+8801817-291888

Blog

এসেনশিয়াল এমিনো এসিড
সমূহ সহজে মনে রাখার ছন্দ:
"লাইলি আইসো মাথায় ফিতা ও
ভালো টিপ পরে "
লাই = লাইসিন
লি = লিউসিন
আইসো = আইসোলিউসিন
মা=মেথিওনিন
থা = থিওনিন
ফিতা = ফিনাইল আলানিন
ভালো = ভ্যালিন
টিপ = ট্রিপ্টোফ্যান
বি:দ্র : আগের বইয়ে ১০ টি
এসেনশিয়াল এমিনো এসিড ছিলো
কিন্তু নতুন আজমল ও হাসান এর বই এ ৮ টি
দেওয়া আছে। তাই # নতুন আপডেট
দেওয়া হলো
...

View on Facebook

:::::SSC/Dhakil শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ কুইজ প্রতিযোগিতা(কয়েক লক্ষ টাকার আকর্ষণীয় পুরষ্কার):::::
1. কোনটি শুদ্ধ বানান?
(a) সন্ন্যাসী (b)সন্যাসী (c)সন্যাসি
2. He lives in --- USA. Fill in the gap.
(a)the (b)a (c)an
3. ১ হতে ৩২ পর্যন্ত কতটি মৌলিক সংখ্যা আছে?
(a)৯ (b)১১ (c)১৩
4. জিকা ভাইরাস কোন মশার মাধ্যমে ছড়ায়?
(a)কিউলেক্স (b)এডিস (c)এনোফিলিস
5. প্রথম বাংলাদেশি হিসাবে কে UNDP 'র শুভেচ্ছা দূত নিযুক্ত হয়েছেন?
(a)সাকিব আল হাসান (b)মাশরাফি বিন মর্তুজা (c)তামিম ইকবাল খান
=>SMS করে দাও নিজের বা অভিভাবকের মোবাইল হতে!!
শহরের শিক্ষার্থীরা SMS করুনঃ Name, School Name, SSC Roll, 1.a, 2.c..... Send- 01882021992
গ্রামের শিক্ষার্থীরা SMS করুনঃ Name, School Name, SSC Roll, 1.a, 2.c..... Send- 01924107041
আকর্ষণীয় পুরষ্কারঃঃ
=> ১ম পুরস্কার একটি ল্যাপটপ।
=> ২য় থেকে ৫ম পুরস্কার Tablet PC(Original Twinmos)।
=> ৬-২০ তম পুরস্কার Smart Watch।
=> ২১-৪০ তম পুরস্কার Scientific Calculator।
=> ৪১-১০০ তম পুরস্কার প্রাইজবন্ড।
বিঃ দ্রঃ শুধুমাত্র 2017 সালের SSC/Dhakil পরীক্ষার্থীরা কুইজে অংশগ্রহন করতে পারবে।
কলেজ ভ‌র্তি সম্পর্কিত সর্ব‌শেষ যেকোন তথ্য জানতে
Group: www.facebook.com/groups/bisects/ জয়েন ও প্রশ্ন করুন।
...

View on Facebook

রাতে আম্মুর হাতে রান্না করা খাবার খুব মজা করে
খেয়ে রাত ১০টাই ঘুমিয়ে গেলাম।
সকাল গেলো
ঘুম থেকে উঠলাম না।
আরামে ঘুমাবো বলে, আম্মু ডাকলো না।
দুপুর হয়ে গেলো ঘুম থেকে উঠলাম না।
এবার আম্মু অনেক ডাকলো আমি উঠলাম না।
আম্মু চলে গেলো।
একটু পর আবার আসলো,
আবার আসলো।
এবার অনেক ডাকার পরেও না
উঠায়, আম্মু অনেক বকলো আমি তাও উঠলাম না।
এইবার আম্মু একটা থাপ্পড় দিলো, তাও উঠলাম
না। এবার আম্মু হাত ধরে টান দিলো
কিন্তু আমার
হাত পুরো শরীর নিয়ে নড়ে উঠলো।
শরীর আমার
পাথরের ন্যায় শক্ত হয়ে গেছে।
আম্মু কিছু না বলে চুপ করে রুম থেকে বেরিয়ে
আব্বুকে ডেকে নিয়ে আসলো।
কিন্তু আব্বুও
অনেক ডাকার পরও আমি উঠলাম না। এইবার আব্বু
চোখের জল ফেলে বলছে, উঠে আয় তোকে আর
কোন দিন কিছু বলবো না।
যেমন করে থাকতে চাস
থাক,
তাও উঠে আয় তোকে আজকেই বাইক কিনে দিবো।
আমি অবাক হয়ে দেখছি আব্বু
এতো করুণা করে কোনোদিন
আমাকে বলেনা অথচ আজ বলছে।
আমি উঠে আসতে
চাচ্ছি কিন্তু কিছুতেই উঠতে পারছিনা। এদিকে
আব্বু নানান রকম লোভ দেখিয়ে বলছে উঠে
আসতে।
একটু পর আমার বাড়িতে অনেক মানুষ
চলে আসলো।
ওদিকে আম্মু কাঁদছে কেউ আম্মুকে
সান্ত্বনা দিচ্ছে কেউবা আব্বুকে কেউ ভাই বোনকে
নানান কথা বলে বুঝাচ্ছে ।
একটু পরেই কয়েকজন
এসে আমাকে খুব যত্ন করে বিছানা থেকে নামিয়ে লোহার শক্ত খাটিয়াই শুইয়ে দিলো। আমি কাঁদছি
আর বলছি আমার পিঠে খুব ব্যাথা লাগছে নামাও এখান থেকে।
কেউ আমার কথা শুনল না।
একটু পর ঐ মানুষ গুলো গরম পানি নিয়ে এসে আমার শরীরে কিছুটা পানি ডেলে দিলো।
ইস আমার শরীর পুড়ে
গেলো বলে চিৎকার করছি কেউ কথা শুনছে না আমার।
আমাকে পরম যত্নে গরম পানি দিয়ে খুব
সুন্দর করে ডলে ডলে ধুইছে।
আমি কাঁদছি আর বলছি আমাকে
আর গরম পানি দিয়ো না, শরীর পুড়ে যাচ্ছে।
আমায় আর ডলা দিয়ো না,
খুব ব্যথা লাগছে কেউ শুনল না।
অনেক সময় নিয়ে গোসল
করিয়ে আমার শরীর ভালো করে মুছে নিয়ে আসলো
আমার বসার জায়গাতে।
আমি খুব খুশি হলাম ভাবলাম
আমাকে এইবার এখানে বসাবে।
কিন্তু ওরা আমাকে
না বসিয়ে কাঠের শক্ত একটা খাটে শুইয়ে দিলো।
একটা চাদরও নিচে দিলনা।
একটু পরে আব্বু, ভাই আরো
কয়জন মিলে আমাকে একটা সাদা কাপড় পড়ালো।
আব্বু অনেক আদর করে আমার মুখে হাত বুলাচ্ছে আর কাঁদছে।
এতো আদর কোনোদিন করেনি আব্বু
আমাকে।
অনেকে বলছে আমাকে খুব সুন্দর
দেখাচ্ছে,
তার পরেও আম্মু আব্বু খুব কাঁদছে। কিছুতেই কান্না
থামাচ্ছে না।
আমি এতো করে বলছি কেঁদো না।
আম্মু কিন্তু কিছুতেই শুনছে না আমার কথা।
একটু পর কয়েক জন এসে আমার পা আর মাথাটা বেঁধে
দিলো কত বললাম একটু খুলে দাও বাঁধন, কেউ শুনল না।
আব্বুকে সরিয়ে দিয়ে আমাকে নিয়ে যেতে লাগলো।
আম্মু কিছুতেই নিতে দিচ্ছে না আমাকে।
ভাই বোন সব চুপ হয়ে কাঁদছে আর কিছু বলছে না।
কত করে বলছি ডিস্টার্ব করিস না আমাকে,
একজনও শুনলো না, কেদেই চলেছে।
একটু বেশি ঘুমালে আব্বু বকা দিতো কিন্তু
এখন আব্বু চুপ করে দাড়িয়ে চোখের পানি মুছতেছে,
একটা বকাও দিলো না আমাকে।
আম্মুকে জোর করে সরিয়ে দিয়ে
কয়েক জন আমাকে নিয়ে অনেক মানুষের সামনে শুইয়ে দিলো একটা ছায়ায়।
তার পরেই জানাজা
পড়লো আমার।
জানাজা শেষেই নিয়ে গেলো
আমায়।
একটু দূরেই একটা মাটির গর্ত করে রাখছে।
আব্বু আর ভাই,
২ জন মিলে মাটির গর্তে নেমে
আমাকে কোলে তুলে নিয়ে
ঐ ছোট মাটির গর্তে
শুইয়ে দিলো। মাটি চাপা দিয়ে দিল......
.
জীবনের ইতি ঘটে গেল.........
...

View on Facebook

সূর্যালোকের উপস্থিতিতে ক্লোরিনের সাথে অ্যালকেনের বিক্রিয়াঃ
ঘটনা ১: যখন সূর্যালোকের তীব্রতা বেশিঃ

তীব্র সূর্যালোকের উপস্থিতিতে ক্লোরিন অ্যালকেনের হাইড্রোজেনকে বিস্ফোরণসহকারে অপসারিত করে হাইড্রোজেন ক্লোরাইড গ্যাস উৎপন্ন করে এবং কার্বন উৎপন্ন করে থাকে।

মেকানিজমঃ প্রখর সূর্যালোকে ক্লোরিন অণু ভেঙ্গে গিয়ে ফ্রি র‍্যাডিক্যাল উৎপন্ন করে যা নিমেষেই সকল হাইড্রোজেনের সাথে বিক্রিয়া করে হাইড্রোজেন ক্লোরাইড গ্যাস ও কার্বন উৎপন্ন করে থাকে।

বিক্রিয়ার গুরুত্বঃ হাইড্রোজেন ক্লোরাইড এবং কার্বন উৎপাদন।

জেনে রাখা ভালঃ বিক্রিয়াটি ঘটানোর মূল নিয়ামক প্রখর সূর্যালোক; তাই এটি উল্লেখ করতে হবে।

টেক্সট রিসোর্সঃ হাজারী ও নাগঃ ২৩৬-২৩৭ (মেকানিজমসহ)

মহির ও মুস্তারীনঃ ২৮০
ঘটনা ২: যখন বিক্ষিপ্ত সূর্যালোকঃ

একই বিক্রিয়া তবে ধাপে ধাপে সংঘটিত হয় এবং প্রতিস্থাপিত মূলকের সৃষ্টি হয়ে থাকে। যেমনঃ মিথেনের সাথে ক্লোরিনের বিক্রিয়ায় প্রথমে ক্লোরিন ফ্রি র‍্যাডিক্যাল উৎপন্ন হয়ে থাকে এবং একটি ফ্রি র‍্যাডিক্যাল মিথেনের একটি হাইড্রোজেনের সাথে বিক্রিয়া করে হাইড্রোজেন ক্লোরাইড উৎপন্ন করে এবং মিথাইল ক্লোরাইড উৎপন্ন করে। আবার এ মিথাইল ক্লোরাইড আবার ক্লোরিনের সাথে বিক্রিয়া করে ডাইক্লোরো মিথেন ও হাইড্রোজেন ক্লোরাইড উৎপন্ন করে; এ ডাইক্লোরো মিথেন আবারও [কয়বার বিক্রিয়া ...?!. 😈 ] ক্লোরিনের সাথে বিক্রিয়া করে ট্রাইক্লোরো মিথেন বা ক্লোরোফর্ম উৎপন্ন করে। এই ক্লোরোফর্ম আবারও ক্লোরিনের সাথে বিক্রিয়া করে টেট্রা ক্লোরো মিথেন উৎপন্ন করে।

মেকানিজমঃ আগেরটার মতই। তবে ধাপে ধাপে।

চিত্রঃ

বিক্রিয়ার গুরুত্বঃ এ বিক্রিয়ার মাধ্যমে ক্লোরোফর্ম এবং গুরুত্বপূর্ণ জৈব দ্রাবক কার্বন টেট্রা ক্লোরাইড উৎপন্ন করা যায়।

জেনে রাখা ভালঃ বিক্রিয়াটি ঘটানোর মূল নিয়ামক বিক্ষিপ্ত সূর্যালোক; তাই এটি উল্লেখ করতে হবে।

বিক্রিয়াটি ০ ক্রমের 😛

টেক্সট রিসোর্সঃ হাজারী ও নাগঃ ২৩৬-২৩৭ (মেকানিজমসহ)
...

View on Facebook

সাইনোভিয়াল বা সচল অস্থিসন্ধি
মনে
রাখার পদ্ধতিঃ
হে প্রিয়া কেন এলে সন্ধা বেলা
পরে
হে : hinge বা কব্জা সন্ধি ( কনুই এর
সন্ধি)
প্রিয়া : plane বা চাপা সন্ধি ( দুটি
কার্পাল অস্থির সন্ধি)
কেন : condyloid বা গাঁটময় ( এটি
রুপান্তরিত বল ও কোটরসন্ধি এবং
হাঁটুর
সন্ধি)
এলে : Elipsoid বা উপবৃত্তাকার ( Ankle
joint গোড়ালির সন্ধি )
সন্ধ্যা : স্যাডল (জিন আকৃতির, বৃদ্ধা
আঙ্গুলের কার্পাল ও
মেটাকার্পালের
মধ্যকার সন্ধি )
বেলা : Ball and socket বা বল ও কোটর
সন্ধি (স্কন্ধ সন্ধি -হিউমেরাস
+গ্লেনয়েড গহবর। জংঘাসন্ধি
ফিমারের
মাথা + এসিটাবুলাম)
পরে : Pivot joint (প্রথম দুটি
গ্রীবাদেশীয়
কশেরুকার মধ্যকার অস্থি সন্ধি।
...

View on Facebook

#Notice
College will be closed from 24 April 2017 to 1 may 2017 on the occasion of shab e meraj, Summer Vacation and 1st May.
...

View on Facebook

এইচএসসি পরীক্ষা ২০১৭
রসায়ন প্রথম পত্র ফাইনাল সাজেশন
(সকল বোর্ড)
______________________________________
(১) প্রথম অধ্যায় :
রাসায়নিক দ্রব্য সংরক্ষণ ও ব্যবহার সতর্কতা ( সাংকেতিক চিহ্নগুলো ভালো করে শিখো ) ,
মাইক্রো ও সেমিমাইক্রো অ্যানালাইসিস* পদ্ধতি , ফাস্ট এইড বক্স + প্রাইমারী ও সেকেন্ডারি পদার্থ ।
(২) দ্বিতীয় অধ্যায় :
রাদারফোর্ড ও বোর এর পরমাণু মডেল+ ( জাস্ট দেখে রেখো ) + বর্ণালী সম্পর্কিত ম্যাথ*** + আউফবাউ নীতি** +হুন্ডের
নীতি + ক্রোমাটোগ্রাফি + আয়ন শনাক্তকরণ** ।
(৩)তৃতীয় অধ্যায় :
সংকরায়ণ**** + ফাযানের নীতি সম্পর্কিত ছোট প্রশ্ন ও প্রয়োগ**** + আয়নীকরণ শক্তি + গ্রুপ
ও পর্যায় ভিত্তিক পর্যায়বৃত্ত ধর্ম****+ পোলারায়ন** + হাইড্রোজেন বন্ধন ।
(৪) চতুর্থ অধ্যায় :
হেসের সূত্রের মূলনীতি + লা শাতেলীয়ের নীতি*** +
বাফার ক্রিয়া কৌশল**** +এনথালপি সম্পর্কিত ম্যাথ , প্রশমন বিক্রিয়া + Kp & Kc ( PCl5 ,
NH3 , HI ) ইত্যাদির কৌশল ও এ সম্পর্কিত ম্যাথ****
+PH নির্ণয়*** ও গুরুত্ব
(৫)পঞ্চমঅধ্যায় ** :
ভিনেগার উৎপাদনের কৌশল**** ও খাদ্য সংরক্ষণে গুরুত্ব*** + টয়লেট ক্লিনার* + খাদ্য
কৌটাজাতকরণের পদ্ধতি ও
প্রিজারভেটিভস** ।।।।।।
...

View on Facebook

মনে রাখার ব্যাপার টা নির্দিষ্ট করে বললে বলতে হয় এটা একটা প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে আমরা আমাদের চারপাশের বিভিন্ন বস্তু বা ঘটনাকে আমাদের স্মৃতিতে ধারণ করি এবং প্রয়োজনে তা আবার মনের সচেতন অংশে ফিরিয়ে আনি। সবগুলো পয়েন্ট ভালোভাবে বুঝতে হলে আগে কিছু বেসিক কনসেপ্ট তোমাদের দরকার হবে স্মৃতি সম্পর্কে। সেগুলো আগে আগেই বলা রাখা ভালো।
আমরা যেটাকে স্মৃতি বলি সেটার প্রধানত দুইটা অংশ আছে-
ক) স্বল্পস্থায়ী স্মৃতি

খ) দীর্ঘস্থায়ী স্মৃতি

দুটো ব্যাপারকে একটা উদাহরণ এর মাধ্যমে ব্যাখ্যা করা যাক। নিচে দশটি এলোমেলো মেয়েদের নাম দেওয়া হলো। তোমার কাজ হচ্ছে শুধুমাত্র একবার দেখে যতগুলো পারা যায় মনে রাখা-

১)মীম ২)তন্বী ৩)নিশাত ৪)শিলা ৫)শুভ্রা ৬)নীলাঞ্জনা ৭)ছালছাবিল ৮)শিশির ৯)মিতু ১০)দোলা

এখন মনে করার চেস্টা করে দেখ। কয়টা নাম মনে করতে পারলে তুমি?৫-৬ টা? হ্যা বেশিরভাগ মানুষ ৫-৬ টা নাম ই মনে করতে পারবে। কিন্তু সেটা খুবই স্বল্প সময়ের জন্য। হয়ত এই পোস্ট যতক্ষণ পড়বে ততক্ষণ পর্যন্ত। কিন্তু যদি তোমাকে কালকে আবার নামগুলো বলতে বলা হয় তখন? দেখবে যে খুব বেশি হলে ২-৩ টা নাম মনে করতে পারতেছ তুমি। এই যে স্বল্প সময়ের জন্য ৫-৬ টা নাম মনে করতে পারলে এটাই স্বল্পস্থায়ী স্মৃতি। আর কালকে যে নাম গুলো বলতে পারবে সেগুলো তুমি তোমার দীর্ঘস্থায়ী স্মৃতি থেকে রিকল করে বলবে। অর্থাৎ ঐ দুইটা নাম সাফল্যের সাথে স্বল্পস্থায়ী থেকে দীর্ঘস্থায়ী স্মৃতিতে পরিণত হয়েছে।
তাহলে কেন তুমি ২-৩ টা নাম ই কেবল দীর্ঘ সময় ধরে মনে রাখতে পারো? ঐ দুইটা নামের বিশেষত্ব কি? আর বাকিরা কি দোষ করলো তাহলে? আমরা সেটাই খুজে বের করার চেস্টা করবো বাকি আর্টিকেল টা জুড়ে। আর একইসাথে দেখব কিভাবে দশটা নামই ইফেক্টিভলি মনে রাখার নানা টেকনিকস।

এবার আসি আসল অংশে, তুমি কিভাবে তোমার সেই পুরোনো স্মৃতিশক্তিকেই নতুনরূপে ব্যাবহার করে যা মনে রাখা দরকার তা আরো ইফেক্টিভলি মনে রাখবে?চল সেটাই দেখা নেওয়া যাক। আমরা মূলত এখানে পড়াশোনা বিষয়ক তথ্য মনে রাখার কথাই বলব, যদিও একই কনসেপ্ট কেউ চাইলে প্রাত্যাহিক জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রেও প্রয়োগ করতে পারে।

১) চেস্টাঃ আমাদের বেশিরভাগের জন্যে এই কথাটা সত্যি যে আমরা কোন তথ্য মনে রাখতে পারি না কারণ আমরা তা আসলে মনে রাখতে চাই ই না। আমাদের উদাহরণে তোমাকে যদি আগে থেকে ই বলা হয় রেকর্ডে শোনানো দশটা নামের মধ্যে সাতটা বলতে পারলে তোমাকে পুরস্কৃত করা হবে; তাহলে বেশিরভাগ সম্ভবনা থাকবে যে তুমি সাতটা নাম ই বলতে পারবে। সত্যি কথা হচ্ছে আমরা যে বিষয় নিয়েই পড়ি না কেন, আমাদের কমবেশি মুখস্ত করতে হয় ই। বুঝে মুখস্ত করার মাঝে ডিসক্রেডিট নেই।কেউ একজন পদার্থবিজ্ঞানে যতই ভালো হোক না কেন, পরীক্ষার হলে বসে সূত্র মনে না থাকলে সে পরীক্ষায় ভালো করতে পারবে না। তাই আজকে থেকেই কোন কিছু মনে রাখার জন্য সচেতন ভাবে চেস্টা কর।দেখবে তোমার ভুলে যাওয়ার হার দিন দিন কমতেছে।

২)ব্রেইন কে বোকা বানানোঃ আমাদের ব্রেইন সবসময় একটা ছাকনী এর মত কাজ করে- প্রতিদিান ফেইস করা হাজারো বস্তু থেকে বেছে বেছে তোমার জন্য যেগুলো গুরুত্বপূর্ণ ব্রেইন শুধু সেগুলো ই মনে রাখে। যেমন গত পরশু দুপুরে কি খেয়ছো তা তোমার জন্য গুরুত্বপূর্ণ নয় বলেই ব্রেইন তা তোমার স্মৃতি থেকে মুছে দেয়(বিশ্বাস না হলে চেক করে দেখই না মনে করতে পার কিনা!)। কিন্তু গত পরশুদিন দুপুরে কি খেয়েছো তা যদি তোমার জন্য ইম্পর্টেন্ট হয় (যেমন বাসায় তোমার জন্মদিন উপলক্ষে অনেক কিছু রান্না হয়েছিল বলে) তবে তা অবশ্যই মনে থাকবে। তাই তোমার জন্য যা মনে রাখা দরকার (তোমার পাঠ্যবই এর তথ্য) তা তোমার নিজেকে নিজে বোঝাতে হবে যে এটা মনে রাখা তোমার জন্য গুরুত্বপূর্ণ- দেখবে দিনশেষে তোমার মনে আছে বিষয়টা

আমাদের লিস্টের দিকে নজর দেওয়া যাক। লিস্ট থেকে তুমি যে ৫-৬ টা নাম তুমি স্বল্প সময়ের জন্য মনে রাখবে তা কোন না কোন দিক থেকে তোমার জন্য গুরুত্বপূর্ণ (অনেক কারণ থাকতে পারে তার পিছনে 😛 )। আর স্থায়ীভাবে যে নামগুলো মনে রাখবে সেগুলো মনে রাখা তোমার জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে তোমার ব্রেইন ধরে নিয়েছে বলেই তোমার মনে আছে।

৩)পুনরাবৃত্তিঃ যুগ যুগ ধরে আমরা মুখস্ত করার এই পদ্ধতি ই ব্যাবহার করে আসতেছি। আমাদের উদাহরণে নামের লিস্ট টা যদি একবার দেখার কথা না বলে তোমাকে লিস্ট টা প্রিন্ট করে দিয়ে বলা হত এটা মুখস্ত করে আসো, কালকে এটার উপর পরীক্ষা তাহলে ভেবে দেখ তুমি কি করতে। নিশ্চয়ই তুমি সারারাত ধরে বারবার নামগুলা দেখতে, সহজ ভাষায় মুখস্ত করতে এবং পরের দিন নাক চোখ বুজে দশটা নাম ই সাফল্যের সঙ্গে লিখে দিতে।

b

হ্যা পুনরাবৃত্তি এর মাধ্যমে আমরা সত্যিই কোন কিছু মনে রাখতে পারি। একটু গভীর সাইন্স থেকে ব্যাখ্যা করলে বলতে হবে আমরা যখন কোন কিছু মনে রাখি তখন আমাদের মস্তিষ্কের নিউরন গুলো একটা নতুন সংযোগ গঠন করে। আমরা যত রিপিট করি ঐ নির্দিষ্ট বিষয়টা, ঐ বিষয় নিয়ে বারবার নতুন নিউরন সংযোগ তৈরী হতে থাকে। এবং শেষ পর্যন্ত অনেকগুলো সংযোগ একই বস্তুকে নির্দেশ করে বলে বিষয়টা শক্তিশালী স্মৃতিতে পরিণত হয়।যেমন বাংলাদেশের আয়তন যে ১,৪৭,৫৭০ বর্গ কিমি এই তথ্য টা শুধুমাত্র পুনরাবৃত্তি এর কারণেই আমরা কখনোও ভুলে যাই না।

তাই মাঝে মাঝেই আগের পড়া বিষয়গুলো রিভাইস দেওয়ার মাধ্যমে তুমি আরো ভালোভাবে সেগুলো মনে রাখতে পারবে সেটা বলার কোন অপেক্ষা রাখেনা।

৪)সম্পর্ক বা অর্থ খুজে বের করাঃ তুমি নিশ্চয়ই “র্ডমারদাবো”- এরকম উদ্ভট জিনিস মনে রাখতে পারবে না কিছুতেই? কিন্তু যদি বলা হয় যে যেটা আসলে ওখানে লেখা সেটা আসলে “মাদারবোর্ড” তাহলে?এখন? আরেহ এটা মনে রাখা কোন ব্যাপার হলো! কি এটাই বলবে না মনে মনে?

একটু ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গিতে দেখা যাক ব্যাপারটা, প্রথমটার কোন অর্থ নেই, তাই এটা মনে রাখা আমাদের জন্য প্রায় অসম্ভব, কিন্তু দ্বিতীয়টার অর্থটা সহজ। এটা মনে রাখা তেমন ব্যাপার না। আমাদের লিস্ট এর নামগুলোর সবমিলিয়ে কোন অর্থ নেই (শুধুমাত্র random নামের লিস্ট)। কিন্তু যদি পুরো লিস্ট এর আমরা একটা সামগ্রিক অর্থ বের করতে পারতাম তাহলে সব নামগুলো মনে রাখা একদম ই সহজ হয়ে যেত।

অনেক সময় যদি অর্থটা খুব কমন কিছু হয়ে যায় তখন শুধু অর্থ বের করার মাধ্যমে আমরা আর তা মনে রাখতে পারবো না। তখন যেটা দরকার হবে মজার কিছু, ভয়ংকর কিছু, দুঃখের কিছু যা তোমার সারাজীবন মনে রাখবে এমন কিছুর সাথে সম্পর্ক খুজে বের করা। দেখবে মনে রাখাটা তখন কত্ত সোজা!

ব্যাপারটা ক্লিয়ার হলো না তাই না? আমরা যখন ই কোন লিস্ট বা বিমূর্ত কিছু দেখি যা আমাদের মনে রাখতে হবে আমাদের ব্রেইন স্বতঃস্ফুর্ত ভাবেই সম্পর্ক খুজে বেড়ায় অনেক ক্ষেত্রে। যেমন আমাদের লিস্টের কথা ধরা যাক, যে নামগুলো তোমার মনে ছিলো না সেগুলো কি এগুলো- তন্বী, মীম, দোলা, মিতু, নিশাত… (আরে!হ্যা তাই তো!) এই নামগুলো তোমার ভুলে যাওয়ার চান্স বেশি কারণ এগুলোর সাথে তোমার ব্রেইন কোন সম্পর্ক স্থাপণ করতে পারে না, আর করলেও নামগুলো যেমন কমন এবং বৈশিষ্ট্যহীন তোমার তৈরীকৃত সম্পর্ক তেমন ই হবে এবং খুব শীঘ্রই তুমি ভুলে যাবে।

আর যে নামগুলো মনে রাখার সম্ভবনা বেশি এবং তোমার ব্রেইন স্বভাবত যেসব সম্পর্ক তৈরী করে নিবে তা হলো-

শিলা (শিলা কি জওয়ানি 😛 )

ছালছাবিল(অদ্ভুত নাম, এবং তুমি এখানে এরকম নাম দেখে অবাক হয়েছো)

শিশির (সাকিব-আল-হাসান এর বউ)

ব্রেইন যদি স্বাভাবিকভাবে কোন সম্পর্ক স্থাপন করতে অস্বীকার করে তাহলে আমরা আবারও ব্রেইনকে বোকা বানাবো এবং জোড় করে কোন একটা সম্পর্ক স্থাপন করবো। যেমন মীম নামটির কথা ধরা যাক। কমন নাম বলে তোমার ব্রেইন কোন শক্তিশালী সম্পর্ক স্থাপনে স্বাভাবিক ভাবে ব্যার্থ হবে। আমরা এখন জোর করে একটা সম্পর্ক স্থাপন করব। যেমন মডেল মীম এর কথা ধরা যাক। লিস্টে মীম নামটা দেখার সাথে সাথে মডেল মীম এর কথা ভাবো, এবং সম্পর্ক টা আরো শক্তিশালী করার জন্য মীমের একটা মজার নাটকের কথা ভাবো। হ্যা তোমার ব্রেইন এখন তোমার আগের কোন মজার স্মৃতির সাথে লিস্টের নামটাকে জুড়ে দিতে পেরেছে এবং সে এখন মনে রাখতে রাজি। জিজ্ঞেস করে দেখ তোমার ব্রেইন কে! দেখ মনে রাখতে পারে কিনা সে।

মনে রাখবে সম্পর্ক স্থাপন হলো এমন একটা ট্রিক যা ওয়ার্ল্ড মেমরী চ্যাম্পিয়ান রা খুব বেশি ব্যাবহার করে। সম্পর্ক স্থাপন প্র্যাকটিস করার মাধ্যমে তুমিও নিজেকে অন্য উচ্চতায় নিয়ে যেতে পারবে। তখন এক সেট এলোমেলো তাস সিরিয়াল অনুযায়ী বলে দেওয়াও তোমার পক্ষে অসম্ভব কিছু হবে না(আমি কিছুদিন চেস্টা করে ২৬ টা পর্যন্ত পেরেছি 😀 , তুমি প্র্যাকটিস চালিয়ে গেলে এর থেকে বেশি পারবে আশা করি)।

আমরা কন্সেপচুয়াল পয়েন্টগুলো মোটামুটি শিখে ফেলেছি। তাই আজকের মত এখানেই ইতি টানছি।আগামী পর্বে আমরা আরো ইন্টারেস্টিং এবং ট্রিকি কিছু টেকনিকস সম্পর্কে জানবো।মনে রাখা বেশ কষ্টকর কিন্তু মনে না রেখে কোন উপায় নেই এমন কিছু বিষয় মুখস্ত করার কিছু সহজ উদাহরণ থাকবে।এবং সব শেষে কিভাবে সবগুলো টেকনিকস সাফল্যের সাথে প্রয়োগ করতে হবে-তা বুঝানোর জন্য আমাদের লিস্টের নামগুলো মনে রাখার একটা উদাহরণ দেওয়া হবে।উদাহরণ টা ফলো করলে তুমি একবার দেখেই পরেরদিন সবগুলো নাম বলতে পারবে, তাও সিরিয়াল অনুযায়ী!

ততদিনের জন্য শুভকামনা রইল।আশা করি এখন থেকে এতকিছু কিভাবে মুখস্ত করবে নিয়ে আর মাথাব্যাথা হবে না।
...

View on Facebook

Topic= Botany (কোষ বিভাজন)
.
জীবজগতে ক্রসিং ওভারের গুরুত্ব
মনে
রাখার ছন্দ :
" জেবা পাগল "
.
*. জ= জিনগত পরিবর্তন
.
*. ব= বৈশিষ্ট্যগত পরিবর্তন
..
*. ব= বৈচিত্র সৃষ্টি
..
*. প= প্রকরণ
..
*.প= প্রজননবিদ্যা
..
*.গ= গবেষণা.
...
যেসব কোষ কথনও বিভাজিত হবে না
তা
মনে রাখার ছন্দ :
.
" পলাস "
..
*. প = পেশিকোষ
..
*. লা = লাল রক্ত কোষ
..
* . স = স্মায়ু কোষ
..
*. স = স্থায়ী উদ্ভিদ কোষ.
...

View on Facebook