প্লাষ্টিক জাতীয় পদার্থের মধ্য দিয়ে সহজে ইলেকট্রন প্রবাহিত হতে পারে না। যার ফলে প্লাষ্টিক হলো বিদ্যুতের জন্য অপরিবাহী পদার্থ। এ কারণেই বৈদ্যুতিক মিস্ত্রিগণ যে সকল স্ক্রু ড্রাইভার এবং প্লায়ার ব্যবহার করেন তাদের হাতল প্লাষ্টিক জাতীয় পদার্থ দ্বারা মোড়ানো থাকে। এ ছাড়া আমাদের দৈনন্দিন প্রয়োজনে যে সকল তামার বৈদ্যুতিক তার ব্যবহার করি সেগুলো প্লাষ্টিক দ্বারা আবৃত থাকে।

৩. অর্ধপরিবাহী: যে সকল পদার্থের তড়িৎ পরিবহন ক্ষমতা সাধারণ তাপমাত্রায় পরিবাহী এবং অপরিবাহী পদার্থের মাঝামাঝি, সে সকল পদার্থকে অর্ধপরিবাহী বলে। যেমন- জার্মেনিয়াম, সিলিকন ইত্যাদি। সুবিধামত অপদ্রব্য মিশিয়ে অর্ধপরিবাহী পদার্থের তড়িৎ পরিবাহকত্ব বৃদ্ধি করা যায়।
...

View on Facebook

এইচ.এস.সি || পদার্থ বিজ্ঞান ১মপত্র
অধ্যায় - ৮: পর্যাবৃত্ত গতি
১. একটি সরল দোলকের দোলনকাল 4 গুণ বাড়াতে হলে সুতার দৈর্ঘ্য কত গুণ বাড়াতে হবে?
Ο ক) 4 গুণ Ο খ) 2 গুণ Ο গ) 8 গুণ Ο ঘ) 16 গুণ
২. সরল দোলকের সূত্রগুলো কে আবিষ্কার করেন?
Ο ক) নিউটন Ο খ) আইনস্টাইন Ο গ) গ্যালিলিও Ο ঘ) ফ্যারাডে
৩. একটি সরল দোলকের বিস্তার 0.1 m, কম্পাঙ্ক 0.5 Hz ও সরণ 0.005 m হলে বেগ কত?
Ο ক) 0.314 ms-1 Ο খ) 1.54 ms-1 Ο গ) 0.45 ms-1 Ο ঘ) 1.62 ms-1
৪. সরল দোলকের বৈশিষ্ট্য – i. ববটি ক্ষুদ্র এবং কিছুটা হালকা হবে যাতে সুতা টান টান থাকে ii. সুতার ভর নগণ্য হবে iii. সুতা নমনীয় পাকহীন ও অপ্রসারণীয় হবে
নিচের কোনটি সঠিক?
Ο ক) i ও ii Ο খ) ii ও iii Ο গ) i ও iii Ο ঘ) i, ii ও iii
৫. সরল ছন্দিত স্পন্দনে ত্বরণের সমীকরণ কোনটি?
Ο ক) ωAsin(ωt + δ) Ο খ) - ω2Asin(ωt + δ) Ο গ) ωAcos(ωt + δ) Ο ঘ) Asin(ωt + δ)
৬. গীটারের তারের গতি কোন ধরনের গতি?
Ο ক) বৃত্তাকার Ο খ) উপবৃত্তাকার Ο গ) সরলরৈখিক Ο ঘ) পর্যাবৃত্ত
৭. নিম্নোক্ত কোন রাশির এককের সাথে বল ধ্রুবকের এককের সাদৃশ্য আছে?
Ο ক) চাপ Ο খ) বল Ο গ) কাজ Ο ঘ) তল টান
৮. একটি নির্দিষ্ট দৈর্ঘ্যের সরল দোলকের দোলনকাল নিচের কোনটির উপর নির্ভর করে?
Ο ক) বিস্তার Ο খ) দৈর্ঘ্য Ο গ) বলের ভর Ο ঘ) অভিকর্ষজ ত্বরণ
৯. সেকেন্ড দোলক হচ্ছে যে দোলকের দোলনকাল –
Ο ক) এক সেকেন্ড Ο খ) দুই সেকেন্ড Ο গ) তিন সেকেন্ড Ο ঘ) চার সেকেন্ড
১০. কোনো সরল ছন্দিত বস্তুকণা কোন অবস্থানে থাকলে এর রৈখিক দ্রুতি সর্বনিম্ন হয়?
Ο ক) বিস্তারের প্রাপ্ত বিন্দুতে Ο খ) সাম্যাবস্থানে Ο গ) x=A/2 অবস্থানে Ο ঘ) x=A/4 অবস্থানে
১১. সরল ছন্দিত বস্তুকণার স্থিতিশক্তির- i. সর্বোচ্চ মান পাওয়া যায় x=A অবস্থানে ii. সর্বোনিম্ন মান হয় x=-A অবস্থানে iii. সর্বোচ্চ মান হলো 1/2 kA2
নিচের কোনটি সঠিক?
Ο ক) i ও ii Ο খ) i ও iii Ο গ) ii ও iii Ο ঘ) i, ii ও iii
১২. দোলক পিন্ডটিকে একপ্রান্তে সরিয়ে দিলে পূর্বাবস্থায় ফিরে আসে কোন বলের প্রভাবে?
Ο ক) ঘর্ষণ বল Ο খ) অভিকর্ষ বল Ο গ) স্প্রিং বল Ο ঘ) আন্তঃআণবিক বল
১৩. একটি সেকেন্ড দোলকের দৈর্ঘ্য তিনগুণ বৃদ্ধি করলে দোলনকাল কত হবে?
Ο ক) 6s Ο খ) 4s Ο গ) 2s Ο ঘ) 1s
১৪. সকল সরল ছন্দিত স্পন্দনশীল কণিকাকে কী বলা হয়?
Ο ক) সরল ছন্দক Ο খ) সরল ছন্দিক স্পন্দক Ο গ) পর্যাবৃত্ত ছন্দক Ο ঘ) পর্যাবৃত্ত স্পন্দক
১৫. সরল দোলকের ব্যবহার নিচের কোনটি?
Ο ক) খনিতে দূষিত বাতাসের অস্তিত্ব নির্ণয় Ο খ) পাহাড়ের উচ্চতা নির্ণয় Ο গ) মহাকর্ষীয় ধ্রুবকের মান নির্ণয় Ο ঘ) তরলের পৃষ্ঠটান নির্ণয়
১৬. সরল দোলকের ববের ভর বেশি হলে, দোলনকাল কী হবে?
Ο ক) বাড়বে Ο খ) কমবে Ο গ) অপরিবর্তিত থাকবে Ο ঘ) ভরের বর্গমূলের সমানুপাতিক
১৭. সরল দোলককে যখন সময় পরিমাপের জন্য ব্যবহার করা হয় তখন তাকে কী বলে?
Ο ক) সমকাল ঘড়ি Ο খ) দোলক ঘড়ি Ο গ) ত্বরণের ঘড়ি Ο ঘ) স্পন্দন ঘড়ি
১৮. সময়ের সাথে সাথে কোনো কিছুর নিয়মিত পুনরাবৃত্তি ঘটাকে কী বলে?
Ο ক) স্থানিক পর্যক্রম Ο খ) কালিক পর্যাক্রম Ο গ) রৈখিক পর্যাক্রম Ο ঘ) ক্রমমাত্রিক পর্যাক্রম
১৯. সরল ছন্দিত স্পন্দনরত কোনো কণার সাম্যাবস্থান হতে x=A sin ωt হলে এর-
i. তাৎক্ষণিক বেগ v= ωA cos ωt ii. ত্বরণ a=- ω2x iii. বেগের সর্বোচ্চ মান ωA নিচের কোনটি সঠিক?
Ο ক) i ও ii Ο খ) i ও iii Ο গ) ii ও iii Ο ঘ) i, ii ও iii
২০. সরল দোলন গতির উদাহরণ –
i. দোলকের গতি ii. স্প্রিং – এর গতি iii. মোটর গাড়ির গতি নিচের কোনটি সঠিক?
Ο ক) i ও ii Ο খ) ii ও iii Ο গ) i ও iii Ο ঘ) i, ii ও iii
২১. মোট যান্ত্রিক শক্তি ধ্রুবক কারণ – i. বল ধ্রুবক K ধ্রুবক ii. কৌণিক কম্পাঙ্ক ω2 ধ্রুবক iii. বিস্তার A ধ্রুবক
নিচের কোনটি সঠিক?
Ο ক) i ও ii Ο খ) ii ও iii Ο গ) i ও iii Ο ঘ) i, ii ও iii
২২. সরল স্পন্দিত স্পন্দনসম্পন্ন কণার তাৎক্ষণিক বেগ তার-
i. সরণ x এর ওপর নির্ভরশীল ii. কৌণিক কম্পাঙ্ক x এর ওপর নির্ভরশীল iii. বিস্তার A-এর ওপর নির্ভরশীল
নিচের কোনটি সঠিক?
Ο ক) i ও ii Ο খ) i ও iii Ο গ) ii ও iii Ο ঘ) i, ii ও iii
২৩. অল্প বিস্তারে দোলকের গতি হলো- i. বৃত্তীয় গতি ii. স্পন্দন গতি iii. রৈখিক গতি নিচের কোনটি সঠিক?
Ο ক) i ও ii Ο খ) i ও iii Ο গ) ii ও iii Ο ঘ) i, ii ও iii
২৪. কোনটি দ্বারা সরল ছন্দিত কণা কত দ্রুত স্পন্দিত হচ্ছে তা প্রকাশ করে?
Ο ক) কৌণিক বেগ Ο খ) ত্বরণ Ο গ) কম্পাঙ্ক Ο ঘ) দশা
২৫. একটি স্প্রিংকে টেনে 5×10-2m প্রসারিত করতে যদি 10N বলের প্রয়োজন হয় তবে ঐ প্রসারণে কত কাজ সম্পাদিত হয়?
Ο ক) 0.50J Ο খ) 0.10J Ο গ) 0.35J Ο ঘ) 0.30J

সরল স্পন্দিত স্পন্দনশীল কোনো কণার দশা বলতে যেকোনো মুহুর্তে ঐ কণার-
i. কৌণিক দ্রুতি বুঝায় ii. গতির সম্যক অবস্থা বুঝায় iii. সরণ, বেগ, ত্বরণ, বল ইত্যাদি বুঝায়
নিচের কোনটি সঠিক?
Ο ক) i ও ii Ο খ) i ও iii Ο গ) ii ও iii Ο ঘ) i, ii ও iii
২৭. 0.5 হার্টজ কম্পাঙ্ক বিশিষ্ট একটি সরল দোলকের কার্যকরী দৈর্ঘ্য (9.8m/s2)
Ο ক) 3.14m Ο খ) 0.98m Ο গ) 0.90m Ο ঘ) 0.993m
২৮. কোনো নির্দিষ্ট স্থানে সেকেন্ড দোলকের ক্ষেত্রে ধ্রুব থাকে –
i. পর্যায়কাল ii. কার্যকর দৈর্ঘ্য iii. কম্পাঙ্ক নিচের কোনটি সঠিক?
Ο ক) i ও ii Ο খ) ii ও iii Ο গ) i ও iii Ο ঘ) i, ii ও iii
২৯. একটি সরল দোলক 0.9 sec এ একবার টিক শব্দ করে। দোলকটির কার্যকর দৈর্ঘ্য কত?
Ο ক) 0.704 m Ο খ) 0.804 m Ο গ) 0.904 m Ο ঘ) 1.004 m
৩০. 15 kg ভরের কোন শিশু 4m দৈর্ঘ্যের দোলনায় দুললে তার দোলনকাল কত হবে?
Ο ক) 2 সেকেন্ড Ο খ) 4 সেকেন্ড Ο গ) 8 সেকেন্ড Ο ঘ) 16 সেকেন্ড
৩১. একটি সরল দোলক পৃথিবীর কেন্দ্রে নিলে – i. অভিকর্ষজ ত্বরণ শূন্য হবে ii. দোলনকাল অসীম হবে iii. কার্যকরী দৈর্ঘ্য হ্রাস পাবে
নিচের কোনটি সঠিক?
Ο ক) i ও ii Ο খ) ii ও iii Ο গ) i ও iii Ο ঘ) i, ii ও iii
৩২. তাপমাত্রা বাড়লে –
i. কার্যকর দৈর্ঘ্য বাড়ে ii. দোলনকাল বাড়ে iii. ঘড়ি ধীরে চলে নিচের কোনটি সঠিক?
Ο ক) i ও ii Ο খ) ii ও iii Ο গ) i ও iii Ο ঘ) i, ii ও iii
৩৩. স্থানিক পর্যায়ক্রম কোনটি?
Ο ক) ব্যতিচার Ο খ) বিট Ο গ) পৃথিবীর গতি Ο ঘ) উপগ্রহের গতি
৩৪. কোন একটি কম্পমান বস্তুর একটি পূর্ণ দোলনের সময়কে কী বলে?
Ο ক) দশা Ο খ) পর্যায়কাল Ο গ) হার্জ Ο ঘ) স্পন্দন
৩৫. কোনো একটি সরল ছন্দিত স্পন্দন গতিসম্পন্ন স্প্রিং – এর ধ্রুবক 150 Nm-1 হলে যে বল প্রয়োগে এর দৈর্ঘ্য 0.4 m প্রসারিত হবে তার ত্বরণ কত?
Ο ক) 100 ms-2 Ο খ) 125 ms-2 Ο গ) 2.5 ms-2 Ο ঘ) 25 ms-2
৩৬. কোনো একটি সেকেন্ড দোলকের দৈর্ঘ্য 2.25 গুণ বৃদ্ধি করা হয় তবে তার দোলনকাল হবে?
Ο ক) 1s Ο খ) 2s Ο গ) 3.6s Ο ঘ) 4s
৩৭. কোনো একটি সরল দোলকের সুতার দৈর্ঘ্য 99.3 cm, সরণ x = 0.05 m হলে দোলকটির কার্যকরী বলের দ্বারা সৃষ্ট ত্বরণ কত?
Ο ক) - 0.78 ms-2 Ο খ) 1.51 ms-2 Ο গ) - 0.50 ms-2 Ο ঘ) 2.51 ms-2
৩৮. সরল ছন্দিত স্পন্দনে স্পন্দিত একটি কণার সর্বোচ্চ ত্বরণ 8πm/S2 এবং সর্বোচ্চ দ্রুতি 1.6m/s কণাটির পর্যায়কাল নির্ণয় কর।
Ο ক) π sec Ο খ) 4 sec Ο গ) 0.4 sec Ο ঘ) 0.04 sec
৩৯. যদি একটি কণা 2500টি পূর্ণ স্পন্দন সম্পন্ন করতে 10 সেকেন্ড সময় নেয় তবে কণাটির কম্পাঙ্ক কত?
Ο ক) 25000 Hz Ο খ) 2500 Hz Ο গ) 250 Hz Ο ঘ) .25 Hz
৪০. একটি সরল দোলকের বিস্তার দিগুণ করলে এর দোলনকালের অবস্থা কী হবে?
Ο ক) দ্বিগুণ Ο খ) অপরিবর্তিত থাকবে Ο গ) অর্ধেক হবে Ο ঘ) চারগুণ হবে
৪১. স্থির তরঙ্গে স্থানিক পর্যাক্রম হতে অবস্থান পাওয়া যায় – i. নিঃস্পন্দ বিন্দুর ii. তরঙ্গের iii. সুস্পন্দ বিন্দুর নিচের কোনটি সঠিক?
Ο ক) i ও ii Ο খ) ii ও iii Ο গ) i ও iii Ο ঘ) i, ii ও iii
৪২. একটি সেকেন্ড দোলকের দোলনকাল –
Ο ক) শূন্য সেকেন্ড Ο খ) এক সেকেন্ড Ο গ) দুই সেকেন্ড Ο ঘ) চার সেকেন্ড
৪৩. একটি সরল ছন্দিত গতি সম্পন্ন বস্তুর স্প্রিং ধ্রুবকের মান 0.79 Nm-1 ও কৌণিক বেগ 3.14 rads-1 হলে বস্তুর ভর কত?
Ο ক) 50 g Ο খ) 60 g Ο গ) 70 g Ο ঘ) 80 g
৪৪. একটি 200 Nm-1 বল ধ্রুবক সম্পন্ন স্প্রিংকে বলের অভিমুখে 300 m সরণ ঘটানো হলে সঞ্চিত বিভবশক্তি হিসাব কর।
Ο ক) 9 x 105 J Ο খ) 9 x 10-4 J Ο গ) 9 x 10-6 J Ο ঘ) 9 x 106 J
৪৫. সরল দোলকের সাহায্যে g-এর মান নির্ণয়ে সর্বোচ্চ কত মানের কৌণিক বিস্তার ব্যবহার করা হয়?
Ο ক) 40 Ο খ) 50 Ο গ) 60 Ο ঘ) 70
৪৬. কোন তরঙ্গের স্থানিক পর্যায়ক্রম হতে নিস্পন্দ ও সুস্পন্দ বিন্দুর পাওয়া যায়?
Ο ক) অগ্রগামী তরঙ্গে Ο খ) নিম্নগামী তরঙ্গে Ο গ) স্থির তরঙ্গে Ο ঘ) আলোক তরঙ্গে
৪৭. সরল দোল সম্পন্ন কোনো বস্তুর কৌণিক বেগ π/4 rads-1 হলে দোলনটির দোলন কাল কত?
Ο ক) 4 s Ο খ) ½ s Ο গ) 8 s Ο ঘ) 2 s
৪৮. অল্প বিস্তারে সরল দোলকের গতি – i. বৃত্তীয় গতি ii. স্পন্দন গতি iii. রৈখিক গতি নিচের কোনটি সঠিক?
Ο ক) i ও ii Ο খ) ii ও iii Ο গ) i ও iii Ο ঘ) i, ii ও iii

সঠিক উত্তর:
১. (ঘ) ২. (গ) ৩. (গ) ৪. (ঘ) ৫. (খ) ৬. (ঘ) ৭. (ঘ) ৮. (ঘ) ৯. (খ) ১০. (ক) ১১. (খ) ১২. (খ) ১৩. (ক) ১৪. (খ) ১৫. (খ) ১৬. (গ) ১৭. (খ) ১৮. (খ) ১৯. (ঘ) ২০. (ক) ২১. (গ) ২২. (ঘ) ২৩. (গ) ২৪. (ক) ২৫. (ক)
২৬. (গ) ২৭. (ঘ) ২৮. (ঘ) ২৯. (খ) ৩০. (খ) ৩১. (ক) ৩২. (ঘ) ৩৩. (ক) ৩৪. (খ) ৩৫. (ক) ৩৬. (গ) ৩৭. (গ) ৩৮. (গ) ৩৯. (গ) ৪০. (খ) ৪১. (গ) ৪২. (গ) ৪৩. (ঘ) ৪৪. (ঘ) ৪৫. (ক) ৪৬. (গ) ৪৭. (গ) ৪৮. (খ)
...

View on Facebook

2 days ago

Chattagram Biggan College

অ‌ভিনন্দন : চট্টগ্রাম বিজ্ঞ‌ান ক‌লে‌জের হ‌তে খুলনা মে‌ডি‌কে‌লে চান্স প্রাপ্ত হুমা‌য়িদ কে । ...

View on Facebook

নগ্নবীজী উদ্ভিদ কি?

যে সকল সবুজ উদ্ভিদের ফুলে গর্ভাশয় থাকে না বলে ফল হয়না বীজ উলঙ্গ (naked) অবস্থায় থাকে তাদেরকে নগ্নবীজী উদ্ভিদ বলে।

নগ্নবীজী উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্য:

1. উদ্ভিদ বহুবর্ষবীজী চিরসবুজ স্পোরোফাইট অসমরেণুপ্রসূ অর্থাৎ মাইক্রোস্পোর ও মেগাস্পোর তৈরি করে।

2. রেণুপত্র অর্থাৎ স্পোরোফিলগুলো ঘনভাবে সন্নিবেশিত হয়ে স্ট্রোবিলাস বা কোন তৈরি করে।

3. মেগাস্পোরোফিলে কোনো গর্ভাশয় তৈরি হয় না অর্থাৎ গর্ভাশয়, গর্ভদন্ড, গর্ভমুন্ড নেই।
...

View on Facebook

3 days ago

Chattagram Biggan College

Chattagram Biggan College
অনলাইন বা এসএমএসে আবেদন করে পছন্দের কলেজে না আসলে করনীয়ঃ

=> কলেজে আসন খালি থাকা সাপেক্ষে কলেজ কর্তৃক পূর্ব নির্ধারিত সর্বনিম্ন জিপিএ’র ভিত্তিতে উন্মুক্তভাবে ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে ভর্তির সুযোগ থাকে।
=> অপছন্দের কলেজে ভর্তি হলে কিন্তু অন্য কলেজে ভর্তি হতে আগ্রহী তাদের ক্ষেত্রে…
কোন শিক্ষার্থী ভর্তি বাতিল করতে চাইলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে লিখিত ভাবে আবেদন করতে হবে। একটি প্রতিষ্ঠানে ভর্তি নিশ্চায়ন বাতিল না করে অন্য প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হওয়া যাবে না।
=> অনলাইন বা এসএমএসে আবেদন করে পছন্দের কলেজে ভর্তির সুযোগ থেকে বঞ্চিত হলে শিক্ষার্থীর জন্য অন্যতম অপশন হতে পারে যেসব কলেজে সরাসরি ভর্তি নেয় সেসব কলেজ।
চট্টগ্রাম বিজ্ঞান কলেজে(চকবাজার), চট্টগ্রাম কমার্স কলেজে(চকবাজার), চট্টগ্রাম সি‌টি পাব‌লিক ক‌লেজ(কো‌তোয়ালী মোড়), সি‌টি বিজ্ঞান ক‌লেজ(দেওয়ানহাট)...
আরও বিস্তারিত জানতেঃ 01817291888

চট্টগ্রাম বিজ্ঞান কলেজে
বেসরকারিতে সব চেয়ে কম খরচ চট্টগ্রাম বিজ্ঞান কলেজে।
=> ভর্তি ফিঃ ৩০০০/=
=> মাসিক ফিঃ আর্থিক অবস্থাভেধে ১০০০-২০০০/=

# # প্যাকেজ:
=> ১ম বর্ষ/২য় বর্ষ/টেস্ট পরবর্তী-
২৯,৫০০ ( স‌র্বোচ্চ ৮কি‌স্তি)
(প্যা‌কে‌জে বেতন,পরীক্ষা ফি,ফরম পূরণসহ সকল প্রকার ফি INCLUDED)
...

View on Facebook

★★★ প্রানিবিজ্ঞান
★★★ অধ্যায় : ০২
★★★মানবদেহ- পৌষ্টিক তন্ত্র

প্রারম্ভিক আলোচনা: এই অধ্যায়ের কিছু অংশ অনেক গুরুত্বপূর্ণ, তাই মনোযোগ দিয়ে পড়তে হবে।
অধ্যায় সারবস্তু:
১. পৌষ্টিক নালী মুখ হতে পায়ু পর্যন্ত ৮-১০ মিটার পর্যন্ত বিস্তৃত।
২. গাল. দাঁত, মাড়ি, জিহ্বা, তালু, এসব মুখবিবরে অবস্থিত।
৩. মুখবিবরে তিন জোড়া লালা গ্রন্থি থাকে।
ক. নিচের চোয়ালের পাশে সাব-ম্যাক্সিলারি
খ. জিহ্বার নিচে সাব-লিঙ্গুয়াল
গ. কানের নিচে প্যারোটিড গ্রন্থি
৪. প্রাপ্ত বয়ষ্কের চোয়ালের দন্ত কোটরে ১৬ টি দাঁত থাকে:
- ৪ টি কর্তন
- ১ টি করে মোট ২ টি ছেদন
- ২ টি করে মোট ৪ টি অগ্রপেষণ
- ৩ টি করে মোট ৬ টি পেষণ
(মনে রাখার জন্য প্রত্যেকে নিজের অভিজ্ঞতা দিয়ে মনে রাখতে পারে। সামনের চারটা দাঁতের দু’পাশে চোখা করে একটা দাঁত থাকে, তা হল ছেদন, তারপর ২ টা দাঁত থাকে, যে দাঁত গুলো কর্তন ও ছেদন দাঁত গুলো থেকে মোটা, পেছন দিকে প্রবৃদ্ধি আছে, এরা অগ্রপেষণ। আর এর পরের ৩ টি দাঁত একটু মোটা করে যেন দু’টো দাঁত জোড়া লেগে একটি হয়েছে, তা হল পেষণ।)
৫. লালাগ্রন্থি নিঃসৃত মিউসিন কোন এনজাইম না। এটি খাদ্যকে পিচ্ছিল করে। তবে টায়ালিন ও মল্টেজ এনজাইম খাদ্য পরিপাকে সাহায্য করে।
৬. গলবিল ১০ সেমি। অন্ননালী ২৫ সেমি।
৭. পাকস্থলী ২৫ সেমি লম্বা, ১৫ সেমি চওড়া।
৮. পাকস্থলীর বিভিন্ন অংশ
- যে অংশে অন্ননাল উন্মুক্ত হয় তা “কার্ডিয়া” (কার্ডিয়াক মানে হৃদপিণ্ড, এই অংশটা হৃদপিণ্ডের কাছাকাছি)
- কার্ডিয়ার বাঁ পাশে পাকস্থলী প্রাচীর যে গম্বুজাকার ধারণ করে, ফানডাস। (অনেকটা ফাঙ্গাস-এর ব্যাঙের ছাতার মত)
- যে অংশ ডিওডেনামে উন্মুক্ত হয় = পাইলোরাস। (পাইল মানে গেট, পাইলোরাস শব্দের গ্রিক অর্থ “গেট পাহারাদার)
৯. পূর্ণাঙ্গ মানবদেহে প্রায় ৪০ মিলিয়ন বা ৪ কোটি গ্যাস্ট্রিক গ্রন্থি আছে।
১০. প্রতিদিন প্রায় ২ লিটার গ্যাস্ট্রিক রস নিঃসৃত হয়।
১১. পাকস্থলীতে আমিষ ও স্নেহজাতীয় খাদ্য পরিপাক শুরু হয়। কার্বোহাইড্রেট হয় না।
১২. ক্ষুদ্রান্ত্র ৬-৭ মিটার লম্বা। (নামে ক্ষুদ্র হলেও এটিই সবচেয়ে লম্বা, পুরো পাকস্থলী ৮-১০ মিটার, সেখানে ক্ষুদ্রান্ত্র একাই এত লম্বা!)
১৩. ক্ষুদ্রান্ত্রের তিনটি অংশ রয়েছে:
- ডিওডেনাম = U আকৃতির, ২৫-৩০ সেমি লম্বা,
- জেজুনাম = ২.৫ মিটার লম্বা, দুই-পঞ্চমাংশ।
- ইলিয়াম = তিন-পঞ্চমাংশ গঠন করে, প্রায় ৩.৫ মিটার।
১৪. বৃহদান্ত্র ২ মিটার পর্যন্ত লম্বা। এরও তিনটি অংশ:
- সিকাম = এর থেকেই অ্যাপেনডিক্স উদ্ভূত।
- কোলনের তিনটি অংশ: উর্ধ্বগামী কোলন, অনুপ্রস্থ কোলন, নিম্নগামী কোলন। এরপর সিগ্‌ময়েড কোলন অংশটি রয়েছে।
- মলাশয়
১৫. পৌষ্টিক গ্রন্থিতে নির্দিষ্ট তিনটি গ্রন্থি হল: লালাগ্রন্থি, অগ্ন্যাশয় ও যকৃত।
১৬. লালাগ্রন্থির সেরাস কোষ থেকে এনজাইম বের হয়। টায়ালিন সিদ্ধ শ্বেতসারকে আইসোমলটোজ ও মলটোজ-এ পরিণত করে এবং মলটেজ মলটোজ (দুইটি গ্লুকোজ মিলে ডাইকার্বোহাইড্রেড) থেকে গ্লুকোজ উৎপন্ন করে।
১৭. অগ্ন্যাশয়ের গ্রন্থিগুলো থেকে ছোট ছোট নালিকা বেরিয়ে একত্রিত হয়ে উইরসাং নালী গঠন করে। এ নালী ডিওডেনামের কাছে পিত্তনালীর সাথে মিলিত হয়ে ভ্যাটার এর অ্যাম্পুলার মাধ্যমে ডিওডেনামে প্রবেশ করে।
১৮. অগ্ন্যাশয় একাধারে বহিঃক্ষরা এবং অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি হিসেবে কাজ করে। অগ্ন্যাশয়ে আইলেটস অব ল্যাঙ্গারহ্যান্‌স থাকে, যা অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি হিসেবে কাজ করে।
১৯. বহিঃক্ষরা গ্রন্থি রূপে এটি অগ্ন্যাশয় রস ক্ষরণ করে, এতে বিভিন্ন প্রকার খাদ্য (কার্বোহাইড্রেড, প্রোটিন, লিপিড) পরিপাকের এনজাইম থাকে।
২০. অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি রূপে আইলেটস অফ ল্যাঙ্গারহ্যানস হতে ইনসুলিন, গ্লুকাগন, গ্যাস্ট্রিন ও সোমাটোস্ট্যাটিন হরমোন ক্ষরণ করে।
২১. যকৃত দেহের সবচেয়ে বড় গ্রন্থি। প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষে এর ভর ১.৫০-২.০০ কেজি।
২২. চারটি অসম্পূর্ণ খণ্ড নিয়ে যকৃত গঠিত: ডাম, বাঁ, কোয়াড্রেট ও কডেট। ডান খণ্ডটি সবচেয়ে বড়।
২৩. যকৃত পিত্ত ক্ষরণ করে পিত্তাশয়ে জমা রাখে ও স্নেহ জাতীয় পদার্থের শোষণে সাহায্য করে। (পিত্তাশয়ে কিন্তু পিত্তরস উৎপন্ন হয় না, যকৃত থেকে উৎপন্ন হয়!)
২৪. পাকস্থলীয় গ্রন্থিতে থাকে কার্ডিয়াক কোষ, জি-কোষ, মিউকাস কোষ, প্যারাইটাল কোষ ইত্যাদি। এসব কোষ হতে গ্যাস্ট্রিক রস নিঃসৃত হয়।
২৫. প্রতিবার খাদ্য গ্রহণের সময় ৫০০-১০০০ মিলিলিটার গ্যাস্ট্রিক রস ক্ষরিত হয়।
২৬. ক্ষুদ্রান্তে থাকে গবলেট কোষ, প্যানেথ কোষ, লিবারকুহন-এর গ্রন্থি, আরজেন্টফিন কোষ এবং ব্রুনার এর গ্রন্থি।
২৭. বিভিন্ন কার্বোহাইড্রেট-এর উৎস:
ক) ল্যাকটোজ = দুধ
খ) মলটোজ = বার্লি (অনেকটা গমের মত)
গ) সুক্রোজ (চিনি) = ইক্ষু
...

View on Facebook

কোয়ান্টাম ফিজিক্স-২ : আলোর তরঙ্গ তত্ত্ব
.
আলোর তরঙ্গ তত্ত্ব
১৬৭৮ সাল। আরেক ডাচ বিজ্ঞানী ক্রিশ্চিয়ান হাইগেনস বললেন, আলো আসলে এক ধরনের তরঙ্গ। আলো উৎস থেকে অতি ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র তরঙ্গ ছড়িয়ে পড়ে। আলোর তরঙ্গ তত্ত্ব বুঝতে হলে তরঙ্গ কী সেটা আগে জেনে নেওয়া যাক।
তরঙ্গ মানে ঢেউ। কম্পন। সমুদ্রের পানিতে বাতাস এসে ধ্বাক্কা মারে। ফলে তৈরি হয় ঢেউ। ছোট-বড় হরেক রকমের ঢেউ। কখনো কখনো আবার ঢেউয়ের আকার পৌঁছে যায় বিশাল বিশাল অট্টালিকার সমান।
পুকুরের পানি এমনিতে শান্ত। হঠাৎ পানিতে একটা ঢিল ছোড়া হলো। তাহলে পানিতে ঢেউ তৈরি হবে। এই ঢেউ হলো পানির তরঙ্গ।
কেন এই ঢেউ তৈরি হয়?
পানির তরঙ্গ
পানিতে যেখানে ঢিলটা পড়ে সেখানকার পানির অণুগুলোতে সেই ঢিল আঘাত করে। অণুগুলোর ভেতর কম্পন তৈরি হয়। কাঁপতে কাঁপতে সেই অণুগুলো তাদের পাশের অণুগুলোর গায়ে ধ্বাক্কা মারে। পাশের অণুগুলো তখন কাঁপতে শুরু করে। তারা আবার তাদের আশপাশের অণুগুলোকে ধাক্কা মারে। সেগুলো আবার ধাক্কা মারে তাদের চারপাশের অণুগলোকে। এভাবে কম্পন ছড়িয়ে পড়ে পুকুর জুড়ে।
শব্দও কিন্তু এক ধরনের তরঙ্গ। কোনও বস্তু আরেকটা বস্তুতে আঘাত করলে শব্দ হয়। আসলে দুটি বস্তুতে সংঘর্ষের ফলে কেঁপে ওঠে সেগুলোর আশপাশের বায়ুমণ্ডল। সেই কম্পন শব্দ তরঙ্গাকারে ছড়িয়ে পড়ে চারপাশে।
শব্দ তরঙ্গ
কিন্তু আলোর তরঙ্গ হতে হলে বেশকিছু সমস্যাও সামনে চলে আসে। শব্দতরঙ্গ মাধ্যম ছাড়া চলতে পারে না। শব্দ বাতাসে তরঙ্গ আকারে ছড়িয়ে পড়ে। তারপর বাতাসের বুকে ঢেউ তুলে এগিয়ে যায় সামনের দিকে। তাহলে আলোক তরঙ্গ কীভাবে চলে? প্রাচীন যুগের মানুষ মনে করতেন, গোটা মহাবিশ্বই ডুবে আছে ইথারের তরঙ্গে। হাইগেনস আবার ফিরিয়ে নিয়ে এলেন ইথার তত্ত্ব। তিনি বললেন গোটা মহাবিশ্ব এমনকী বস্তুর ভেতরেও রয়েছে ইথারের অস্তিত্ব। আলো উৎস থেকে তরঙ্গকারে ছড়িয়ে পড়ে ইথারের এই মহাসমুদ্রে। তারপর ইথারের বুকে ঢেউ তুলে ছড়িয়ে পড়ে দূর-দূরান্তে।
তরঙ্গ তত্ত্বের সবচেয়ে বড় সাফল্য ছিল, এটা দিয়ে একই সাথে আলোর প্রতিফলন, প্রতিসরণ, অপবর্তন, ব্যাতিচার ব্যাখ্যা করা যায়। কিন্তু আলোক তরঙ্গ চলার জন্য যে মাধ্যম কল্পনা করা হয়েছে, সেই ইথারের অস্তিত্ব আদৌ আছে কিনা তা নিয়ে সংশয় ছিল।
ক্রিশ্চিয়ান হাইগেনস
তাছাড়া নিউটন তরঙ্গ তত্ত্বের ঘোর বিরোধী ছিলেন। বৈজ্ঞানিক সমাজে তখন নিউটনের ব্যাপক প্রভাব। তার বিপক্ষে কথা বলার মতো বিজ্ঞানী সে সময় হাতে গুণে কয়েকজন ছিল। সুতরাং নিউটনের কণা তত্ত্বের প্রভাবে হাইগেনসের তরঙ্গ তত্ত্ব চাপা পড়ে যায়।
তরঙ্গতত্ত্বের আরেকটা বড় সমস্যা আছে। একটা পুকুরের কথা ভাবা যাক। পুকুরের মাঝখানে ঢিল ছোড়া হলো। পানিতে ঢিলের আঘাতে পানিতে আলোড়ন উঠবে। সৃষ্টি হবে ঢেউ। তারপর সেই ঢেউ তরঙ্গাকারে ছড়িয়ে সারা পুকুরে। শেষ হয় পুকুর পাড়ে এসে। ধরা যাক, পুকুরের এক দিকে একটা বাঁশের খুঁটি পোতা আছে। ওখানে তরঙ্গ এসে কী করবে? বাঁশের দ্বারা পানির তরঙ্গ বাধা পাবে। তারপর ঢেউ সেই বাঁশকে দুদিক দিয়ে পাশ কাটিয়ে চলে যায়। বাঁশের পেছন দিকে দুপাশ থেকে পাশ কাটিয়ে আসা তরঙ্গ আবার মিলিত হয়।
আলোর তরঙ্গও যদি এমন হয়, বাঁশের পেছনে গিয়ে দু’ভাগ হওয়া তরঙ্গ যদি মিলিত হবে। তাহলে বাঁশটির ছায়া পড়ার কথা নয়। কিন্তু আমরা বস্তুর ছায়া পড়তে দেখি। হাইগেনসের তরঙ্গ তত্ত্ব এই ছায়ার ব্যাখ্যা দিতে পারে না। তারচেয়ে বরং আলোকে কণা হিসেবে দেখলে ছায়ার ব্যাখ্যা পাওয়া যায়। পরবর্তীকালে অবশ্য অ্যামেরিকান পদার্থবিদ থমাস ইয়ং তরঙ্গ তত্ত্বের প্রমাণ দেন। পরের অধ্যায়ে সে বিষয়ে আলোচনা করা হবে।
...

View on Facebook

দীপন ক্ষমতা কী।

কোনো আলোক উৎসের দীপন ক্ষমতা বলতে আমরা বুঝি আলোক সৃষ্টির ব্যাপারে ঐ উৎস কত তীব্র অর্থাৎ একটা উৎস থেকে কী হারে আলোকশক্তি নির্গত হচ্ছে দীপন ক্ষমতা দ্বারা তা বুঝা যায়। কোনো বিন্দু উৎস থেকে প্রতি সেকেন্ডে কোনো নির্দিষ্ট দিকে একক ঘণকোনে যে পরিমান আলোক শক্তি নির্গত হয় তাকে ঐ উৎসের দীপন ক্ষমতা বলে।
আন্তর্জাতিক পদ্ধতিতে যে সাতটি রাশিকে মৌলিক রাশি হিসেবে ধরা হয়েছে দীপন ক্ষমতা তার একটি।
এর সংকেত I এবং একক ক্যান্ডেলা (Candela).
...

View on Facebook