Blog

31) পদার্থের পরমাণুর প্রোটন সংখ্যা ও পারমাণবিক সংখ্যা ➯ পরস্পর সমান ।
32) পৃথিবী ও উহার নিকটস্থ মধ্যকার বস্তুর আকর্ষণ বলকে বলে ➯ অভিকর্ষ বল ।
33) বরফ গলনের সুপ্ত তাপ ➯ ৮০ ক্যালরি ।
34) ০ ডিগ্রী সেন্টিগ্রেড তাপমাত্রায় শব্দের গতি ➯ ৩৩২ মিটার/সেকেন্ড ।
35) সুর্যোদয় ও সুর্যাস্তের সময় আকাশ লাল দেখায় ➯ লাল আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য বেশি বলে ।
36) সূর্য থেকে পৃথিবীতে আগত রশ্মি ➯ সৌর রশ্মি ।
37) পেট্রোলিয়াম, প্রাকৃতিক গ্যাস, কয়লা ইত্যাদি ➯ জীবাস্ম জালানি ।
38) জীব-জগতের সবচেয়ে ক্ষতিকর রশ্মি ➯ অতি বেগুণী রশ্মি ।
39) এক্সরে এর একক ➯ রনজেন ।
40) তেজস্ক্রীয়তার একক কুরি ও এর আবিস্কারক ➯ হেনরী বেকুইরেল ।
...

View on Facebook
View on Facebook

41) রেডিয়াম আবিস্কার করেন ➯ মাদাম কুরি ।
42) পারমাণবিক বোমা উৎপন্ন হয় ➯ ফিশন পদ্ধতিতে ।
43) হাইড্রোজেন বোমা উৎপন্ন হয় ➯ ফিউশন পদ্ধতিতে ।
44) পারমানবিক ওজন = প্রোটন ও নিউট্রনের ওজন ।
45) প্লবতা সূত্র আবিস্কার করেন ➯ আর্কিমিডিস ।
46) দূরবীক্ষণ যন্ত্র আবিস্কার করেন ➯ গ্যালিলিও ।
47) গতির সূত্র আবিস্কার করেন ➯ নিউটন ।
48) ডিজিটাল ফোনের প্রধান বৈশিষ্ঠ ➯ ডিজিটাল সিগনাল ডেটাবেজ ।
49) পীট কয়লা ➯ ভিজা ও নরম ।
50) তাপ আটকা পড়ে তাপমাত্রা বৃদ্ধিকে বলে ➯ গ্রীনহাউজ ইফেক্ট।
...

View on Facebook

2 days ago

Chattagram Biggan College

Chattagram Biggan College's cover photo ...

View on Facebook

-নকল এর সাথেই বসবাস। এমন হেন জিনিস নেই যে, ৪-৫ ফুট উচ্চতার সাদা ধবধবে গণচীনের মানুষগুলো বানাতে পারেনা। কত যে দুই নাম্বারি জিনিসপত্র তৈরী করে বিশ্বে ছড়িয়ে দিচ্ছে তার ইয়াত্তা নেই। অবশ্য আমরাও নকল তৈরীতে পিছিয়ে নেই। যৎ সামান্য উল্লেখ করলামঃ

(১) নকল ডিম := ২০০৪ সাল থেকে ক্যালসিয়াম কার্বনেট, জিলেটিন, রেজিন ইত্যাদি দিয়ে নকল ডিম তৈরী করে আসছে যা খেলে স্নায়ুতন্ত্র ও কিডনী ফেলিওর হতে-ই পারে। দেখতে বেশ মসৃণ এবং সিদ্ধ করলে কুসুম সাদাটে হয়।
(২) নকল পেঁয়াজ := দেখতে আসল পেঁয়াজের মত হলেও এটি কাটলে চোখ দিয়ে পানি পড়ে না। বছরের পর বছর রেখে দিলেও নষ্ট হয় না। এটি প্লাস্টিক ও ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ দিয়ে তৈরী। যা খেলে ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ে-ই।
(৩) নকল চাউল := হুবুহু আসল চালের মত। এটি প্লাস্টিকের সাথে মিষ্টি আলুর মিশ্রণে তৈরী হয়। নকল চাল হলে আগুনের তাপে গলে যাবে ও গন্ধ বের হবে। যা খেলে পেটের পীড়াসহ নানা জটিল রোগ হতে পারে-ই।
(৪) নকল বাঁধাকপি := রাসায়নিক দ্রব্য সাথে গরম মোম দিয়ে আলাদা আলাদা পাতা তৈরী করে এগুলো একসাথে যুক্ত করে আসল বাঁধাকপির মতোই বানাচ্ছে নকল বাঁধাকপি। এটি কুচিকুচি করে কাটা যায় যা খেলে নিঃসন্দেহে মানব স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর-ই।
(৫) নকল মাংস := লাল রং, সোডিয়াম বেনজোয়েট ও অন্যান্য রাসায়নিক পদার্থ মিশিয়ে বানানো হচ্ছে গরু কিংবা খাসির মাংস যা ভক্ষনে আমাদের প্রোটিনের পরিবর্তে ক্যান্সার বাসা বাঁধার আশংকা থাকে-ই।
(৬) নকল তরমুজ := পিগমেন্ট ও রাসায়নিক মিশিয়ে তৈরী হচ্ছে তরমুজ। যা কাটার পর হাত দিয়ে আস্তে আস্তে বডিটা খুলে ফেলা যায়। আর খেলে শরীরের ভয়াবহ ক্ষতি হতে পারে-ই।
(৭) নকল মাছ := প্লাস্টিক দিয়ে তৈরী হচ্ছে নকল মাছ পর্যন্ত। কাটার পর দু'হাত দিয়ে চাপ দিলে ফোমের মত মনে হবে। একে আগুন দিয়ে গলানো যায়। এ মাছ খেলে স্বাস্থ্যের ১২টার পর ১টা বেজে যাবে-ই।
(৮) নকল দুধ := সোডা, চক পাউডার, সয়াবিন তেল, ফরমালিন ইত্যাদি মিশিয়ে হরহামেশা তৈরী করে ফেলছে গাভীর নকল দুধ। দেখতে হুবুহু আসল দুধের মতই। এ দুধ খেলে পেট খারাপ, লিভার, পাকস্থলীর মারাত্নক ক্ষতিগ্রস্থ হবে-ই।
(৯) নকল সস := পটাসিয়াম সালফাইড, এসিটিক এসিড, সাইট্রিক এসিড ও রং মিশিয়ে তৈরী হচ্ছে মুখরোচক সস। এ কেমিক্যাল মিশ্রণ খেলে গুরুতর অসুস্থ্য হবেন-ই।
(১০) নকল গুড় := হাইড্রোজ, কাপড়ের রং, চিটাগুড়সহ নানা ক্ষতিকর উপকরণ দিয়ে তৈরী হচ্ছে মজাদার খেজুরের গুড়। এ গুড় খেলে ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা বেশি-ই।

-এছাড়া আছে নকল ঔষধ, নকল সবজি, নকল ভোজ্য তেল, নকল বেবি ফুডস, নকল মধু, নকল জুস, নকল প্রসাধনী (ফেইস ওয়াস, শ্যাম্পু, ভেসলিন, ক্রীম, মেহেদী ইত্যাদি), নকল ঘি, আছে নকল টাকা... আরও কত কি ! বলে শেষ করা যাবে না। অর্থাৎ আমাদের নকলের মধ্যেই যেন বসবাস। আসুন- এসব বর্জন করি- শরীরটাকে সুস্থ্য রাখি।

[লেখকঃ প্রফেসর ডঃ এস, এম, আবে কাউছার, রসায়ন বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়]।
...

View on Facebook

51) পরমাণু ভেঙ্গে প্রচন্ড শক্তি সৃস্টি করাকে বলে ➯ ফিউশন বিক্রিয়া ।
52) বায়ু এক প্রকার ➯ মিশ্র পদার্থ ।
53) আপেক্ষিকতার সূত্র আবিস্কার করেন ➯ আলবার্ট আইনস্টাইন ।
54) মৌলিক রাশিগুলো হলো ➯ দৈর্ঘ, ভর, সময়, তাপমাত্রা, তড়িৎপ্রবাহ, দীপন ক্ষমতা ও পদার্থের পরিমাণ।
55) লব্ধ রাশি ➯ বল, ত্বরণ, কাজ, তাপ, বেগ প্রভৃতি ।
56) ভেক্টর রাশি ➯ সরণ, ওজন, বেগ, ত্বরণ, বল, তড়িৎ প্রাবল্য, মন্দন, ভেদাঙ্ক ইত্যাদি ।
57) স্কেলার রাশি ➯ দৈর্ঘ, ভর, দ্রূতি, কাজ, তড়িৎ বিভব, সময়, তাপমাত্রা ইত্যাদি।
58) পরিমাপের আন্তর্জাতিক পদ্ধতি হল ➯ এস. 58) পরিমাপের আন্তর্জাতিক পদ্ধতি হল ➯ এস. আই. I. ।
59) ভর হচ্ছে পদার্থের ➯ জড়তার পরিমাণ।
60) এই মহাবিশ্বে পরম স্থিতিশীল এবং পরম গতিশীল বলে কিছু নেই ।
...

View on Facebook

অ্যালিফেটিক যৌগঃ

যে সব জৈব যৌগের অণুতে কার্বন পরমাণুসমূহের মুক্ত শিকল বিদ্যমান তাদের অ্যালিফেটিক যৌগ বলা হয়। যেমন :

CH4, CH3-CH3, CH3-CH2-OH

অ্যালিফেটিক যৌগসমূহকে তাদের সম্পৃক্ততার ভিত্তিতে তিনটি সমগোত্রীয় শ্রেণীতে বিভিক্ত করা হয়ঃ

প্যারাফিন ঃ দ্বিবন্ধন বা ত্রিবন্ধনবিহীন অ্যালকেন
অলেফিন বা অ্যালকিন ঃ যেগুলোতে এক বা একাধিক দ্বিবন্ধন উপস্থিত থাকে
অ্যালকাইন ঃ যেগুলোতে এক বা একাধিক ত্রিবন্ধন থাকে।

অবশিষ্ট যৌগসমূহকে তাদের কার্যকরী মূলক অনুসারে শ্রেণীবিভাগ করা হয়। এগুলো সরল শিকল, শাখায়িত শিকল বা চাক্রিক হতে পারে। শিকলের ডিগ্রী যৌগের ধর্মকে প্রভাবিত করে। যেমন পেট্রোলিয়াম রসায়নে অক্টেন নাম্বার বা কিটেন নাম্বার যৌগের ধর্মকে প্রভাবিত করে।

অ্যারোমেটিক যৌগঃ
যে সব জৈব যৌগের অণুতে এক বা একাধিক বেনজিন চক্র বা বলয় বিদ্যমান তাদের অ্যারোমেটিক যৌগ বলে .
বেনজিন একটি সরল এবং সবচেয়ে পরিচিত অ্যারোমেটিক যৌগ।

অ্যারোমেটিক হাইড্রোকার্বনে অনুবন্ধী দ্বিবন্ধন উপস্থিত থাকে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ হল বেনজিন, জার্মান রসায়নবিদ ফ্রেডরিখ অগাস্ট কেকুল কর্তৃক আবিষ্কৃত বেনজিনের ষড়ভুজীয় কাঠামোতে ইলেক্ট্রনের ডিলোকালিজেশন বা অনুরণন বিদ্যমান। প্রচলিত চাক্রিক যৌগসমূহে 4n + 2 সংখ্যক ডিলোকালাইজ্‌ড পাই ইলেক্ট্রন উপস্থিত থাকার কারণে অ্যারোমেটিসিটির উদ্ভব হয়। আবার 4n সংখ্যক অনুবন্ধী পাই ইলেক্ট্রন উপস্থিত থাকার কারণে যৌগের অ্যারোমেটিসিটির হ্রাস ঘটে।

হেটেরোসাইক্লিক যৌগঃ

হেটেরো-পরমাণুর উপস্থিতিতে চাক্রিক হাইড্রোকার্বনের ধর্মের পরিবর্তন ঘটে। এসব পরমাণু চাক্রিক জৈব যৌগের সাথে বহিস্থভাবে সংযুক্ত (এক্সোসাইক্লিক) থাকতে পারে আবার অভ্যন্তরেও যুক্ত (এন্ডোসাইক্লিক) থাকতে পারে। এন্ডোসাইক্লিকের ক্ষেত্রে চাক্রিক কাঠামোর অণুটিকে বলা হয় হেটেরোসাইকেল। পিরিডিন এবং ফিউরান হল অ্যারোমেটিক হেটেরোসাইক্লিকের উদাহরণ, পাইপিরিডিন এবং টেট্রাহাইড্রোফিউরান হল যথাক্রমে পিরিডিন ও ফিউরানের অ্যালিসাইক্লিক হেটেরোসাইকেল। হেটেরোসাইক্লিক অণুতে যেসকল হেটেরো-পরমাণু সাধারণত থাকে তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল অক্সিজেন, সালফার, নাইট্রোজেন। অ্যানিলিন রঞ্জকপদার্থসমূহ হল গ্রুপ হিসেবে হেটেরোসাইক্লিকের উদাহরণ। এছাড়া প্রানরসায়নে আলোচিত অধিকাংশ যৌগই যেমন অ্যালকালয়েড, ভিটামিনের সাথে সম্পৃক্ত যৌগ, স্টেরয়েড সমূহ, নিউক্লিক এসিড এবং বিভিন্ন ঔষধ এধরনের যৌগের উদাহরণ। তুলনামূলকভাবে সরল কাঠামোর হেটেরোসাইক্লিকের উদাহরণ হল পাইরোল (৫ সদস্য বিশিষ্ট) এবং ইন্ডোল (৬ সদস্য বিশিষ্ট চাক্রিক কার্বন কাঠামো)।

একটি চাক্রিক কাঠামো অন্য আরেকটি চাক্রিক কাঠামোর অণুর সাথে যুক্ত হয়ে পলিসাইক্লিক যৌগ গঠন করতে পারে। পিউরিন নিউক্লিয়সাইড ক্ষারসমূহ পলিসাইক্লিক অ্যারোমেটিক হেটেরোসাইকেলের উল্লেখযোগ্য উদাহরণ। এধরনের অণু আরেকটি অণুর সাথে কোনাকুনিভাবে যুক্ত হতে পারে, তবে এক্ষেত্রে অবশ্যই একটি পরমাণুর (প্রায় সবক্ষেত্রেই কার্বন) দুইটি বন্ধন থাকতে হবে যার একটি চক্রের সাথে সংযুক্ত হবে এবং অন্যটি অন্যান্য পরমাণুর সাথে যুক্ত হবে। এ ধরনের যৌগকে বলে স্পাইরো, প্রাকৃতিক যৌগসমূহে প্রচুর পরিমাণে এসকল যৌগ বিদ্যমান।
...

View on Facebook
View on Facebook

রসায়‌নের কিংবদন্তী শিক্ষক, দে‌খি আপনারা কে কে চি‌নেন ?? ...

View on Facebook